জীবনে উদ্দেশ্য খুঁজে পাচ্ছেন না? শূন্যতা ও অর্থহীনতার অনুভূতি

Samsun Nahar
Clinical reviewerSamsun NaharAssistant Clinical Psychologist · MSc in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast updated October 2026 · How we review

সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হয়, “আজ আবার কী করব, আসলে কীসের জন্য?” ভেতরে এক অদ্ভুত ফাঁকা অনুভূতি। কাজ চলছে, সম্পর্ক আছে, বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক, তবু ভেতরটা যেন একটা খালি ঘর। জীবনে উদ্দেশ্য খুঁজে না পাওয়া এই অনুভূতিটা বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে অনেকেই নীরবে বয়ে বেড়ান। ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রামের অ্যাপার্টমেন্টে বসে দিনের পর দিন একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, “কেন বেঁচে আছি, কিছুরই তো মানে খুঁজে পাচ্ছি না।”

এই লেখায় আমরা কথা বলব সেই শূন্যতা আর অর্থহীনতার অনুভূতি নিয়ে, কেন এমনটা হয়, কীভাবে ধীরে ধীরে জীবনের অর্থ আবার গড়ে তোলা যায়, এবং কখন একজন সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়া জরুরি। চাম ওয়েলনেসে আমরা বাংলাদেশজুড়ে অনলাইনে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরদের মাধ্যমে গোপনীয়ভাবে এই ধরনের সমস্যায় পাশে থাকি।

জীবনে উদ্দেশ্য খুঁজে না পাওয়া বলতে আসলে কী বোঝায়

উদ্দেশ্যহীনতা মানে শুধু “আজ আমার কিছু করার নেই” এমন সাময়িক অবসাদ নয়। এটা একটা গভীর অনুভূতি, যেখানে মনে হয় আপনার কাজ, সম্পর্ক, অর্জন কোনো কিছুরই যেন কোনো মানে নেই। অনেকে একে বলেন ভেতরের এক নিঃশব্দ শূন্যতা, যেখানে আনন্দও নেই, তীব্র কষ্টও নেই, শুধু একটা ধূসর অসাড়তা।

এই অভিজ্ঞতা নানাভাবে প্রকাশ পায়:

  • কিছু ভালো লাগে না: আগে যা করতে ভালো লাগত, সেই শখ, বই, আড্ডা বা কাজ এখন একদম টানে না।
  • ভেতরের ফাঁপা অনুভূতি: সবকিছু থেকেও মনে হয় “আমার তো কিছুই নেই।”
  • ভবিষ্যৎ নিয়ে ঝাপসা ভাব: সামনের দিন নিয়ে কোনো উত্তেজনা বা পরিকল্পনা কাজ করে না।
  • নিজের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন: “আমি এই পৃথিবীতে থাকা বা না থাকায় কার কী আসে যায়” এমন ভাবনা।
  • যান্ত্রিকভাবে বেঁচে থাকা: রুটিন চলছে ঠিকই, কিন্তু ভেতরে কোনো জীবন্ত অনুভূতি নেই।

এই অনুভূতিগুলো লজ্জার কিছু নয় এবং আপনি একা নন। মানুষের মন জীবনের একটা অর্থ, একটা দিক খোঁজে, আর সেই খোঁজ যখন হারিয়ে যায়, তখনই এই শূন্যতা ভর করে।

কেন এমন শূন্যতা তৈরি হয়

জীবনের অর্থ হারিয়ে ফেলার পেছনে সাধারণত একটি কারণ নয়, বরং কয়েকটি বিষয় একসাথে কাজ করে। কিছু সাধারণ কারণ:

দীর্ঘ চাপ ও ক্লান্তি

ঢাকার মতো শহরে দিনের পর দিন যানজট, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, আর্থিক চাপ আর প্রত্যাশার বোঝা মানুষকে ভেতর থেকে নিঃশেষ করে দেয়। যখন কেউ অনেক দিন ধরে শুধু “টিকে থাকার” জন্য ছুটতে থাকেন, তখন এক সময় ভেতরের জ্বালানি ফুরিয়ে যায় এবং সবকিছু অর্থহীন মনে হতে শুরু করে।

বিষণ্নতার সাথে সম্পর্ক

আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, “কেন বেঁচে আছি, কিছুরই মানে নেই” এই ধরনের শূন্যতা অনেক সময় বিষণ্নতা (depression বা মনের গভীর অবসাদ) বা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে থাকে। বিষণ্নতা মনের সেই অংশটিকে ভোঁতা করে দেয় যেটা আনন্দ, আগ্রহ ও অর্থ অনুভব করত। তাই অর্থহীনতা অনেক সময় নিছক দার্শনিক প্রশ্ন নয়, বরং একটি চিকিৎসাযোগ্য মানসিক অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। বিষণ্নতার লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানতে পড়ুন বিষণ্নতা: লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা লেখাটি।

