নিজেকে বা চারপাশ অচেনা লাগে? ডিপার্সোনালাইজেশন ও ডিরিয়েলাইজেশন

Mst. Swampa

Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed July 2026

হঠাৎ করে নিজেকে অচেনা লাগা, যেন আপনি নিজের শরীরের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজেকেই দেখছেন, কিংবা চারপাশের চেনা ঘর, চেনা মানুষ, চেনা রাস্তা সবকিছু স্বপ্নের মতো, ধোঁয়াশা আর অবাস্তব মনে হওয়া, এই অনুভূতি অনেক ভয় ধরায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে বসে অনেক মানুষ চুপচাপ এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে ভয় পান, ভাবেন হয়তো তিনি “পাগল” হয়ে যাচ্ছেন। এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় বুঝব এই অনুভূতির নাম কী, কেন হয় এবং কীভাবে সামলানো যায়।

প্রথমেই একটি স্বস্তির কথা বলি। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, নিজেকে বা চারপাশকে অবাস্তব, স্বপ্নের মতো লাগার এই অনুভূতি প্রায়ই তীব্র উদ্বেগ বা মানসিক চাপের প্রতি মনের একটি সাময়িক প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। এটি পাগল হয়ে যাওয়া নয়, আর নিয়ন্ত্রণও হারাচ্ছেন না আপনি। এই অবস্থার আছে নির্দিষ্ট নাম, নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা এবং কার্যকর সহায়তার পথ। চুম ওয়েলনেসে আমরা ঢাকায় সরাসরি এবং সারা বাংলাদেশজুড়ে অনলাইনে এই ধরনের সমস্যায় পাশে থাকি।

ডিপার্সোনালাইজেশন ও ডিরিয়েলাইজেশন আসলে কী

মন যখন অতিরিক্ত চাপ, ভয় বা উদ্বেগ সামলাতে হিমশিম খায়, তখন কখনো কখনো নিজেকে বাস্তবতা থেকে সাময়িকভাবে “আলাদা” করে ফেলে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই দূরত্বের অনুভূতিকে বলা হয় ডিসোসিয়েশন বা বিচ্ছিন্নতা। এর দুটি খুব পরিচিত রূপ রয়েছে।

ডিপার্সোনালাইজেশন: নিজের থেকে বিচ্ছিন্ন লাগা

ডিপার্সোনালাইজেশন হলো নিজের সঙ্গে সংযোগ হারানোর অনুভূতি। এই সময় মানুষ প্রায়ই যেভাবে বর্ণনা করেন:

  • মনে হয় আমি যেন একটা রোবট বা যন্ত্র, ভেতরে কোনো অনুভূতি কাজ করছে না।
  • নিজের হাত, মুখ বা কণ্ঠস্বর অচেনা লাগে, যেন এগুলো আমার নয়।
  • নিজেকে যেন বাইরে থেকে, সিনেমার পর্দার মতো করে দেখছি।
  • আবেগ ভোঁতা হয়ে যায়, প্রিয় মানুষের প্রতিও কিছু অনুভব করতে পারি না।

এখানেই মূল কষ্টটা লুকিয়ে থাকে। নিজেকে অচেনা লাগার এই অনুভূতি এতটাই অদ্ভুত যে অনেকে ভয় পেয়ে যান, আর সেই ভয় আবার অনুভূতিটাকে আরও তীব্র করে তোলে।

ডিরিয়েলাইজেশন: চারপাশ অবাস্তব লাগা

ডিরিয়েলাইজেশন হলো চারপাশের জগতকে অবাস্তব বা অচেনা মনে হওয়া। ঢাকার চেনা অলিগলি, ধানমন্ডির লেক, নিজের ঘর, সবকিছু হঠাৎ অন্যরকম লাগে। সাধারণ বর্ণনাগুলো এমন:

  • চারপাশ যেন কাচের দেয়ালের ওপারে, একটা স্বপ্নের মতো লাগা ভাব।
  • রং ফ্যাকাশে বা অস্বাভাবিক উজ্জ্বল মনে হয়, শব্দ যেন দূর থেকে আসছে।
  • চেনা মানুষ বা জায়গা হঠাৎ অপরিচিত মনে হয়।
  • সময় ধীরে বা দ্রুত বইছে বলে মনে হয়, নিজের চারপাশে নিজেকে অবাস্তব লাগা

ডিপার্সোনালাইজেশন আর ডিরিয়েলাইজেশন প্রায়ই একসঙ্গে ঘটে, তাই দুটোকে একসঙ্গে বলা হয়। ভালো খবর হলো, এই অভিজ্ঞতার সময়ও আপনি জানেন যে এটি বাস্তব নয়, এই সচেতনতা বজায় থাকাটাই বোঝায় যে আপনি বাস্তবতার সঙ্গে সংযোগ পুরোপুরি হারাননি।

