ডিপ্রেশনের শারীরিক লক্ষণ: শরীরে যেভাবে ডিপ্রেশন ধরা দেয়

Mst. Swampa
Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed October 2026

ডিপ্রেশন শুধু মনের ব্যাপার না, শরীরেও এর স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়। সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা, ঘুম কমে যাওয়া বা অনেক বেড়ে যাওয়া, খিদে কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, ঘাড়-পিঠে ব্যথা, পেটের সমস্যা, বুক ভার লাগা আর সব কাজে ধীর হয়ে যাওয়া, এগুলো ডিপ্রেশনের খুব সাধারণ শারীরিক লক্ষণ। বাংলাদেশে অনেকের ক্ষেত্রে মন খারাপের আগে শরীরের এই কষ্টগুলোই চোখে পড়ে, তাই মাসের পর মাস টেস্ট আর ডাক্তার ঘুরেও আসল কারণ ধরা পড়ে না।

চেম্বারে আমরা প্রায়ই এমন কথা শুনি: “শরীরটা সারাক্ষণ ভারী লাগে, কিছু করতে ইচ্ছা করে না”, “সব রিপোর্ট নরমাল, তবু মাথা আর ঘাড় ব্যথা যায় না”, “রাতে ঘুম আসে না, সকালে উঠে মনে হয় সারা রাত কাজ করেছি”। এগুলো যদি আপনার সাথে মিলে যায়, এই লেখাটা আপনার জন্য।

ডিপ্রেশনের শারীরিক লক্ষণগুলো কি কি

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা NHS ডিপ্রেশনের লক্ষণের তালিকায় মনের লক্ষণের পাশাপাশি শরীরের লক্ষণও আলাদা করে রেখেছে (NHS)। সবচেয়ে বেশি যেগুলো দেখা যায়:

  • অকারণ ক্লান্তি: ঘুমানোর পরও শরীরে শক্তি থাকে না। ছোট কাজও পাহাড়ের মতো লাগে।
  • ঘুমের সমস্যা: ঘুম আসতে দেরি হয়, মাঝরাতে বা ভোরে ঘুম ভেঙে যায়, আর ঘুম আসে না। কারো আবার উল্টো, সারাদিন শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে।
  • খিদে আর ওজনের পরিবর্তন: খাওয়ার রুচি চলে যায়, ওজন কমে যায়। কারো আবার খাওয়া বেড়ে যায়, বিশেষ করে মিষ্টি বা ভাজাপোড়া।
  • শরীরে ব্যথা: মাথা ব্যথা, ঘাড়-পিঠে ব্যথা, হাত-পা কামড়ানো, যার কোনো স্পষ্ট শারীরিক কারণ পাওয়া যায় না।
  • পেটের গোলমাল: বদহজম, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য। অনেকে বছরের পর বছর “গ্যাস্ট্রিক” ভেবে ওষুধ খেয়ে যান।
  • ধীর হয়ে যাওয়া: কথা বলা, হাঁটা, চিন্তা করা সবকিছু ধীর লাগে। আবার কারো ক্ষেত্রে উল্টো, অস্থির লাগে, এক জায়গায় বসে থাকা যায় না।
  • বুক ভার বা চাপ লাগা: বুকের ভেতর কিছু চেপে আছে এমন অনুভূতি। এটা অনেক সময় anxiety-র সাথেও আসে।
  • যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া আর মাসিকের নিয়মে পরিবর্তন।

ডিপ্রেশনে শরীর খারাপ লাগে কেন

মন আর শরীর আলাদা না, একই মস্তিষ্ক দুটোকেই চালায়। ডিপ্রেশনে মস্তিষ্কের যে রাসায়নিক ব্যবস্থা মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে, সেটাই ঘুম, খিদে, শক্তি আর ব্যথা টের পাওয়ার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে থাকে, পেশি টানটান হয়ে থাকে, ঘুম গভীর হয় না। তাই কষ্টটা কাল্পনিক না, সত্যিই শরীরে টের পাওয়া যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলছে, ডিপ্রেশনে ঘুম, খিদে আর ক্লান্তির পরিবর্তন খুব সাধারণ (WHO)।

