ডিপ্রেশনের ঔষধ: কখন লাগে, কী আশা করবেন

Mst. Swampa
Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed October 2026

ডিপ্রেশনের ঔষধ (antidepressant) সবার লাগে না। হালকা ডিপ্রেশনে সাধারণত থেরাপিই প্রথম চিকিৎসা, আর মাঝারি থেকে তীব্র ডিপ্রেশনে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট থেরাপির পাশাপাশি ঔষধ দিতে পারেন। এই ঔষধ শুধু সাইকিয়াট্রিস্ট বা যোগ্য চিকিৎসকই ঠিক করবেন; নিজে নিজে ফার্মেসি থেকে কিনে খাওয়া, ডোজ বদলানো বা হঠাৎ বন্ধ করা কোনোটাই নিরাপদ না। সঠিকভাবে খেলে ঔষধ অনেকের জন্য সেরে ওঠার বড় সহায়ক হয়।

ঔষধের কথা উঠলেই অনেকের মনে নানা ভয় আসে: “একবার খাওয়া শুরু করলে কি সারাজীবন খেতে হবে?”, “এগুলো তো ঘুমের ওষুধ, নেশা হয়ে যাবে না?”, “লোকে জানলে কি বলবে?”। এই লেখায় এসব প্রশ্নের সহজ উত্তর দেওয়া হলো। এখানে কোনো ঔষধের নাম বা ডোজ দেওয়া হয়নি, কারণ সেটা প্রত্যেক মানুষের জন্য আলাদা এবং শুধু আপনার চিকিৎসকই ঠিক করবেন।

ডিপ্রেশনের ঔষধ কখন লাগে

সাধারণভাবে চিকিৎসকেরা যেসব ক্ষেত্রে ঔষধের কথা ভাবেন:

  • ডিপ্রেশন মাঝারি বা তীব্র, ঘুম, খাওয়া, কাজ বা পড়াশোনা অনেকটা এলোমেলো হয়ে গেছে।
  • শুধু থেরাপিতে কয়েক মাসেও যথেষ্ট উন্নতি হয়নি।
  • আগেও ডিপ্রেশন হয়েছিল এবং ঔষধে ভালো কাজ করেছিল।
  • অনেক বছর ধরে চলা ডিপ্রেশন, বা মরে যাওয়ার চিন্তা আসছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলছে, ডিপ্রেশনের প্রথম চিকিৎসা হলো সাইকোলজিক্যাল থেরাপি; মাঝারি ও তীব্র ডিপ্রেশনে এর সাথে antidepressant যোগ করা যায়, আর হালকা ডিপ্রেশনে সাধারণত ঔষধ লাগে না (WHO)। হালকা ডিপ্রেশনে সাধারণত ঔষধ ছাড়াই কাউন্সেলিং আর জীবনযাপনের কিছু পরিবর্তনে ভালো ফল পাওয়া যায়। অনেকের জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ করে থেরাপি আর ঔষধ একসাথে। কার কোনটা লাগবে, সেটা বোঝার জন্য আগে একটা ভালো অ্যাসেসমেন্ট দরকার। সাইকোলজিস্ট আর সাইকিয়াট্রিস্টের কাজের পার্থক্য জানতে পড়ুন সাইকোলজিস্ট বনাম সাইকিয়াট্রিস্ট।

ডিপ্রেশনের ঔষধ কিভাবে কাজ করে

মস্তিষ্কে কিছু রাসায়নিক বার্তাবাহক আছে, যেমন সেরোটোনিন ও নরঅ্যাড্রেনালিন, যেগুলো মেজাজ আর অনুভূতির সাথে জড়িত। ধারণা করা হয়, antidepressant এগুলোর কাজের ধরন বদলে দিয়ে ধীরে ধীরে মেজাজ, ঘুম আর শক্তি ঠিক হতে সাহায্য করে। এর কয়েকটা দল আছে, যেমন SSRI, SNRI ইত্যাদি। যুক্তরাজ্যের NHS জানায়, সব দলের ঔষধ মোটামুটি একই রকম কার্যকর, পার্থক্য মূলত কার জন্য কোনটা মানানসই আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় (NHS)। কোনটা আপনার জন্য ঠিক, সেটা আপনার বয়স, অন্য অসুখ, অন্য ওষুধ, গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানো এসব দেখে সাইকিয়াট্রিস্ট ঠিক করবেন।