কেন এমন হয়: মনের সাময়িক প্রতিরক্ষা

মানুষের মন বিপদ বা অসহনীয় চাপের মুখে নিজেকে বাঁচাতে চেষ্টা করে। যখন উদ্বেগ, ভয় বা মানসিক যন্ত্রণা একটা নির্দিষ্ট সীমা পার করে, তখন মস্তিষ্ক যেন একটা “সুইচ” টিপে অনুভূতির তীব্রতা কমিয়ে দেয়। এই দূরত্ব তৈরি করাই ডিসোসিয়েশন। এটি আসলে টিকে থাকার একটি প্রাচীন কৌশল, ক্ষতিকর কোনো লক্ষণ নয়। কিছু সাধারণ পটভূমি এখানে তুলে ধরা হলো।

তীব্র উদ্বেগ ও প্যানিক

প্যানিক অ্যাটাক বা তীব্র উদ্বেগের সময় বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি অনেকেরই নিজেকে অচেনা লাগা শুরু হয়। উদ্বেগ কীভাবে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, তা বিস্তারিত বুঝতে পড়তে পারেন প্যানিক অ্যাটাক ও বুক ধড়ফড় নিয়ে আমাদের লেখাটি। উদ্বেগ আর ডিরিয়েলাইজেশন প্রায়ই হাত ধরাধরি করে চলে।

দীর্ঘস্থায়ী চাপ ও ক্লান্তি

লম্বা সময় ধরে ঘুমের অভাব, পরীক্ষার চাপ, অফিসের বার্নআউট (দীর্ঘ ক্লান্তি ও নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি) বা পারিবারিক টানাপোড়েন মনকে ক্রমাগত সতর্ক অবস্থায় রাখে। এই দীর্ঘ চাপের ফলাফল হিসেবেও বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে।

ট্রমা বা কঠিন অভিজ্ঞতা

শৈশবের কঠিন অভিজ্ঞতা, দুর্ঘটনা, শোক বা কোনো ট্রমা (গভীর মানসিক আঘাত) থেকেও মন নিজেকে রক্ষা করতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এমন ক্ষেত্রে একজন পেশাদারের সহায়তা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যান্য কারণ

  • অতিরিক্ত ক্যাফেইন, ঘুমের ওষুধ বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রভাব।
  • মাইগ্রেন বা কিছু স্নায়বিক সমস্যা।
  • বিষণ্নতা বা দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগজনিত অবস্থা।

এখানে একটি জরুরি কথা মনে রাখা দরকার। যেহেতু কিছু শারীরিক ও স্নায়বিক কারণেও এমন অনুভূতি হতে পারে, তাই লক্ষণ যদি বারবার বা তীব্র হয়, তবে একজন যোগ্য চিকিৎসকের মাধ্যমে শারীরিক দিকগুলো পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। ওষুধ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য চিকিৎসকের সাথে নিতে হবে, নিজে থেকে কোনো ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।

ভয়ের চক্র: কেন অনুভূতিটা আটকে থাকে

ডিপার্সোনালাইজেশনের সবচেয়ে কষ্টদায়ক দিক হলো এর ভয়ের চক্র। প্রথমে চাপ বা উদ্বেগ থেকে অনুভূতিটা শুরু হয়। এরপর মানুষ ভাবেন, “আমার কি বড় কোনো সমস্যা হয়েছে, আমি কি স্বাভাবিক থাকব না?” এই ভয় নিজেই একটা নতুন উদ্বেগ তৈরি করে, আর সেই উদ্বেগ অনুভূতিটাকে আরও লম্বা করে টেনে নেয়। এভাবে একটা লুপ তৈরি হয়।

এই চক্র ভাঙার প্রথম ধাপ হলো বোঝা যে অনুভূতিটা অস্বস্তিকর হলেও বিপজ্জনক নয়। মন যত এটিকে “শত্রু” হিসেবে না দেখে সাময়িক অতিথি হিসেবে মেনে নিতে শেখে, তত দ্রুত এটি হালকা হতে থাকে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একা একা তৈরি করা কঠিন, তাই কাঠামোবদ্ধ থেরাপি এখানে অনেক সাহায্য করে।

নিজে নিজে যা করতে পারেন

বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি চলাকালীন কিছু সহজ কৌশল মনকে আবার বর্তমানে, বাস্তবে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এগুলোকে বলা হয় গ্রাউন্ডিং বা মাটিতে পা রাখার কৌশল।

