ব্রেকাপ বা রিজেকশনের পর পুরুষের কষ্ট: চুপ করে থাকা নয়

Mst. Swampa

Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed July 2026

ব্রেকাপের পর পুরুষের কষ্ট নিয়ে আমাদের সমাজে খুব কম কথা হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট, যেখানেই হোক, একজন পুরুষের সম্পর্ক ভেঙে গেলে বা তিনি প্রত্যাখ্যাত হলে চারপাশ থেকে যে বার্তাটা আসে, সেটা হলো: “ছেলে মানুষ, এসব সামলে নাও।” ভেতরে ভেঙে পড়া মানুষটাকে বাইরে শক্ত থাকতে হয়, হাসিমুখে অফিস করতে হয়, বন্ধুদের আড্ডায় স্বাভাবিক থাকতে হয়। এই চেপে রাখা কষ্টই ধীরে ধীরে গভীর বিষণ্নতা ও একাকীত্বে রূপ নেয়।

এই লেখাটি বাংলাদেশের সেই পুরুষদের জন্য, যাঁরা একটি সম্পর্ক, বিয়ে বা ভালোবাসার মানুষকে হারানোর পর নিজের ভেতরে একা লড়ছেন। আমরা কথা বলব কেন এই কষ্ট আসে, কেন পুরুষরা তা লুকিয়ে রাখেন, শরীর-মনে এর কী প্রভাব পড়ে, এবং কীভাবে সুস্থভাবে এই সময়টা পার করা যায়। ঢাকায় সরাসরি এবং সারা বাংলাদেশে অনলাইনে psychologist কাউন্সেলিং সহায়তা কীভাবে পাশে দাঁড়াতে পারে, সেটাও থাকবে।

ব্রেকাপ বা রিজেকশনের কষ্ট আসলে কী

একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া মানে শুধু একজন মানুষকে হারানো নয়। এর সঙ্গে হারিয়ে যায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন, প্রতিদিনের অভ্যাস, নিরাপত্তার অনুভূতি এবং নিজেকে নিয়ে গড়ে তোলা একটি পরিচয়। মনোবিজ্ঞানে একে অনেক সময় “শোক” বা গ্রিফের সঙ্গে তুলনা করা হয়, কারণ প্রিয় কাউকে মৃত্যুতে হারানোর মতোই এখানে মস্তিষ্ক একটি বড় ক্ষতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করে।

রিজেকশনের কষ্ট আরও জটিল, কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আত্মমর্যাদার প্রশ্ন। “আমার মধ্যে কী কমতি ছিল,” “আমি কি যথেষ্ট ভালো নই,” এই ধরনের ভাবনা মনকে ভেতর থেকে ক্ষয় করতে থাকে। ডিভোর্স বা দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভাঙার ক্ষেত্রে এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়, কারণ সেখানে সামাজিক পরিচয়, পরিবার এবং কখনও কখনও সন্তানও জড়িয়ে থাকে।

জেনে রাখা জরুরি, এই কষ্ট দুর্বলতার লক্ষণ নয়। এটি মানুষের স্বাভাবিক একটি প্রতিক্রিয়া। যে সম্পর্ক যত গভীর ছিল, তা ভাঙার কষ্টও তত গভীর হওয়া স্বাভাবিক।

“ছেলেরা কাঁদে না”: চুপ করে থাকার সামাজিক চাপ

ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশের অনেক ছেলেকে শেখানো হয়, “কাঁদতে পারে না” এমন থাকতে হবে, কান্না মানে দুর্বলতা। আবেগ প্রকাশ করা মানে “মেয়েলি” আচরণ, এমন একটা ভুল ধারণা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। ফলে যখন সত্যিই একজন পুরুষ ভেঙে পড়েন, তখন তাঁর কাছে কষ্ট প্রকাশের কোনো নিরাপদ ভাষা বা জায়গা থাকে না।

আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ব্রেকাপ বা রিজেকশনের পর অনেক পুরুষ কষ্টটা সরাসরি স্বীকার না করে সেটাকে অন্য রূপে বের করেন। কষ্ট প্রকাশের বদলে সেটা রূপ নেয় রাগ, খিটখিটে মেজাজ, অতিরিক্ত কাজে ডুবে যাওয়া, বা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার মধ্যে। বাইরে থেকে মনে হয় “সে তো ঠিকই আছে,” কিন্তু ভেতরে জমতে থাকে অপ্রকাশিত যন্ত্রণা।

