দাম্পত্য কলহ কেন হয় এবং কীভাবে মেটাবেন

Mst. Swampa
Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed October 2026

দাম্পত্য কলহ প্রায় প্রতিটি সম্পর্কেই কমবেশি দেখা যায়, আর এটি নিয়ে লজ্জিত বা অপরাধী বোধ করার কিছু নেই। দুজন আলাদা মানুষ, আলাদা পরিবার আর আলাদা অভ্যাস নিয়ে যখন একসাথে জীবন শুরু করেন, তখন মতের অমিল হওয়াটাই স্বাভাবিক। আসল প্রশ্ন হলো, এই দাম্পত্য কলহ কেন বারবার ফিরে আসে এবং কীভাবে তা সুস্থভাবে মেটানো যায়।

এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় বোঝার চেষ্টা করব ঝগড়ার পেছনের প্রকৃত কারণগুলো, বাংলাদেশি পরিবারের বাস্তবতা মাথায় রেখে, এবং কীভাবে ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া ও ঘনিষ্ঠতা ফিরিয়ে আনা যায়।

দাম্পত্য কলহ আসলে কী

দাম্পত্য কলহ মানে সবসময় বড় কোনো ঝগড়া নয়। অনেক সময় এটি চুপচাপ দূরত্ব, একে অপরের প্রতি বিরক্তি, কিংবা ছোট ছোট বিষয়ে বারবার তর্কের রূপ নেয়। কেউ কেউ চিৎকার করে ঝগড়া করেন, আবার কেউ কথা বন্ধ করে দিয়ে নীরবে দূরে সরে যান। দুটোই সম্পর্কের ওপর চাপ ফেলে।

মনে রাখা জরুরি, মতভেদ থাকা মানেই সম্পর্ক খারাপ নয়। বরং সেই মতভেদ কীভাবে সামলানো হচ্ছে, সেটাই একটি সুস্থ সম্পর্ক আর ক্ষতিকর সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। মানসিক সুস্থতার সাথে সম্পর্কের সুস্থতা গভীরভাবে জড়িত, এবং এ নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য কী লেখাটিতে।

কলহ মানে কি? দাম্পত্য মানে কি?

কলহ মানে ঝগড়া বা বিবাদ, যেখানে দুজনের মতের অমিল কথা কাটাকাটি, রাগ বা অভিমানে গড়ায়। দাম্পত্য মানে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বা বিবাহিত জীবন। তাই দাম্পত্য কলহ বলতে বোঝায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বারবার হওয়া ঝগড়া, মনোমালিন্য আর দূরত্ব, যা সংসারের শান্তি নষ্ট করে।

দাম্পত্য কলহ কেন হয়

কারণগুলো ব্যক্তিভেদে আলাদা হলেও কিছু বিষয় প্রায় সব সম্পর্কেই ঘুরেফিরে আসে। নিচে সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলো তুলে ধরা হলো।

যোগাযোগের ঘাটতি

অনেক দম্পতি মনে করেন, সঙ্গী তাঁর মনের কথা এমনিতেই বুঝে নেবেন। কিন্তু না বলা প্রত্যাশা প্রায়ই ভুল বোঝাবুঝিতে রূপ নেয়। মন খুলে কথা বলার অভ্যাস না থাকলে ছোট বিষয়ও জমতে জমতে বড় দূরত্ব তৈরি করে।

শ্বশুরবাড়ি ও পারিবারিক প্রত্যাশার চাপ

বাংলাদেশি প্রেক্ষাপটে যৌথ পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির প্রত্যাশা দাম্পত্য জীবনে বড় ভূমিকা রাখে। কার পরিবারকে বেশি সময় দেওয়া হচ্ছে, কে কতটা মূল্য পাচ্ছে, লোকে কী বলবে, এই ধরনের বিষয় নিয়ে চাপা টানাপোড়েন চলতে থাকে। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় আমরা প্রায়ই দেখি, দুই পরিবারের মধ্যে এক ধরনের অপ্রকাশ্য প্রতিযোগিতা দম্পতির ওপর গিয়ে পড়ে, অথচ মূল সমস্যাটা দুজনের নিজেদের মধ্যে নয়।