৫-৪-৩-২-১ ইন্দ্রিয় ব্যায়াম

ধীরে ধীরে খেয়াল করুন এবং মনে মনে বলুন: আশপাশে পাঁচটি জিনিস যা আপনি দেখছেন, চারটি জিনিস যা ছুঁতে পারছেন, তিনটি শব্দ যা শুনছেন, দুটি গন্ধ এবং একটি স্বাদ। এই ব্যায়াম মনকে ভয় থেকে সরিয়ে বর্তমান মুহূর্তে নোঙর করে।

শরীরকে সজাগ করা

  • হাতে-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন, কিংবা বরফের টুকরো ধরে রাখুন।
  • পায়ের পাতা মেঝেতে শক্ত করে চেপে ধরুন, জুতার ভেতরে আঙুল নাড়ুন।
  • খানিকটা হেঁটে আসুন বা হালকা স্ট্রেচ করুন।
  • একটু শক্ত স্বাদের কিছু, যেমন এলাচ বা লবঙ্গ মুখে নিন।

শ্বাস ধীর করা

ধীর ও গভীর শ্বাস শরীরের সতর্ক অবস্থা কমায়। নাক দিয়ে চার গুনে শ্বাস নিন, খানিকক্ষণ ধরে রাখুন, তারপর ছয় গুনে ধীরে ছাড়ুন। কয়েক মিনিট করলেই স্নায়ু কিছুটা শান্ত হয়। উদ্বেগ কমানোর আরও ব্যবহারিক কৌশল পাবেন দুশ্চিন্তা কমানোর উপায় নিয়ে আমাদের বিস্তারিত লেখায়

জীবনযাপনের মৌলিক ভিত্তি

  • নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম, কারণ ঘুমের অভাব বিচ্ছিন্নতা বাড়ায়।
  • ক্যাফেইন ও নেশাজাতীয় দ্রব্য কমানো।
  • মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটানা অতিরিক্ত সময় কমানো, কারণ দীর্ঘ স্ক্রিন-টাইম অনেকের অবাস্তব লাগার অনুভূতি বাড়ায়।
  • প্রিয় মানুষের সঙ্গে কথা বলা, নিজেকে একা করে না ফেলা।

মনে রাখবেন, এই কৌশলগুলো সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু মূল কারণ, বিশেষত উদ্বেগ বা ট্রমা, নিয়ে কাজ করতে পেশাদার সহায়তা লাগে।

কখন পেশাদার সাহায্য নেবেন

মাঝেমধ্যে ক্লান্তি বা চাপের সময় ক্ষণিকের জন্য এমন অনুভূতি হওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক এবং নিজে থেকেই কেটে যায়। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্ট বা কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলা উচিত।

  • নিজেকে অচেনা লাগা বা চারপাশ অবাস্তব লাগার অনুভূতি বারবার ফিরে আসছে বা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে।
  • এই অনুভূতির কারণে আপনার পড়াশোনা, চাকরি, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
  • সঙ্গে তীব্র উদ্বেগ, প্যানিক অ্যাটাক বা বিষণ্নতা রয়েছে।
  • অতীতের কোনো ট্রমা বা কঠিন অভিজ্ঞতা বারবার মনে পড়ছে।
  • ভয়ের চক্রে আটকে গেছেন এবং একা বেরোতে পারছেন না।

পেশাদার সাহায্য নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং নিজের প্রতি যত্নের একটি সাহসী পদক্ষেপ। চুম ওয়েলনেসে থেরাপিতে সাধারণত উদ্বেগ ব্যবস্থাপনা, ভয়ের চক্র ভাঙা, গ্রাউন্ডিং দক্ষতা তৈরি এবং প্রয়োজনে ট্রমা নিয়ে কাজ করা হয়। অনেকে কয়েকটি সেশনেই লক্ষণীয় স্বস্তি পান, যদিও প্রতিটি মানুষের যাত্রা আলাদা।

বিশ্বাস ও পেশাদার যত্ন একসঙ্গে

আমাদের দেশে অনেকেই কঠিন সময়ে প্রার্থনা, জিকির বা ধ্যানে স্বস্তি খোঁজেন, আর এটি সত্যিই মানসিক শান্তির একটি সহায় হতে পারে। ব্যক্তিগত বিশ্বাস আর পেশাদার মানসিক সহায়তা একে অপরের পরিপূরক, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। বিশ্বাসের চর্চা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল সহায়তা নেওয়া দুটোই একসঙ্গে চলতে পারে।