জীবনের বড় পরিবর্তন বা ক্ষতি

প্রিয়জন হারানো, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া, চাকরি হারানো, দীর্ঘদিনের কোনো লক্ষ্য অর্জনের পর হঠাৎ ফাঁকা লাগা কিংবা পড়াশোনা শেষ করে “এরপর কী” এই অনিশ্চয়তা, সবই এই শূন্যতার জন্ম দিতে পারে। বাংলাদেশে অনেক তরুণ পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের ভেতরের প্রকৃত ইচ্ছা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, ফলে সাফল্যের পরেও অর্থহীন লাগে।

কাছের মানুষের অভাব

বড় শহরে হাজার মানুষের ভিড়েও গভীর, অর্থপূর্ণ সম্পর্কের অভাব একাকীত্ব বাড়ায়। এমন সম্পর্ক, যেখানে কেউ আপনাকে বোঝে ও মূল্য দেয়, তা না থাকলে জীবন যান্ত্রিক ও ফাঁপা হয়ে ওঠে।

মূল্যবোধ থেকে দূরত্ব

যখন আমাদের প্রতিদিনের জীবন আমাদের ভেতরের মূল্যবোধ, যা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি, তার সাথে না মেলে, তখন এক ধরনের ভেতরের বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়। বাইরে থেকে “সফল” জীবনও তখন খালি মনে হয়।

অস্তিত্ব সংকট: এটা কি খারাপ কিছু

“আমি কেন আছি, আমার জীবনের মানে কী” এই প্রশ্নগুলোকে অনেক সময় বলা হয় অস্তিত্ব সংকট বা existential crisis। শুনতে ভীতিকর মনে হলেও, এই প্রশ্ন ওঠা মানেই সবসময় খারাপ কিছু নয়। এটা অনেক সময় মনের একটা সংকেত, যে আপনার জীবন আর আপনার প্রকৃত সত্তার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং কিছু একটা বদলানো দরকার।

সমস্যা তখনই গভীর হয়, যখন এই প্রশ্ন আপনাকে দিনের পর দিন অবশ করে রাখে, ঘুম, খাওয়া, কাজ ও সম্পর্কে প্রভাব ফেলে, কিংবা মনে হয় “আর বেঁচে থেকে লাভ নেই।” তখন এটা শুধু দর্শন নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয় এবং সাহায্য নেওয়া জরুরি।

অর্থ একবারে আসে না, ধীরে গড়ে ওঠে

আমাদের সমাজে একটা ভুল ধারণা আছে যে জীবনের “মহৎ উদ্দেশ্য” একদিন হঠাৎ বজ্রপাতের মতো এসে ধরা দেবে। বাস্তবে এমনটা প্রায় ঘটে না। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, জীবনের অর্থ একবারে খুঁজে পাওয়ার জিনিস নয়, বরং মানুষের সঙ্গে ছোট ছোট মেলামেশা, দৈনন্দিন মূল্যবোধ ও ছোট অর্থপূর্ণ কাজের ভেতর দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে।

এই বোঝাপড়াটা মুক্তিদায়ক। কারণ এর মানে হলো, আপনাকে একদিনেই “পুরো জীবনের উদ্দেশ্য” খুঁজে বের করতে হবে না। বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট পদক্ষেপ থেকেই ধীরে ধীরে অর্থ ফিরে আসে।

যেসব ছোট পদক্ষেপ সাহায্য করতে পারে

  • মানুষের সঙ্গে একটু মিশুন: দিনে অন্তত একজন মানুষের সাথে সত্যিকারের কথা বলুন, হোক পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা প্রতিবেশী। মন খুলে মেশার মতো মানুষ থাকলে শূন্যতা অনেকটাই কমে।
  • মূল্যবোধ চিহ্নিত করুন: নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, “কোন জিনিসগুলো আমার কাছে সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?” সততা, পরিবার, সৃষ্টিশীলতা, অন্যের সেবা, শেখা, যা-ই হোক, সেগুলোর দিকে ছোট এক ধাপ এগোন।
  • ছোট রুটিন তৈরি করুন: নিয়মিত ঘুম, একটু হাঁটা, নামাজ বা প্রার্থনা কিংবা ধ্যান, একটা ছোট কাজ শেষ করা, এসব মনকে স্থিতি দেয়।
  • একটা ছোট লক্ষ্য নিন: পুরো ভবিষ্যৎ নয়, শুধু আজকের একটা কাজ। ছোট কাজ শেষ করার অনুভূতিও ভেতরে অর্থ ফিরিয়ে আনতে শুরু করে।
  • অন্যের জন্য কিছু করুন: ছোট সাহায্য, স্বেচ্ছাসেবা বা কারও পাশে দাঁড়ানো নিজের জীবনকেও অর্থপূর্ণ মনে করাতে সাহায্য করে।
  • নিজের প্রতি সদয় হোন: এই অনুভূতির জন্য নিজেকে দোষারোপ করবেন না। এটা দুর্বলতা নয়, এটা মন থেকে আসা একটা সংকেত।