বাংলাদেশে কেন এটা সহজে ধরা পড়ে না

আমাদের সমাজে মনের কষ্টের কথা বলার চেয়ে শরীরের কষ্টের কথা বলা সহজ। “মন খারাপ” বললে শুনতে হয় “নামাজ পড়ো”, “এত চিন্তা করো কেন”। কিন্তু “মাথা ব্যথা” বললে সবাই ডাক্তার দেখাতে বলে। ফলে অনেকে একের পর এক ডাক্তার দেখান, অনেক টেস্ট করান, সব নরমাল আসে, আর শেষে শুনতে হয় “আপনার কিছু হয়নি”। অথচ কষ্টটা থেকেই যায়। কোন উপসর্গ শরীরের আর কোনটা মনের, সেটা নিয়ে আমাদের আলাদা একটা লেখা আছে: শারীরিক নাকি মানসিক সমস্যা, কোথা থেকে শুরু করবেন।

বয়স্ক বাবা-মা আর পুরুষদের ক্ষেত্রে যেভাবে ধরা দেয়

বয়স্কদের ডিপ্রেশন প্রায়ই পুরোপুরি শরীরের ভাষায় আসে। আব্বা-আম্মা বলেন “শরীরটা ভালো না”, “হাঁটুতে-কোমরে ব্যথা”, “খেতে ইচ্ছা করে না”, কিন্তু মন খারাপের কথা মুখে আনেন না। বয়সের দোষ ভেবে সবাই এড়িয়ে যায়, অথচ পেছনে একাকীত্ব আর বিষণ্নতা থাকতে পারে। এ নিয়ে বিস্তারিত আছে বয়স্ক বাবা-মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য লেখায়।

অনেক পুরুষের ক্ষেত্রেও একই কথা। “মন খারাপ” বলাটা দুর্বলতা মনে হয়, তাই কষ্টটা বের হয় মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ, রাত জেগে ফোন চালানো বা অতিরিক্ত সিগারেটে। পরিবারের কেউ যদি হঠাৎ এমন শরীরের কষ্ট আর মেজাজের পরিবর্তন একসাথে দেখান, শুধু ব্যথার ঔষধ না দিয়ে মনের খবরটাও নিন।

শরীরের অসুখ নাকি ডিপ্রেশন: কিভাবে বুঝবো

প্রথম কাজ হলো শরীরের কোনো অসুখ বাদ দেওয়া। থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তস্বল্পতা, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি, ডায়াবেটিস বা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও একই রকম ক্লান্তি আর মনমরা ভাব আসতে পারে। এ নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন: মন খারাপ হলে শরীরের দিকেও নজর দিন।

শরীরের সমস্যা বাদ দেওয়ার পর নিচের কয়েকটা বিষয় মিলে গেলে ডিপ্রেশনের কথা ভাবা দরকার:

  • শরীরের কষ্টের সাথে মন খারাপ, হতাশা বা কিছুতেই আনন্দ না পাওয়া দুই সপ্তাহের বেশি ধরে আছে।
  • যেসব কাজ আগে ভালো লাগত, এখন সেগুলোতে আগ্রহ নেই।
  • নিজেকে বোঝা, অপদার্থ বা দোষী মনে হয়।
  • টেস্ট নরমাল আসার পরও কষ্ট কমছে না, বরং মন খারাপ বাড়ছে।
  • সকালে খারাপ লাগা বেশি থাকে, দিন গড়ালে একটু কমে।

ডিপ্রেশনের মনের লক্ষণগুলো নিয়ে পুরো ধারণা পেতে পড়ুন আমাদের মূল লেখা ডিপ্রেশন (বিষণ্নতা) কি, লক্ষণ ও কারণ।

নিজে নিজে যাচাই: শারীরিক লক্ষণের সাথে এই মানসিক লক্ষণগুলোও আছে কি?