ঢাকা ও সারা বাংলাদেশে সহায়তা

চুম ওয়েলনেসে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরদের সঙ্গে আপনি গোপনীয়তা বজায় রেখে কথা বলতে পারেন। আমরা সারা বাংলাদেশে অনলাইনে এবং ঢাকায় সরাসরি সেশন দিই, তাই আপনি ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, দেশের যেখানেই থাকুন না কেন, সহায়তা হাতের নাগালেই। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে হ্রাসকৃত ফি-এর সুবিধা।

নিজেকে অচেনা লাগা বা চারপাশ স্বপ্নের মতো লাগার এই অভিজ্ঞতা একা বয়ে বেড়ানোর দরকার নেই। এটি আপনার দুর্বলতা নয়, আর এর সঙ্গে কাজ করার কার্যকর পথ আছে। আজই একটি পদক্ষেপ নিন এবং আমাদের উদ্বেগের কাউন্সেলিং সম্পর্কে জেনে নিন, অথবা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন। বাস্তবতার সঙ্গে আবার স্বস্তির সংযোগ গড়ে তোলা সম্ভব, আর সেই পথে আপনি একা নন।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

নিজেকে অচেনা লাগা মানে কি আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি?

না। নিজেকে বা চারপাশকে অবাস্তব ও স্বপ্নের মতো লাগা প্রায়ই তীব্র উদ্বেগ বা চাপের প্রতি মনের একটি সাময়িক প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, পাগল হয়ে যাওয়া নয়। এই সময়ও আপনি জানেন যে অনুভূতিটা বাস্তব নয়, যা বোঝায় আপনি বাস্তবতার সংযোগ হারাননি। তবে লক্ষণ বারবার বা তীব্র হলে একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলা ভালো।

ডিপার্সোনালাইজেশন আর ডিরিয়েলাইজেশনের পার্থক্য কী?

ডিপার্সোনালাইজেশন হলো নিজের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন লাগা, যেমন নিজেকে বাইরে থেকে দেখা বা নিজের শরীর অচেনা লাগা। আর ডিরিয়েলাইজেশন হলো চারপাশের জগতকে অবাস্তব, ধোঁয়াশা বা স্বপ্নের মতো লাগা। দুটো প্রায়ই একসঙ্গে ঘটে এবং সাধারণত উদ্বেগ, চাপ বা ক্লান্তির সঙ্গে যুক্ত।

অনুভূতিটা শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে কী করতে পারি?

গ্রাউন্ডিং কৌশল সাহায্য করে। ৫-৪-৩-২-১ ইন্দ্রিয় ব্যায়াম করুন, ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন, পায়ের পাতা মেঝেতে চেপে ধরুন এবং ধীরে গভীর শ্বাস নিন। এগুলো মনকে বর্তমানে ফিরিয়ে আনে। তবে বারবার হলে মূল কারণ নিয়ে কাজ করতে পেশাদার কাউন্সেলিং প্রয়োজন।

এর জন্য কি ওষুধ লাগবে?

ওষুধ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য চিকিৎসকের সাথে নিতে হবে, নিজে থেকে কোনো ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে উদ্বেগ ব্যবস্থাপনা ও থেরাপির মাধ্যমেই লক্ষণীয় উন্নতি হয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক শারীরিক দিকগুলো পরীক্ষা করে পরামর্শ দেবেন।

চুম ওয়েলনেসে কীভাবে সাহায্য পাব?

চুম ওয়েলনেসে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরদের সঙ্গে গোপনীয়তা বজায় রেখে কথা বলতে পারেন। আমরা সারা বাংলাদেশে অনলাইনে এবং ঢাকায় সরাসরি সেশন দিই। শিক্ষার্থীদের জন্য হ্রাসকৃত ফি আছে। উদ্বেগের কাউন্সেলিং পেজ থেকে বিস্তারিত জেনে সেশন বুক করতে পারেন।

Trusted resources
Further reading from leading global health authorities:

Keep Reading

স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত ভয়: হেলথ অ্যাংজাইটি বোঝা ও সামলানোস্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত ভয়: হেলথ অ্যাংজাইটি বোঝা ও সামলানোতোতলামি ও স্টেজভীতি কাটিয়ে ওঠাতোতলামি ও স্টেজভীতি কাটিয়ে ওঠাঘর থেকে বেরোতে ভয়? সোশ্যাল অ্যাংজাইটি বোঝা ও মোকাবিলাঘর থেকে বেরোতে ভয়? সোশ্যাল অ্যাংজাইটি বোঝা ও মোকাবিলা

Talk to our psychologists

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

See all psychologists →