অব্যক্ত মানসিক চাপ

অনেক সময় স্বামী-স্ত্রী যেসব ছোট ছোট বিষয়ে বারবার ঝগড়া করেন, সেগুলো আসলে মূল সমস্যা নয়। কাপ ধোয়া হয়নি, দেরিতে ফেরা, ফোনে বেশি সময় দেওয়া, এসব নিয়ে বারবার তর্ক আসলে ভেতরে জমে থাকা অ্যাংজাইটি, ক্লান্তি বা কষ্টের বহিঃপ্রকাশ। আমরা প্রায়ই দেখি, বাইরে যেটা নিয়ে ঝগড়া, ভেতরে চাপা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অব্যক্ত চাপ।

আর্থিক চাপ ও দায়িত্বের ভাগাভাগি

টাকাপয়সা, খরচের সিদ্ধান্ত, কে কতটা আয় করছে বা সংসারের দায়িত্ব কীভাবে ভাগ হচ্ছে, এসব নিয়ে মতভেদ দাম্পত্য কলহের একটি বড় কারণ। বিশেষত যখন প্রত্যাশাগুলো স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয় না।

দীর্ঘ চাপে ঘনিষ্ঠতা কমে যাওয়া

দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, ক্লান্তি আর দূরত্ব দাম্পত্য ঘনিষ্ঠতাকেও প্রভাবিত করে। যখন দুজন মানুষ ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত ও উদ্বিগ্ন থাকেন, তখন মনের আর শরীরের কাছাকাছি আসা স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। এটি লজ্জার কিছু নয়, বরং জমে থাকা চাপের একটি স্বাভাবিক পরিণতি। এই দূরত্ব আবার নতুন করে বিরক্তি ও ঝগড়ার জন্ম দেয়, ফলে একটি চক্র তৈরি হয়।

কলহের এই চক্র কীভাবে তৈরি হয়

একটি অমীমাংসিত বিষয় থেকে বিরক্তি জন্মায়, সেই বিরক্তি দূরত্ব তৈরি করে, দূরত্ব থেকে আরও ভুল বোঝাবুঝি, আর সেখান থেকে আবার নতুন ঝগড়া। এভাবে ছোট একটি সমস্যা সময়ের সাথে বড় হয়ে ওঠে। এই চক্র ভাঙতে হলে ঝগড়ার উপরিভাগ নয়, বরং এর নিচে চাপা পড়া প্রকৃত অনুভূতিগুলো বোঝা দরকার।

একটা সীমারেখা এখানেই টেনে রাখা দরকার। সাধারণ দাম্পত্য কলহ আর নির্যাতন এক জিনিস নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী সঙ্গীর হাতে সহিংসতা নারীদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ঘটা সহিংসতা এবং এটি বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তার ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। যদি ঝগড়ার মধ্যে গায়ে হাত তোলা, ভয় দেখানো বা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা থাকে, তাহলে সেটা “কলহ” নয় এবং নিচের পরামর্শগুলো সেই পরিস্থিতির জন্য নয়। এমন ক্ষেত্রে একা একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন, দুজনে একসাথে না।

দাম্পত্য কলহ কীভাবে মেটাবেন

সম্পর্ক মেরামত একদিনে হয় না, তবে সচেতন কিছু চেষ্টায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসে। নিচের কিছু বিষয় কাজে লাগতে পারে।