এই চেপে রাখার একটা বড় বিপদ আছে। প্রকাশ না হওয়া আবেগ নিজে থেকে মিলিয়ে যায় না, বরং জমা হতে থাকে। সময়ের সঙ্গে এই জমা কষ্ট ঘুমের সমস্যা, মনোযোগহীনতা, শারীরিক ক্লান্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্নতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে চুপ করে থাকা তাই কোনো সমাধান নয়, বরং সমস্যাকে আরও গভীর করে।

শরীর ও মনে ব্রেকাপের প্রভাব

ব্রেকাপের কষ্ট শুধু মনের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকে না, শরীরেও এর ছাপ পড়ে। অনেকে এই লক্ষণগুলোকে আলাদা আলাদা সমস্যা ভেবে বিভ্রান্ত হন, অথচ এগুলোর মূলে থাকে একটাই কারণ: চেপে রাখা মানসিক চাপ।

  • ঘুমের সমস্যা: রাতে ঘুম না আসা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া, অথবা উল্টো সারাদিন ঘুম-ঘুম ভাব।
  • মনোযোগে সমস্যা: কাজে বা পড়ায় মন বসাতে না পারা, বারবার পুরোনো স্মৃতিতে ফিরে যাওয়া।
  • খাওয়ার পরিবর্তন: ক্ষুধা কমে যাওয়া অথবা মানসিক চাপে অতিরিক্ত খাওয়া।
  • শারীরিক লক্ষণ: মাথাব্যথা, বুক ভার হয়ে থাকা, ক্লান্তি, হজমের সমস্যা।
  • আবেগীয় অস্থিরতা: হঠাৎ রাগ, বিরক্তি, শূন্যতা বা কোনো কিছুতেই আনন্দ না পাওয়া।
  • ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ: কষ্ট ভুলতে অতিরিক্ত কাজ, বা ক্ষতিকর অভ্যাসের দিকে ঝোঁকা।

এই লক্ষণগুলো কিছুদিন থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে এবং দৈনন্দিন জীবন, কাজ ও সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন এটাকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। মনে রাখবেন, শরীরের কোনো লক্ষণ নিয়ে সন্দেহ হলে বা ওষুধ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ব্রেকাপ কেন পুরুষদের ভিন্নভাবে আঘাত করে

অনেক সময় দেখা যায়, ব্রেকাপের পর নারীরা তুলনামূলকভাবে দ্রুত কথা বলার জায়গা খুঁজে নেন, বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে মন খুলে কথা বলেন। কিন্তু বহু পুরুষের কাছে সেই সাপোর্ট নেটওয়ার্ক থাকে না, অথবা থাকলেও তাঁরা তা ব্যবহার করতে সংকোচ বোধ করেন।

এর ফলে ডিভোর্সের পর পুরুষ প্রায়ই একধরনের নিঃসঙ্গ শোকের মধ্যে পড়েন। বন্ধুরা হয়তো বলেন, “চল, ঘুরে আসি, ভুলে যা।” কিন্তু ভুলে যাওয়া তো এত সহজ নয়। কষ্টটা প্রকাশ করার, বোঝার এবং ধীরে ধীরে সেরে ওঠার সুযোগ না পেলে সেটা ভেতরে জমাট বাঁধে।

বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় ডিভোর্সের সঙ্গে আরও অনেক চাপ যুক্ত থাকে: পরিবারের প্রত্যাশা, সামাজিক প্রশ্ন, সন্তানের দায়িত্ব, আর্থিক পরিবর্তন। এসব একসঙ্গে মিলে একজন পুরুষকে চারপাশ থেকে চেপে ধরে। তাই এই কষ্টকে শুধু “মন খারাপ” বলে ছোট করে দেখা ঠিক নয়।

একতরফা ভালোবাসা ও রিজেকশন

বিয়ে বা দীর্ঘ সম্পর্ক ভাঙা ছাড়াও, ভালোবাসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়া কিংবা একতরফা অনুভূতির কষ্টও কম নয়। তরুণ বয়সে এই আঘাত আত্মবিশ্বাসে গভীর দাগ ফেলতে পারে। “আমাকে কেউ ভালোবাসবে না” এই ধরনের ভাবনা মনে গেঁথে গেলে ভবিষ্যতের সম্পর্কেও তার ছায়া পড়ে। এখানেও কষ্টটা স্বীকার করা এবং তা নিয়ে কথা বলার সুযোগ থাকা জরুরি।