শুধু শরীরের লক্ষণ দিয়ে ডিপ্রেশন বলা যায় না। চিকিৎসকেরা দেখেন, গত দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতিদিন নিচের লক্ষণগুলোর কয়েকটা আছে কিনা, আর এর মধ্যে প্রথম দুটোর অন্তত একটা আছে কিনা:

  1. বেশিরভাগ সময় মন খারাপ, খালি খালি বা হতাশ লাগা
  2. আগে যেসব কাজে ভালো লাগত, সেগুলোতে আগ্রহ বা আনন্দ না পাওয়া
  3. ঘুম অনেক কমে যাওয়া বা অনেক বেড়ে যাওয়া
  4. খিদে বা ওজন চোখে পড়ার মতো কমা বা বাড়া
  5. সারাক্ষণ ক্লান্তি, শক্তি না পাওয়া
  6. নিজেকে মূল্যহীন মনে হওয়া বা অতিরিক্ত অপরাধবোধ
  7. মনোযোগ দিতে বা সিদ্ধান্ত নিতে কষ্ট হওয়া
  8. খুব ধীর হয়ে যাওয়া, বা উল্টো খুব অস্থির লাগা
  9. মরে যাওয়ার বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসা

যদি পাঁচ বা তার বেশি মিলে যায়, আর কাজ, পড়াশোনা বা সংসার চালাতে কষ্ট হয়, তাহলে একজন সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে কথা বলুন। দু-একটা মিললেও যদি অনেক দিন ধরে চলে, দেখিয়ে নেওয়া ভালো। আমাদের অনলাইন সেলফ-চেক দিয়েও কয়েক মিনিটে একটা ধারণা নিতে পারেন। তবে এটা রোগ নির্ণয় না, শুধু শুরুর একটা ধাপ।

কি করবেন

  • একবার পুরো চেকআপ করান। ডাক্তারকে শরীরের কষ্টের পাশাপাশি মনের অবস্থার কথাও খোলাখুলি বলুন।
  • রিপোর্ট নরমাল এলে থেমে যাবেন না। তখন একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন। থেরাপিতে, বিশেষ করে CBT-তে, ঘুম, ক্লান্তি আর ব্যথার সাথে মনের যোগসূত্র নিয়ে কাজ করা হয়, আর মন হালকা হলে শরীরের অনেক কষ্টও কমে।
  • দরকার হলে সাইকিয়াট্রিস্ট। ডিপ্রেশন মাঝারি বা তীব্র হলে সাইকিয়াট্রিস্ট ঔষধ দিতে পারেন। নিজে নিজে ফার্মেসি থেকে ঘুমের ওষুধ বা ব্যথার ওষুধ কিনে খাওয়া চালিয়ে যাবেন না। ডিপ্রেশনের ঔষধ নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন: ডিপ্রেশনের ঔষধ: কখন লাগে।
  • ছোট ছোট অভ্যাস। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও ওঠা, সকালের রোদে দশ-পনেরো মিনিট হাঁটা, নিয়ম করে খাওয়া। এগুলো চিকিৎসার বিকল্প না, কিন্তু চিকিৎসাকে কাজ করতে সাহায্য করে।

শুরুতে কোনটা বুঝতে না পারলে আমাদের ছোট্ট সেল্ফ-চেক দিয়ে শুরু করতে পারেন, অথবা ডিপ্রেশন অ্যাসেসমেন্ট করিয়ে নিতে পারেন।

ডাক্তারের কাছে গেলে কি বলবেন

অনেকে চেম্বারে গিয়ে শুধু “মাথা ব্যথা” বলে চলে আসেন, তাই ডাক্তারও শুধু ব্যথার চিকিৎসা দেন। পুরো ছবিটা দিতে এই কয়েকটা কথা গুছিয়ে নিয়ে যান:

