ডিপ্রেশন (বিষণ্নতা) কি? লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা

Mst. Swampa
Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed October 2026

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা (Depression) শুধু মন খারাপের নাম নয়। এটা একটা চিকিৎসাযোগ্য অসুখ, যেখানে টানা দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে মন খারাপ থাকে বা কোনো কিছুতেই আগ্রহ-আনন্দ থাকে না, সাথে ঘুম, খাওয়া, শক্তি আর মনোযোগেও পরিবর্তন আসে। এর প্রভাব পড়ে চিন্তা, অনুভূতি আর প্রতিদিনের কাজকর্মে। বাংলাদেশে অনেক মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে বিষণ্নতার লক্ষণ অনুভব করেন, কিন্তু সামাজিক দ্বিধা বা কোথায় গেলে সাহায্য পাবেন না জানার কারণে অনেকেই সাহায্য নিতে দেরি করেন।

বিষণ্নতা যদি রোজকার জীবনে প্রভাব ফেলে, একজন সাইকোলজিস্টের সাহায্য সত্যিই কাজে দেয়। জানুন আমাদের ঢাকায় ডিপ্রেশনের চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং সম্পর্কে।

সংক্ষেপে
  • এই লেখায় সহজ করে বলা হয়েছে লক্ষণ কী, কেন হয়, আর কী করবেন।
  • মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা হলে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলে নেওয়াই ভালো।
  • চাম ওয়েলনেসে অনলাইন বা ঢাকায় সরাসরি সেশন নেওয়ার সুযোগ আছে।
Individual Therapy Session

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতার লক্ষণগুলো কি কি?

নিচের লক্ষণগুলো যদি দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে থাকে, তাহলে সতর্ক হওয়া দরকার:

  • দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ, শূন্যতা বা আশাহীনতা
  • যেসব কাজে আগে আনন্দ পেতেন, সেগুলোতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা
  • ক্লান্তি ও শক্তির অভাব
  • ঘুমের পরিবর্তন, খুব বেশি বা খুব কম
  • খাওয়ার ইচ্ছা বা ওজনের পরিবর্তন
  • মনোযোগ দিতে বা সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা
  • নিজেকে মূল্যহীন মনে করা বা অতিরিক্ত অপরাধবোধ
  • আত্মহত্যা বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা

অনেক সময় ডিপ্রেশন প্রথমে শরীরেই ধরা দেয়: সারাক্ষণ ক্লান্তি, মাথা বা শরীর ব্যথা, হজমের গোলমাল, বুক ভার লাগা। এ নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন ডিপ্রেশনের শারীরিক লক্ষণ।

ডিপ্রেশন হলে কিভাবে বুঝবো?

সবারই মাঝে মাঝে মন খারাপ হয়। ডিপ্রেশন আলাদা কারণ এটা টানা থাকে আর জীবনের কাজকর্মে বাধা দেয়। নিজেকে এই প্রশ্নগুলো করুন (NHS):

  • গত দুই সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন কি মন খারাপ, শূন্য বা হতাশ লেগেছে?
  • যেসব কাজ আগে ভালো লাগত, সেগুলোতে কি আর আগ্রহ বা আনন্দ পাচ্ছেন না?
  • ঘুম, খাওয়া বা শক্তিতে কি বড় পরিবর্তন এসেছে?
  • পড়াশোনা, অফিস, সংসার বা সম্পর্ক সামলাতে কি আগের চেয়ে অনেক কষ্ট হচ্ছে?
  • নিজেকে কি অপদার্থ, দোষী বা সবার বোঝা মনে হয়?