মানসিক শান্তি ফিরে পাওয়ার আরও কিছু বাস্তব উপায় নিয়ে জানতে পড়তে পারেন মানসিক শান্তি কীভাবে পাবেন লেখাটি।

যখন এই শূন্যতা মনকে বিষিয়ে তোলে

ছোট পদক্ষেপগুলো অনেকের জন্য সাহায্য করে, কিন্তু সব সময় যথেষ্ট নয়। যদি শূন্যতা এতটাই গভীর হয় যে আপনি প্রতিদিনের জীবন চালিয়ে নিতে হিমশিম খান, নিজের যত্ন নিতে পারছেন না, বা মনে গভীর হতাশা বাসা বেঁধেছে, তাহলে একা লড়াই করার দরকার নেই। এটা ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়, এটা এমন একটা অবস্থা যেখানে সাইকোলজিস্টের সাহায্য সত্যিই অনেক বদলে দিতে পারে।

জরুরি অবস্থায় করণীয়: যদি আপনার বা আপনার পরিচিত কারও মনে নিজেকে আঘাত করা বা বেঁচে না থাকার চিন্তা আসে, তাহলে দেরি করবেন না। জরুরি অবস্থায় ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান, এবং একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন। আপনি একা নন, এবং সাহায্য পাওয়া সম্ভব।

সবকিছু যখন অস্পষ্ট লাগে, নিজের কাছে কোনটা জরুরি সেটা আর ছোট একটা পদক্ষেপ ঠিক করলে পথ পরিষ্কার হয়। নিজেরটা বেছে নিন।

এখনই চেষ্টা করুন: যা জরুরি, সেদিকে এক পা

জীবন আটকে বা ফাঁকা লাগলে, নিজের মূল্যবোধের সাথে মিল রেখে ছোট কাজ থেকেই অর্থ তৈরি হয়। একটা মূল্যবোধ বেছে নিন।

কখন সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেবেন

নিচের যেকোনো একটি বা একাধিক অভিজ্ঞতা যদি দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে চলতে থাকে, তাহলে একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলার সময় হয়েছে:

  • দিনের বেশিরভাগ সময় শূন্য, অসাড় বা অর্থহীন লাগা।
  • আগে ভালো লাগত এমন কিছুতেই আর আগ্রহ বা আনন্দ না পাওয়া।
  • ঘুম, খাওয়া বা মনোযোগে স্পষ্ট পরিবর্তন।
  • নিজেকে সবার থেকে গুটিয়ে নেওয়া, সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাওয়া।
  • “আমার থাকা না থাকায় কিছু যায় আসে না” এমন ভাবনা বারবার আসা।
  • নিজেকে আঘাত করা বা বেঁচে না থাকার চিন্তা (এক্ষেত্রে উপরের জরুরি নির্দেশনা অনুসরণ করুন)।

একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট বা কাউন্সেলর আপনাকে বিচার করবেন না, বরং নিরাপদ ও গোপনীয় পরিবেশে আপনার অনুভূতিগুলো বুঝতে, শূন্যতার শিকড় খুঁজে বের করতে এবং ধীরে ধীরে জীবনের অর্থ পুনর্গঠন করতে সাহায্য করবেন। মনে রাখবেন, প্রয়োজন হলে ওষুধ সবসময় একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শেই নিতে হবে, নিজে থেকে নয়।

চাম ওয়েলনেস কীভাবে পাশে থাকে

চাম ওয়েলনেসে আমাদের সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলররা এই ধরনের শূন্যতা, অর্থহীনতা ও অস্তিত্ব সংকট নিয়ে কাজ করেন গোপনীয়তা ও সহানুভূতির সাথে। আমরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সেশন এবং বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম বা মফস্বল, অনলাইনে সেশনের সুযোগ দিই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে নির্দিষ্ট সাইকোলজিস্টের সাথে সেশন ফি ৬৯৯ টাকা থেকে।

আপনার ভেতরের এই ফাঁকা অনুভূতি চিরকালের নয়। ছোট একটা কাজ, একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলা, অনেক সময় নতুন একটা দিক খুলে দিতে পারে।

আপনি যদি জীবনে উদ্দেশ্য খুঁজে না পাওয়ার এই শূন্যতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাহলে আজই এক ধাপ এগিয়ে আসুন। চাম ওয়েলনেসের কাউন্সেলিং সহায়তা নিয়ে আপনার অনুভূতিগুলো নিয়ে নিরাপদে কথা বলুন, অথবা একটি সেশন বুক করুন। আপনার পাশে থাকতে আমরা প্রস্তুত।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

জীবনে উদ্দেশ্য খুঁজে না পাওয়া কি কোনো মানসিক সমস্যা?