সুস্থভাবে কষ্ট সামলানোর কিছু উপায়

ব্রেকাপের কষ্ট এক রাতে চলে যায় না, এবং তা প্রত্যাশাও করা উচিত নয়। তবে কিছু অভ্যাস এই সময়টা তুলনামূলক সহনীয় করতে এবং ধীরে ধীরে সেরে উঠতে সাহায্য করে।

  • কষ্টকে স্বীকার করুন: নিজেকে এই কথা বলার অনুমতি দিন যে হ্যাঁ, আমি কষ্ট পাচ্ছি এবং এটা স্বাভাবিক। কষ্ট চেপে রাখলে তা আরও শক্তি পায়।
  • একজন বিশ্বস্ত মানুষকে বলুন: বন্ধু, ভাই বা পরিবারের কেউ, যাঁর কাছে বিচার ছাড়াই মন খুলে বলা যায়, এমন একজনকে খুঁজে নিন।
  • দৈনন্দিন রুটিন ধরে রাখুন: ঠিকমতো খাওয়া, ঘুম আর হালকা ব্যায়াম মনকে স্থির রাখতে সাহায্য করে। শরীরের যত্ন নিলে মনও কিছুটা সামলায়।
  • নিজেকে সময় দিন: “দ্রুত ভুলে যেতে হবে” এই চাপ নিজের ওপর দেবেন না। সেরে ওঠা একটা প্রক্রিয়া, ঘটনা নয়।
  • ক্ষতিকর মোকাবিলা এড়িয়ে চলুন: কষ্ট ভুলতে নেশা বা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের আশ্রয় নেওয়া সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি বাড়ায়।
  • লেখালেখি বা প্রকাশের অভ্যাস: মনের কথা ডায়েরিতে লেখা, অথবা কোনো সৃজনশীল কাজে জড়িয়ে থাকা আবেগ প্রকাশের নিরাপদ উপায় হতে পারে।

মানসিক চাপ কমানোর আরও ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে আমাদের মানসিক সমস্যা দূর করার উপায় লেখাটিও আপনার কাজে লাগতে পারে। আর যদি সম্পর্কটি এখনও টিকে থাকে কিন্তু দাম্পত্য টানাপোড়েন চলছে, তাহলে দাম্পত্য কলহের কারণ ও সমাধান নিয়ে আমাদের আলোচনাটি দেখে নিতে পারেন।

নিজের সঙ্গে সদয় হওয়া শিখুন

রিজেকশনের পর মন বারবার নিজেকে দোষ দিতে চায়। কিন্তু একটি সম্পর্ক দুজন মানুষের, এবং তার ভেঙে যাওয়ার পেছনে সব দায় কখনও একজনের হয় না। নিজের ভুল থেকে শেখা আর নিজেকে অনবরত শাস্তি দেওয়া এক জিনিস নয়।

নিজের সঙ্গে ঠিক সেভাবেই কথা বলুন, যেভাবে আপনি কষ্টে থাকা কোনো প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে বলতেন। “এই সময়টা কঠিন, কিন্তু আমি এটা পার করতে পারব” এই ধরনের সহানুভূতিশীল অভ্যন্তরীণ ভাষা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। মনে রাখবেন, একটি সম্পর্কের ব্যর্থতা আপনার মানুষ হিসেবে মূল্যের পরিমাপ নয়।

কখন psychologist-এর সাথে কথা বলবেন

কিছুটা কষ্ট, মন খারাপ আর সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে সেরে ওঠা স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে, এখন একজন licensed psychologist বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়ার সময়:

  • কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কষ্ট বা শূন্যতা এতটুকু কমছে না, বরং বাড়ছে।
  • ঘুম, খাওয়া বা কাজে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা তৈরি হয়েছে।
  • কোনো কিছুতেই আর আগ্রহ বা আনন্দ পাচ্ছেন না।
  • নিজেকে সবার থেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নিয়েছেন।
  • নেশা বা ক্ষতিকর অভ্যাসের দিকে ঝুঁকছেন।
  • নিজের ক্ষতি করার বা জীবন নিয়ে হাল ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা আসছে।

এই লক্ষণগুলো লজ্জার কিছু নয়, এবং psychologist-এর সাথে কথা বলা মানে দুর্বলতা নয়, বরং নিজের প্রতি দায়িত্ববোধ। একজন প্রশিক্ষিত কাউন্সেলর বিচার না করে আপনার কথা শোনেন, কষ্টের ধরনটা বুঝতে সাহায্য করেন এবং এই সময়টা পার করার বাস্তবসম্মত কৌশল তৈরিতে পাশে থাকেন।