  • শোনার অভ্যাস গড়ুন: সঙ্গী কথা বলার সময় মনে মনে উত্তর সাজানোর বদলে সত্যিকারভাবে শোনার চেষ্টা করুন। অনেক সময় মানুষ সমাধান নয়, বোঝা হওয়ার আশ্বাস চায়।
  • দোষারোপ না করে অনুভূতির কথা বলুন: “তুমি সবসময় এমন করো” না বলে “আমার খারাপ লাগে যখন এমন হয়” বলার অভ্যাস করুন। এতে সঙ্গী আত্মরক্ষার বদলে বোঝার দিকে এগোন।
  • ঝগড়ার সঠিক সময় বেছে নিন: দুজনেই ক্লান্ত বা রাগান্বিত থাকলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এড়িয়ে চলুন। শান্ত মুহূর্তে কথা বলুন।
  • প্রকৃত সমস্যাটা খুঁজুন: বারবার একই বিষয়ে ঝগড়া হলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আসলে কী নিয়ে কষ্ট পাচ্ছি। উপরের ঝগড়া নয়, ভেতরের অনুভূতিটা চিহ্নিত করুন।
  • ছোট ছোট নৈকট্য ফিরিয়ে আনুন: একসাথে সময় কাটানো, ছোট কথাবার্তা বা সামান্য প্রশংসা সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
  • সীমা নির্ধারণ করুন: পরিবারের প্রত্যাশা সামলাতে দুজন মিলে সিদ্ধান্ত নিন, যাতে বাইরের চাপ সম্পর্কের ভেতরে ফাটল না ধরায়।

সম্পর্কের দূরত্ব ও টানাপোড়েন কমানোর আরও বাস্তব কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পড়তে পারেন আমাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও দূরত্ব কমানো লেখাটিতে।

ঝগড়ার সময় যে চারটি অভ্যাস সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে

দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ গবেষণায় মনোবিজ্ঞানী জন গটম্যান চারটি আচরণ চিহ্নিত করেছেন, যেগুলো নিয়মিত থাকলে সম্পর্ক ভাঙার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়:

  • ব্যক্তিকে আক্রমণ: “তুমি সবসময় এমন করো” ধরনের কথা, যেখানে একটা আচরণের বদলে পুরো মানুষটাকে দোষ দেওয়া হয়।
  • তাচ্ছিল্য: ব্যঙ্গ, খোঁটা, চোখ উল্টানো। গবেষণায় এটাকেই সবচেয়ে ক্ষতিকর ধরা হয়।
  • আত্মপক্ষ সমর্থন: নিজের কোনো দায় না নিয়ে সবসময় উল্টো অভিযোগ করা।
  • চুপ করে দেয়াল তুলে দেওয়া: কথা বন্ধ, মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, দিনের পর দিন নীরবতা।

এর উল্টো অভ্যাসগুলোই সমাধান: অভিযোগ না করে নিজের অনুভূতি বলা (“আমার খারাপ লেগেছে যখন…”), কৃতজ্ঞতা আর সম্মান দেখানো, নিজের ভুলের অংশটুকু মেনে নেওয়া, আর রাগ বেশি হলে বিরতি নেওয়া।

এখনই চেষ্টা করুন: ঝগড়া ছাড়া কথাটা বলুন

দোষ দিলে ঝগড়া শুরু হয়। এভাবে বললে কথা শুরু হয়। ঘরগুলো পূরণ করুন।

সুস্থভাবে ঝগড়া করার কয়েকটি নিয়ম

  • বিরতি নিন: রাগে বুক ধড়ফড় করলে বলুন “২০ মিনিট পরে কথা বলি”, তারপর সত্যিই ফিরে আসুন।
  • একবারে একটা বিষয়: পুরনো সব ঝগড়া টেনে আনবেন না।
  • বাচ্চা আর আত্মীয়দের সামনে নয়: বড় আলোচনা নিরিবিলিতে করুন।
  • ফোনে বা মেসেজে বড় ঝগড়া নয়: মুখোমুখি কথা বললে ভুল বোঝাবুঝি কম হয়।
  • শেষে একটা ছোট মেরামত: একটা “সরি”, হাত ধরা বা একসাথে চা, সম্পর্ককে আবার কাছে আনে।