  • শরীরের কষ্টগুলো কবে থেকে, আর দিনের কোন সময় বেশি।
  • ঘুম, খিদে আর ওজনে কি পরিবর্তন এসেছে।
  • মন কেমন থাকে, আগের মতো কিছুতে আনন্দ পান কিনা।
  • জীবনে সম্প্রতি বড় কোনো চাপ বা ক্ষতি হয়েছে কিনা।
  • এখন কি কি ঔষধ খাচ্ছেন, আর আগে কোন কোন টেস্ট হয়েছে (রিপোর্টগুলো সাথে নিন)।

সোজাসুজি জিজ্ঞেস করতে পারেন: “এগুলো কি ডিপ্রেশন বা স্ট্রেস থেকে হতে পারে?” এই একটা প্রশ্নই অনেক সময় মাসের পর মাস ঘোরাঘুরি বাঁচিয়ে দেয়।

মন খারাপ থাকলে ছোট কাজও অনেক বড় মনে হয়। আজকের জন্য একটা ছোট, সহজ কাজ বেছে নিতে এটা সাহায্য করবে।

এখনই চেষ্টা করুন: ছোট্ট একটা কাজ

সবকিছু ভারী লাগলে, যতটা ছোট ভাবছেন তার চেয়েও ছোট কিছু দিয়ে শুরু করুন। একটা বেছে নিন।

কখন দেরি না করে সাহায্য নেবেন

শরীরের কষ্ট আর মন খারাপ দুই সপ্তাহের বেশি থাকলে, কাজ, পড়াশোনা বা সংসার সামলাতে কষ্ট হলে, একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন। আর যদি কখনো মনে হয় বেঁচে থেকে লাভ নেই বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসে, তাহলে দেরি না করে ৯৯৯-এ কল করুন অথবা সবচেয়ে কাছের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

চাম ওয়েলনেসে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্ট আর সাইকিয়াট্রিস্টরা পুরো গোপনীয়তা রেখে কাজ করেন, অনলাইনে সারা বাংলাদেশ থেকে বা ঢাকায় সরাসরি। আমাদের ডিপ্রেশনের চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং সম্পর্কে জানুন, অথবা একটা সেশন বুক করুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ডিপ্রেশন থেকে কি শরীরে ব্যথা হয়?

হ্যাঁ। মাথা ব্যথা, ঘাড়-পিঠে ব্যথা, শরীর কামড়ানো ডিপ্রেশনে খুব সাধারণ। ডিপ্রেশনে ব্যথা টের পাওয়ার মাত্রা বেড়ে যায় আর পেশি টানটান হয়ে থাকে।

ডিপ্রেশন হলে কিভাবে বুঝবো, শরীরের লক্ষণ দেখে?

শুধু শরীরের লক্ষণ দেখে বোঝা যায় না। শরীরের কষ্টের সাথে যদি দুই সপ্তাহের বেশি মন খারাপ, আগ্রহ হারানো বা হতাশা থাকে আর টেস্ট নরমাল আসে, তাহলে ডিপ্রেশন হতে পারে। একজন সাইকোলজিস্ট ঠিকভাবে যাচাই করে বলতে পারবেন।

ডিপ্রেশন থেকে কি বুক ধড়ফড় বা বুকে চাপ লাগে?

লাগতে পারে, বিশেষ করে ডিপ্রেশনের সাথে anxiety থাকলে। তবে বুকে ব্যথা বা চাপ প্রথমবার হলে আগে অবশ্যই ডাক্তার দেখিয়ে হার্টের সমস্যা বাদ দিন।

ডিপ্রেশনে ঘুম বেশি হয় নাকি কম?

দুটোই হতে পারে। বেশিরভাগের ঘুম কমে যায় বা ভোরে ভেঙে যায়, কিন্তু কারো কারো সারাদিন ঘুমাতে ইচ্ছা করে আর তবুও ক্লান্তি যায় না।

থেরাপি নিলে কি শরীরের লক্ষণও কমে?