প্রথম দুইটার অন্তত একটা আর বাকিগুলোর কয়েকটা মিলে গেলে ডিপ্রেশন হতে পারে। মানুষ সাধারণত বলেন, “কিছুই ভালো লাগে না”, “সকালে বিছানা থেকে উঠতেই ইচ্ছা করে না”, “সবকিছু অর্থহীন লাগে”। তবে নিশ্চিত হতে একজন সাইকোলজিস্টের অ্যাসেসমেন্ট দরকার। শুরু করতে পারেন আমাদের ছোট্ট সেল্ফ-চেক দিয়ে, বা করিয়ে নিতে পারেন ডিপ্রেশন অ্যাসেসমেন্ট। শুধু মন খারাপ নাকি ডিপ্রেশন, এই পার্থক্য নিয়ে পড়ুন বিষণ্ন নাকি শুধু মন খারাপ।

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা কেন হয়?

বিষণ্নতার একটিমাত্র কারণ নেই। সাধারণত কয়েকটা জিনিস মিলে ডিপ্রেশন তৈরি হয়:

  • মস্তিষ্ক আর শরীর: মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে এমন মস্তিষ্কের রাসায়নিক ব্যবস্থার পরিবর্তন, হরমোনের ওঠানামা (যেমন প্রসবের পর, দেখুন পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন)।
  • বংশগত প্রভাব: পরিবারে কারো ডিপ্রেশন থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।
  • দীর্ঘ মানসিক চাপ: পড়াশোনা আর চাকরির চাপ, আর্থিক টানাপোড়েন, সংসারে অশান্তি।
  • শোক আর হারানো: প্রিয়জনের মৃত্যু, সম্পর্ক ভাঙা, চাকরি হারানো।
  • ট্রমা: ছোটবেলার কষ্টের অভিজ্ঞতা, নির্যাতন বা বড় দুর্ঘটনা।
  • শারীরিক অসুখ: থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তস্বল্পতা বা দীর্ঘমেয়াদি অসুখও মন খারাপের মতো লক্ষণ আনতে পারে। পড়ুন মন খারাপ হলে শরীরের দিকেও নজর দিন।
  • মাদক আর অ্যালকোহল: সাময়িক ভালো লাগলেও পরে ডিপ্রেশন বাড়ায়।

বাংলাদেশে পড়াশোনার চাপ, চাকরির অনিশ্চয়তা, পারিবারিক প্রত্যাশা আর একাকীত্ব খুব সাধারণ কারণ। মনে রাখবেন, বিষণ্নতা কোনো দুর্বলতা নয়, ঈমানের কমতিও নয়। এটা একটা স্বাস্থ্য সমস্যা এবং এর চিকিৎসা আছে।

বিষণ্নতার চিকিৎসা কীভাবে হয়?

টক থেরাপি (সাইকোথেরাপি)

কগনিটিভ বিহেভিওরাল থেরাপি (CBT) আপনাকে সেই চিন্তার ধরনগুলো চিনতে ও বদলাতে সাহায্য করে যা মন খারাপ বাড়িয়ে তোলে। অনেকের জন্য শুধু থেরাপিই যথেষ্ট।

ওষুধ

মাঝারি থেকে তীব্র বিষণ্নতার ক্ষেত্রে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট থেরাপির পাশাপাশি ওষুধ দিতে পারেন। এটি সবসময় একজন যোগ্য চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত, আর নিজে থেকে হঠাৎ ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। কখন ঔষধ লাগে আর শুরু করার পর কী আশা করবেন, পড়ুন ডিপ্রেশনের ঔষধ: কখন লাগে (ইংরেজিতে: starting antidepressants)।

সেরে ওঠা ধাপে ধাপে হয়

চিকিৎসা শুরুর পর সাধারণত আগে ঘুম আর শক্তি একটু ভালো হয়, তারপর মন। ভালো দিনের ফাঁকে খারাপ দিন আসতেই পারে, এটা স্বাভাবিক। ইংরেজিতে পড়ুন recovering from depression।

ডিপ্রেশন হলে কি করা উচিত: নিজে যা করতে পারেন

চিকিৎসার পাশাপাশি রোজকার কিছু ছোট কাজ সেরে ওঠায় সত্যিই সাহায্য করে:

  • ঘুমের একটা রুটিন রাখুন: প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে ঘুমান আর উঠুন।
  • শরীর নাড়ান: সকালের রোদে দশ-পনেরো মিনিট হাঁটাও কাজে দেয়।
  • ছোট ছোট কাজ ঠিক করুন: বড় লক্ষ্য না, আজকের জন্য একটা-দুইটা সহজ কাজ।
  • একজন বিশ্বস্ত মানুষের সাথে কথা বলুন: একা থাকলে ডিপ্রেশন আরও গভীর হয়।
  • মাদক, অ্যালকোহল আর রাত জেগে ফোন চালানো কমান।
  • নিজের সাথে নরম হোন: “আমি অলস” না ভেবে মনে রাখুন, আপনি একটা অসুখের সাথে লড়ছেন।

মন ভালো রাখার আরও উপায় পাবেন আমাদের লেখা ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায়: মন খারাপ থাকলে করণীয়-তে। তবে এগুলো চিকিৎসার বিকল্প না। দুই সপ্তাহের বেশি লক্ষণ থাকলে, বা কাজকর্মে বাধা দিলে, একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন।

এখনই চেষ্টা করুন: ছোট্ট একটা কাজ

সবকিছু ভারী লাগলে, যতটা ছোট ভাবছেন তার চেয়েও ছোট কিছু দিয়ে শুরু করুন। একটা বেছে নিন।

কখন সাহায্য নেবেন?

যদি মন খারাপ আপনার কাজ, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, বা দুই সপ্তাহের বেশি থাকে, তাহলে একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলার সময় হয়েছে। যদি নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসে, এখনই ৯৯৯-এ কল করুন অথবা কাছের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। সেশন বুক করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন: +880 1739-000501।

চাম ওয়েলনেসে সাহায্য নিন

আমাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টরা বাংলা ও ইংরেজিতে গোপনীয়ভাবে কাউন্সেলিং দেন, অনলাইনে বা ঢাকায় সরাসরি। সাধারণত ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়। Book a Session →

ডিপ্রেশনের ধরন

বিষণ্নতা একটিমাত্র রোগ নয়, এর বিভিন্ন রূপ আছে। মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার সবচেয়ে পরিচিত। এছাড়া আছে বছরের পর বছর চলা হালকা কিন্তু টানা ডিপ্রেশন (persistent depressive disorder বা dysthymia), বাইরে স্বাভাবিক থেকেও ভেতরে ভেঙে পড়া (high-functioning ও smiling depression), কোনো ঘটনার পর হওয়া ডিপ্রেশন (situational depression), অতিরিক্ত ঘুম আর খাওয়াসহ atypical depression, মাসিকের আগে তীব্র মন খারাপ (PMDD), প্রসবের পর মায়েদের পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন, আর তীব্র ডিপ্রেশনের সাথে ভুল বিশ্বাস বা কানে কথা শোনা (psychotic depression), যার জন্য সবার আগে সাইকিয়াট্রিস্ট দেখাতে হয়। সব ধরন এক জায়গায় পড়ুন: types of depression।

বাংলাদেশে বিষণ্নতা কতটা সাধারণ?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে পৃথিবীর প্রায় ৫.২% প্রাপ্তবয়স্ক ডিপ্রেশনে ভোগেন, আর নারীদের মধ্যে এটা পুরুষদের চেয়ে বেশি (WHO)। বাংলাদেশে বিশেষ চাপের সময়ে হার আরও বেশি দেখা যায়: সারা দেশের ৫,২৬৩ জন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীর ওপর একটা জরিপে প্রায় চারজনে তিনজনের মধ্যে ডিপ্রেশনের লক্ষণ পাওয়া গেছে (PLoS One, 2023)। তবু লোকলজ্জা, না জানা আর হাতের কাছে সেবা না পাওয়ার কারণে খুব কম মানুষ সাহায্য নেন।

প্রিয়জনের বিষণ্নতা হলে কী করবেন?