বাচ্চাদের সামনে ঝগড়ার প্রভাব

শিশুরা বাবা-মায়ের ঝগড়া খুব গভীরভাবে টের পায়, এমনকি ঘুমের ভান করে থাকলেও। নিয়মিত চিৎকার আর তিক্ততার মধ্যে বড় হলে শিশুর মধ্যে ভয়, অস্থিরতা, পড়ায় মন না বসা বা নিজেকে দোষী ভাবার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। মতভেদ হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু শিশু যদি দেখে বাবা-মা শান্তভাবে সমস্যা মিটিয়ে নিচ্ছেন, সেটা তার জন্য বরং একটা ভালো শিক্ষা।

কখন এটা আর সাধারণ কলহ না

গায়ে হাত তোলা, হুমকি দেওয়া, ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা বা টাকা-পয়সা আটকে রাখা সাধারণ দাম্পত্য কলহ না, এগুলো নির্যাতন। এমন হলে নিজের নিরাপত্তা আগে, জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করুন। এ বিষয়ে আরও পড়ুন টক্সিক রিলেশনশিপ মানে কি।

কখন psychologist-এর সাথে কথা বলবেন

কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের চেষ্টায় সব সমস্যা মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে একজন trained psychologist বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া ভালো সিদ্ধান্ত।

  • একই বিষয়ে বারবার ঝগড়া হচ্ছে, কোনো সমাধান আসছে না।
  • দুজনের মধ্যে কথা বলা প্রায় বন্ধ, দূরত্ব বেড়েই চলেছে।
  • ঝগড়ার সময় কঠিন কথা, অপমান বা নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা ঘটছে।
  • দীর্ঘ সময় ধরে মন খারাপ, অ্যাংজাইটি, ঘুম বা রুচির সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
  • সম্পর্কের চাপ দৈনন্দিন জীবন বা সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলছে।

কাপল কাউন্সেলিং বা থেরাপিতে একজন নিরপেক্ষ psychologist দুজনকেই মন খুলে কথা বলার একটি নিরাপদ জায়গা দেন এবং প্রকৃত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করেন। কাউন্সেলিং আসলে কী এবং কীভাবে কাজ করে, তা জানতে পড়ুন কাউন্সেলিং কী এবং কীভাবে কাজ করে লেখাটি। এখানে বলে রাখা ভালো, মানসিক স্বাস্থ্য বা সম্পর্কের সমস্যায় ওষুধ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

শেষ কথা

দাম্পত্য কলহ মানেই সম্পর্কের শেষ নয়। বরং এটি প্রায়ই এক ধরনের সংকেত, যে দুজনের মধ্যে কিছু অনুভূতি অব্যক্ত রয়ে গেছে। সহানুভূতি, ধৈর্য আর সঠিক সহায়তা দিয়ে বেশিরভাগ সম্পর্কই আবার সুস্থ ও উষ্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আপনি যদি মনে করেন, সম্পর্কের টানাপোড়েন সামলাতে psychologist-এর সাথে কথা বলা প্রয়োজন, তবে Chum Wellness-এর licensed psychologist ও counsellor-দের সাথে গোপনীয়ভাবে কথা বলতে পারেন, অনলাইনে সারা বাংলাদেশ থেকে কিংবা ঢাকায় সরাসরি। সেশন ফি ১,০০০ টাকা থেকে শুরু, এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সেশন ফি ১,০০০ টাকা। প্রথম পদক্ষেপ নিতে আজই একটি সেশন বুক করুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

কলহ মানে কি?

কলহ মানে ঝগড়া বা বিবাদ। দাম্পত্য কলহ মানে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বারবার হওয়া ঝগড়া আর মনোমালিন্য।

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া কমানোর উপায় কী?