হ্যাঁ। ডিপ্রেশনের চিকিৎসা হলে সাধারণত ঘুম, খিদে, শক্তি আর ব্যথাও ধীরে ধীরে ভালো হয়। দরকার হলে সাইকিয়াট্রিস্ট থেরাপির পাশাপাশি ঔষধ দেন।

কোন ডাক্তার দেখাব, মেডিসিন নাকি সাইকিয়াট্রিস্ট?

প্রথমবার হলে মেডিসিনের ডাক্তার দেখিয়ে শরীরের কারণ বাদ দিন। তারপর মন খারাপ থাকলে সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যান। পার্থক্য জানতে পড়ুন সাইকোলজিস্ট বনাম সাইকিয়াট্রিস্ট।

ডিপ্রেশনে কি ঘন ঘন অসুখ হয়?

হতে পারে। দীর্ঘদিনের ডিপ্রেশন আর স্ট্রেসে ঘুম ঠিকমতো হয় না, খাওয়া অনিয়মিত হয়, আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কিছুটা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই অনেকে খেয়াল করেন, মন খারাপের সময়টায় সর্দি-জ্বর বা পেটের সমস্যা বেশি হচ্ছে।

ডিপ্রেশনে কি ভুলে যাওয়া বা মাথা ঝিমঝিম লাগে?

হ্যাঁ, মনোযোগ কমে যাওয়া, কথা ভুলে যাওয়া, মাথা ভার বা ঝাপসা লাগা ডিপ্রেশনে খুব সাধারণ। ডিপ্রেশনের চিকিৎসা হলে সাধারণত এগুলোও কমে আসে। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে ভুলে যাওয়া বাড়তে থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে অন্য কারণ বাদ দিন।

ডিপ্রেশনের মারাত্মক লক্ষণগুলো কী কী?

যেসব লক্ষণে দেরি করা যাবে না: মরে যাওয়ার বা আত্মহত্যার চিন্তা, নিজের ক্ষতি করা, কয়েক দিন ধরে প্রায় কিছুই না খাওয়া বা পানি না খাওয়া, বিছানা থেকে একদম উঠতে না পারা, আর এমন কিছু শোনা বা বিশ্বাস করা যা বাস্তব না। এমন হলে আজই সাইকিয়াট্রিস্ট দেখান। জীবন ঝুঁকিতে থাকলে এখনই ৯৯৯-এ কল করুন।

ডিপ্রেশন কমানোর জন্য কোন ওষুধ ভালো?

নিজে থেকে খাওয়ার মতো কোনো ওষুধ নেই। মাঝারি বা তীব্র ডিপ্রেশনে সাইকিয়াট্রিস্ট অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট দেন, আর হালকা ডিপ্রেশনে প্রায়ই থেরাপিই যথেষ্ট। কখন ঔষধ লাগে আর কোনগুলো দেওয়া হয়, তা নিয়ে বিস্তারিত পাবেন ডিপ্রেশনের ঔষধ নিয়ে আমাদের লেখায়।

How this article was made
Written by
Chum Wellness editorial team
Clinically reviewed by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
Last updated
October 7, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3
Talk to a psychologist50+ licensed psychologists, online across Bangladesh or in person, in Bangla or English.Book a session

Keep Reading

Psychotic Depression: Symptoms, Risks and Treatmentপোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন: প্রসবের পর মন খারাপ কখন চিন্তার কারণAtypical Depression: Signs, Causes and Treatment

Psychologists who help with depression

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

Nasim Billah
Nasim BillahAssistant Clinical Psychologist · 9+ yearsHelps with depression & mood, OCD & compulsionsFrom ৳3,000ProfileBook
Mst. Moslema Afruzzahan
Mst. Moslema AfruzzahanAssistant Clinical Psychologist & Psychotherapist · 10+ yearsHelps with depression, anxietyFrom ৳2,500ProfileBook
Saima Akther Jui
Saima Akther JuiClinical Psychologist · 11+ yearsHelps with depression, BPD & personality disordersFrom ৳2,500ProfileBook
See all psychologists →