সবসময় নয়, তবে অনেক সময় এই শূন্যতা ও অর্থহীনতার অনুভূতি বিষণ্নতা বা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের সাথে জড়িত থাকে। যদি এই অনুভূতি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে আপনার ঘুম, কাজ ও সম্পর্কে প্রভাব ফেলে, তাহলে একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলা উচিত। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের যত্ন নেওয়ার একটা পদক্ষেপ।

কীভাবে জীবনের অর্থ আবার খুঁজে পাওয়া যায়?

জীবনের অর্থ একবারে খুঁজে পাওয়ার জিনিস নয়। এটা মানুষের সঙ্গে ছোট ছোট মেলামেশা, নিজের মূল্যবোধের দিকে ছোট পদক্ষেপ, দৈনন্দিন রুটিন ও অন্যের জন্য ছোট কাজের ভেতর দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। প্রতিদিন একজন মানুষের সাথে আন্তরিক কথা বলা বা একটা ছোট লক্ষ্য পূরণ করাও ভেতরে অর্থ ফিরিয়ে আনতে শুরু করে।

কিছুই ভালো লাগে না, সব অর্থহীন লাগে, এখন কী করব?

প্রথমে জানুন, আপনি একা নন এবং এই অনুভূতি বদলানো সম্ভব। ছোট রুটিন, ঘুম ও প্রিয় মানুষের সাথে সময় কাটানো দিয়ে শুরু করুন। তবে যদি অনুভূতি গভীর হয় বা বেঁচে না থাকার চিন্তা আসে, তাহলে দেরি না করে জরুরি অবস্থায় ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান, তারপর একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন।

চাম ওয়েলনেসে কি অনলাইনে কাউন্সেলিং পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। চাম ওয়েলনেস বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে গোপনীয় কাউন্সেলিং সেবা দেয় এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সেশনের সুযোগও আছে। ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা বা চট্টগ্রাম, যেখানেই থাকুন, সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে নির্দিষ্ট সাইকোলজিস্টের সাথে সেশন ফি ৬৯৯ টাকা থেকে।

অস্তিত্ব সংকট বা জীবনের মানে নিয়ে প্রশ্ন ওঠা কি স্বাভাবিক?

“আমি কেন আছি, আমার জীবনের মানে কী” এমন প্রশ্ন ওঠা মানুষের জন্য স্বাভাবিক এবং সবসময় খারাপ কিছু নয়। এটা অনেক সময় ইঙ্গিত দেয় যে জীবনে কিছু বদলানো দরকার। তবে এই প্রশ্ন যদি আপনাকে অবশ করে রাখে বা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে একজন সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়াই ভালো।

How this article was made
Written by
Md. Shofiqul Islam, Psychologist
Clinical reviewer
Samsun Nahar, Assistant Clinical Psychologist
Last updated
October 29, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and clinically reviewed by a certified psychologist or psychiatrist who specialises in its topic. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Md. Shofiqul Islam
Talk to ShofiqulThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Shofiqul

Keep Reading

কৃতজ্ঞতা ও মানসিক সুস্থতা: ছোট অভ্যাসে বড় পরিবর্তনদুশ্চিন্তা কমানোর উপায়: লক্ষণ, কারণ ও সমাধাননিজেকে বা চারপাশ অচেনা লাগে? ডিপার্সোনালাইজেশন ও ডিরিয়েলাইজেশন

Talk to our psychologists

Book a confidential session with a certified psychologist at Chum Wellness.

Chowdhury Mehtaj Jabeen Medha
Chowdhury Mehtaj Jabeen MedhaClinical Psychologist and Researcher · 6+ yearsHelps with depression, ADHDFrom ৳1,700ProfileBook
Dr. S. M. Yasir Arafat
Dr. S. M. Yasir ArafatPsychiatrist & SuicidologisHelps with depression, anxietyFrom ৳2,000ProfileBook
Salma Parveen
Salma ParveenSenior Clinical Psychologist · 21+ yearsHelps with couples & marriage, family conflict & family therapyFrom ৳5,500ProfileBook
See all psychologists →