অভিযোগের বদলে নিজের অনুভূতি বলা, রাগ বেশি হলে বিরতি নেওয়া, একবারে একটা বিষয় নিয়ে কথা বলা, আর ঝগড়ার পর মেরামতের চেষ্টা করা। একই ঝগড়া বারবার ফিরে এলে কাপল কাউন্সেলিং সবচেয়ে কার্যকর।

দাম্পত্য কলহ কি স্বাভাবিক?

হ্যাঁ, মতভেদ ও মাঝেমধ্যে কলহ প্রায় প্রতিটি সম্পর্কেই স্বাভাবিক। দুজন আলাদা মানুষের মধ্যে মতের অমিল হতেই পারে। সমস্যা হয় তখন, যখন একই বিষয়ে বারবার ঝগড়া চলতে থাকে, কথা বলা বন্ধ হয়ে যায় বা দূরত্ব বাড়তে থাকে। কীভাবে কলহ সামলানো হচ্ছে, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ছোট ছোট বিষয়ে বারবার ঝগড়া হয় কেন?

আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় আমরা প্রায়ই দেখি, ছোট বিষয়ে বারবার ঝগড়া আসলে ভেতরে জমে থাকা অব্যক্ত মানসিক চাপ, অ্যাংজাইটি বা ক্লান্তির বহিঃপ্রকাশ। বাইরে যা নিয়ে তর্ক, ভেতরে চাপা থাকে ভিন্ন কোনো অনুভূতি। প্রকৃত সমস্যাটা চিহ্নিত করতে পারলে চক্রটি ভাঙা সহজ হয়।

কখন কাপল কাউন্সেলিং নেওয়া উচিত?

একই বিষয়ে বারবার ঝগড়া হলে, দুজনের মধ্যে কথা বলা প্রায় বন্ধ হলে, দূরত্ব বাড়তে থাকলে বা সম্পর্কের চাপ দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেললে একজন trained psychologist বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া ভালো। psychologist-এর সাথে কথা বলায় দুজনেই মন খুলে কথা বলার নিরাপদ জায়গা পান।

শ্বশুরবাড়ির চাপে দাম্পত্য সমস্যা হলে কী করব?

পরিবারের প্রত্যাশা সামলাতে দুজন মিলে আগে থেকেই স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি, যাতে বাইরের চাপ সম্পর্কের ভেতরে ফাটল না ধরায়। একে অপরের পাশে দাঁড়ানো এবং দরকার হলে counselling নেওয়া অনেক সাহায্য করে।

সাইকোলজিস্টের সাহায্যের জন্য কাপল কাউন্সেলিং দেখুন, অথবা একটি সেশন বুক করুন।

আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়ি ও শাশুড়ির সঙ্গে মানিয়ে চলা এবং সম্পর্কে ক্ষমা করা ও এগিয়ে যাওয়া।

যৌন ও ঘনিষ্ঠতার সমস্যায় কাউন্সেলিং →

How this article was made
Written by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist
Clinically reviewed by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
Last updated
October 1, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Mst. Swampa
Talk to SwampaThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Swampa

Keep Reading

The Same Fight: Breaking the Pursue-Withdraw CyclePsychosexual Therapy in Bangladesh: When Sexual Problems Start in the MindSexless Marriage in Bangladesh: Why It Happens and How to Rebuild Intimacy

Psychologists who help with relationships & marriage

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

Shaheen Nafisa Siddique
Shaheen Nafisa SiddiqueSenior Clinical Psychologist · 29+ yearsHelps with relationship & family conflict, relationship issuesFrom ৳4,500ProfileBook
Chowdhury Mehtaj Jabeen Medha
Chowdhury Mehtaj Jabeen MedhaClinical Psychologist and Researcher · 4+ yearsHelps with relationship issues, depressionFrom ৳1,700ProfileBook
Md. Mostafizur Rahman
Md. Mostafizur RahmanClinical PsychologisHelps with relationship issues, depressionFrom ৳2,500ProfileBook
See all psychologists →