Chum Wellness-এ আপনার জন্য যা আছে

Chum Wellness-এ আমরা জানি, একজন পুরুষের পক্ষে প্রথমবার মন খুলে কথা বলা কতটা কঠিন হতে পারে। তাই আমাদের পরিসরটি সম্পূর্ণ গোপনীয় ও বিচারমুক্ত, যেখানে আপনি নিজের গতিতে, নিজের কথা বলতে পারেন। আমাদের licensed psychologist ও কাউন্সেলররা ব্রেকাপ, ডিভোর্স ও রিজেকশনজনিত মানসিক কষ্ট নিয়ে কাজ করে অভ্যস্ত।

আমাদের সেবা সারা বাংলাদেশে অনলাইনে পাওয়া যায়, এবং ঢাকায় ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরাসহ যেকোনো এলাকা থেকে চাইলে সরাসরি সেশনও নেওয়া যায়। চট্টগ্রাম, খুলনা বা সিলেট, দেশের যেখানেই আপনি থাকুন, ইন্টারনেট থাকলেই আপনি এই সহায়তা পেতে পারেন। শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা কম ফিতে সেশনের ব্যবস্থা রাখি, যাতে খরচ যেন সাহায্য নেওয়ার পথে বাধা না হয়।

আপনি যদি ব্রেকাপ বা রিজেকশনের ভার একা বয়ে বেড়াচ্ছেন, তাহলে আজই কথা বলার এই প্রথম ধাপটা নিন। আমাদের কাউন্সেলিং সহায়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন, অথবা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন। চুপ থাকা কোনো সমাধান নয়, কথা বলা থেকেই সেরে ওঠার শুরু।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

ব্রেকাপের পর পুরুষের কষ্ট কি নারীদের চেয়ে কম হয়?

না। ব্রেকাপের কষ্টের কোনো লিঙ্গভেদ নেই। বরং সামাজিক চাপে পুরুষরা কষ্ট প্রকাশ করতে না পারায় তা অনেক সময় ভেতরে জমে গভীর বিষণ্নতা ও একাকীত্বে রূপ নেয়। কষ্ট চেপে রাখা কোনো শক্তির লক্ষণ নয়।

ডিভোর্স বা রিজেকশনের পর মন খারাপ কতদিন থাকা স্বাভাবিক?

কিছুদিন বা কয়েক সপ্তাহ মন খারাপ, ঘুমের সমস্যা ও শূন্যতা থাকা স্বাভাবিক। তবে যদি সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে কষ্ট না কমে বরং বাড়ে, কাজ ও দিনের কাজকর্ম, সম্পর্ক বা পড়াশোনায় প্রভাব ফেলে, তাহলে একজন প্রশিক্ষিত কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া উচিত।

কাউন্সেলিং নিলে কি মানুষ দুর্বল মনে করবে?

কাউন্সেলিং নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং নিজের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রকাশ। Chum Wellness-এর সেবা সম্পূর্ণ গোপনীয় ও বিচারমুক্ত। কেউ জানবে না, এবং আপনি নিজের গতিতে কথা বলতে পারবেন।

ঢাকার বাইরে থেকে কি Chum Wellness-এর সহায়তা পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। Chum Wellness-এর কাউন্সেলিং সারা বাংলাদেশে অনলাইনে পাওয়া যায়, তাই চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট বা যেকোনো জেলা থেকে সেশন নেওয়া যায়। ঢাকায় চাইলে সরাসরি সেশনও নেওয়া যায়।

Trusted resources
Further reading from leading global health authorities:

Keep Reading

কখন psychologist-এর কাছে যাবেন? ৮টি লক্ষণকখন psychologist-এর কাছে যাবেন? ৮টি লক্ষণবাবা-মা হারানোর শোক: কীভাবে ধীরে ধীরে সামলে ওঠা যায়বাবা-মা হারানোর শোক: কীভাবে ধীরে ধীরে সামলে ওঠা যায়নিজেকে অসুন্দর মনে হয়? গায়ের রং, বডি ইমেজ ও আত্মমর্যাদানিজেকে অসুন্দর মনে হয়? গায়ের রং, বডি ইমেজ ও আত্মমর্যাদা

Talk to our psychologists

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

See all psychologists →