বিচার না করে শুনুন। “সব ঠিক হয়ে যাবে” বা “কষ্ট পাওয়ার কারণ নেই”, এ ধরনের কথা এড়িয়ে চলুন। তাঁকে সাইকোলজিস্ট দেখাতে উৎসাহ দিন, দরকারে প্রথম অ্যাপয়েন্টমেন্টে সাথে যান। আপনার পাশে থাকাটা তাঁর কাছে অনেক বড় ব্যাপার। পরিবারের জন্য বিস্তারিত গাইড: প্রিয়জনের ডিপ্রেশন হলে কী করবেন।

শুরু করতে চান?

লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টের সাথে অনলাইনে বা সরাসরি সেশন বুক করুন।

Book a Session

আরও জানতে চান?

বিষণ্নতা সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পড়তে চাইলে NIMH-এর ডিপ্রেশন রিসোর্স দেখতে পারেন। তবে নিজের উপসর্গ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলাই সবচেয়ে নিরাপদ।

📊 মূল কথা: সাইকোথেরাপি

  • বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি: সিবিটি (CBT)-এর মতো থেরাপিগুলো বিষণ্নতা এবং অ্যাংজাইটি বা উদ্বেগ দূর করার জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
  • মূল কারণ চিহ্নিতকরণ: থেরাপি শুধু সাময়িক কষ্ট কমায় না, বরং সমস্যার গভীরে গিয়ে কাজ করে।
  • নিরাপদ পরিবেশ: একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে, কোনো রকম বিচার না করেই আপনাকে সাহায্য করেন।

বিষণ্নতা একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা

বিষণ্নতা কেবল ‘মন খারাপ’ নয়, এটা আসল স্বাস্থ্য সমস্যা, যা চিন্তা, অনুভূতি আর শরীর সবকিছুতে প্রভাব ফেলে। ভালো খবর হলো, এর চিকিৎসা আছে এবং তা কাজ করে। সঠিক থেরাপি, প্রয়োজনে ওষুধ এবং প্রিয়জনের সহযোগিতায় বেশিরভাগ মানুষ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। ইচ্ছাশক্তি দিয়ে একা বিষণ্নতা কাটানো কঠিন, তাই লক্ষণ অনেকদিন থাকলে দেরি না করে সাইকোলজিস্টের সাহায্য নিন।

কখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেবেন

মানসিক চাপ বা মন খারাপ জীবনের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু কিছু লক্ষণ দেখলে একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলা দরকার, যেমন দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মন খারাপ থাকা, ঘুম বা খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন, কাজে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে না পারা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, কিংবা প্রতিদিনের সাধারণ কাজ করা কঠিন হয়ে পড়া।

এসব অনেকদিন ফেলে রাখলে সমস্যা আরও জট পাকায়। আগে আগে সাহায্য নিলে সারেও তাড়াতাড়ি। আর সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা না, এটা নিজের খেয়াল রাখারই অংশ।

চাম ওয়েলনেস কীভাবে সাহায্য করে

চাম ওয়েলনেসে অভিজ্ঞ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টরা পুরো গোপনীয়তা রেখে আপনার সাথে কাজ করেন। আপনি অনলাইনে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, অথবা ঢাকায় সরাসরি সেশন নিতে পারেন, বাংলা বা ইংরেজিতে, যেটায় আপনি স্বচ্ছন্দ। আপনার নির্দিষ্ট সমস্যা অনুযায়ী উপযুক্ত থেরাপিস্টের সঙ্গে আপনাকে মিলিয়ে দেওয়া হয়, এবং সাধারণত ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত হয়ে যায়।

আপনি সেশনে যা কিছু শেয়ার করেন, তা সম্পূর্ণ গোপন থাকে, পরিবার বা কর্মস্থলের কাউকে জানানো হয় না। শুরুটাই সবচেয়ে কঠিন, আর সেটাই আমরা সহজ করে দিতে চাই।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ডিপ্রেশন কি?

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা হলো এমন একটা অসুখ, যেখানে টানা দুই সপ্তাহ বা তার বেশি মন খারাপ থাকে বা কিছুতেই আনন্দ থাকে না, সাথে ঘুম, খাওয়া, শক্তি আর মনোযোগে পরিবর্তন আসে। এটা দুর্বলতা না, চিকিৎসাযোগ্য অসুখ।

ডিপ্রেশন হলে কিভাবে বুঝবো?

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতিদিন মন খারাপ বা আগ্রহ হারানো, সাথে ঘুম, খিদে, শক্তি বা মনোযোগের পরিবর্তন, আর তাতে কাজকর্মে বাধা পড়লে ডিপ্রেশন হতে পারে। নিশ্চিত হতে সাইকোলজিস্টের অ্যাসেসমেন্ট নিন।

ডিপ্রেশন কেন হয়?

সাধারণত কয়েকটা কারণ মিলে হয়: মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন, বংশগত প্রভাব, দীর্ঘ মানসিক চাপ, শোক, ট্রমা, শারীরিক অসুখ বা মাদক। অনেক সময় কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াও হতে পারে।

বিষণ্নতা কি নিজে থেকেই সেরে যায়?

হালকা মন খারাপ অনেক সময় নিজেই কমে যায়, কিন্তু ক্লিনিক্যাল বিষণ্নতায় সাধারণত সাহায্য লাগে। চিকিৎসা নিলে তাড়াতাড়ি সেরে ওঠা যায় আর আবার ফিরে আসার ঝুঁকিও কমে।

ডিপ্রেশন কি পুরোপুরি ভালো হয়?

হ্যাঁ, বেশিরভাগ মানুষ থেরাপি আর দরকার হলে ঔষধে অনেকটা বা পুরোপুরি ভালো হয়ে যান। যত আগে চিকিৎসা শুরু হয়, ফল তত ভালো।

ডিপ্রেশন হলে কি ঔষধ খেতেই হবে?

না, সবার লাগে না। হালকা ডিপ্রেশনে অনেকের শুধু থেরাপিতেই কাজ হয়। মাঝারি বা তীব্র হলে সাইকিয়াট্রিস্ট ঔষধ দিতে পারেন, আর সেটা নিজে থেকে হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না।

বাংলায় কি কাউন্সেলিং পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। চাম ওয়েলনেসের বেশিরভাগ সাইকোলজিস্ট বাংলাতেই কথা বলেন, অনলাইনে সারা দেশ থেকে বা ঢাকায় সরাসরি। বুকিংয়ের সময় আপনার পছন্দ জানান।

সাহায্য নিতে ঢাকায় ডিপ্রেশনের চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং দেখুন, অথবা একটি সেশন বুক করুন।

বাংলাদেশে কোথায় মেন্টাল হেলথ সেলফ-চেক দেবেন, তুলনা দেখুন →

How this article was made
Written by
Samsun Nahar, Assistant Clinical Psychologist
Clinically reviewed by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
Last updated
October 6, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Samsun Nahar
Talk to SamsunThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Samsun

Keep Reading

ডিপ্রেশনের ঔষধ: কখন লাগে, কী আশা করবেনPMDD (Premenstrual Dysphoric Disorder): More Than Bad PMSডিপ্রেশনের শারীরিক লক্ষণ: শরীরে যেভাবে ডিপ্রেশন ধরা দেয়

Psychologists who help with depression

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

Farzana Sultana Nila
Farzana Sultana NilaClinical Psychologist · 15+ yearsHelps with depression, couples & marriageFrom ৳3,000ProfileBook
Mst. Moslema Afruzzahan
Mst. Moslema AfruzzahanAssistant Clinical Psychologist & Psychotherapist · 10+ yearsHelps with depression, anxietyFrom ৳2,500ProfileBook
Saima Akther Jui
Saima Akther JuiClinical Psychologist · 11+ yearsHelps with depression, BPD & personality disordersFrom ৳2,500ProfileBook
See all psychologists →