ডিপ্রেশনের ঔষধের নাম কি? কোন কোন গ্রুপের ঔষধ দেওয়া হয়

অনেকে গুগলে ডিপ্রেশনের ঔষধের নাম খোঁজেন। নামগুলো জানা থাকলে প্রেসক্রিপশন বুঝতে সুবিধা হয়। কিন্তু নাম জেনে ফার্মেসি থেকে নিজে কিনে খাওয়া একদম ঠিক না। বাংলাদেশে একই ঔষধ অনেকগুলো ব্র্যান্ড নামে বিক্রি হয়, তাই প্যাকেটের গায়ে ছোট করে লেখা জেনেরিক নামটা দেখুন।

  • SSRI: সাধারণত প্রথম পছন্দ। যেমন escitalopram, sertraline, fluoxetine। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক কম।
  • SNRI: যেমন venlafaxine, duloxetine। শরীরে ব্যথা সহ ডিপ্রেশনে কখনো কখনো এগুলো দেওয়া হয়।
  • Mirtazapine: ঘুম আর খিদে খুব কমে গেলে অনেক সময় এটা বেছে নেওয়া হয়।
  • পুরনো ঔষধ (TCA): যেমন amitriptyline। এখন ডিপ্রেশনের জন্য কম দেওয়া হয়; বেশি দেওয়া হয় অল্প ডোজে ব্যথা বা ঘুমের জন্য।

কোনটা আপনার জন্য ঠিক, সেটা নির্ভর করে আপনার লক্ষণ, বয়স, অন্য অসুখ, অন্য যে ঔষধ খাচ্ছেন, আর আগে কোনটায় কাজ হয়েছিল তার উপর। এই সিদ্ধান্তটা সাইকিয়াট্রিস্টের।

টেনশনের বা ঘুমের ট্যাবলেট আর ডিপ্রেশনের ঔষধ এক জিনিস না

clonazepam, alprazolam, diazepam জাতীয় ঔষধ (benzodiazepine) অনেক ফার্মেসিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই পাওয়া যায়। অনেকে এগুলোকে “টেনশনের ঔষধ” বলে মাসের পর মাস খান। এগুলো কিছুক্ষণের জন্য অস্থিরতা আর ঘুমের সমস্যা কমায়, কিন্তু ডিপ্রেশন সারায় না। নিয়মিত খেলে অভ্যাস তৈরি হয়, একই কাজের জন্য ডোজ বাড়াতে হয়, আর হঠাৎ বন্ধ করলে অস্থিরতা, ঘুম না হওয়া, এমনকি খিঁচুনির ঝুঁকিও থাকে। চিকিৎসক দিলেও সাধারণত অল্প কয়েক সপ্তাহের জন্য দেন। আপনি যদি অনেক দিন ধরে এগুলো খেয়ে থাকেন, নিজে থেকে হঠাৎ বন্ধ না করে চিকিৎসকের সাথে কথা বলে ধীরে ধীরে কমান।

শুরু করার পর কি আশা করবেন

  • ধৈর্য লাগবে। NHS অনুযায়ী এই ঔষধ সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহে কাজ শুরু করে, আর পুরো ফল পেতে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে। প্রথম কয়েকদিনে ভালো না লাগলে হতাশ হবেন না।
  • শুরুর দিকে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেমন বমি বমি ভাব, ঘুমের পরিবর্তন, মাথা ব্যথা বা অস্থিরতা। অনেক সময় দুই-এক সপ্তাহে এগুলো কমে আসে। যা-ই হোক, চিকিৎসককে জানান।
  • ফলো-আপ জরুরি। শুরুর দিকে চিকিৎসক কয়েক সপ্তাহ পর পর দেখবেন, কাজ করছে কিনা আর কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা।
  • ভালো লাগার পরও চালিয়ে যেতে হয়। সাধারণত ভালো বোধ করার পরও অন্তত ৬ মাস ঔষধ চালিয়ে যেতে বলা হয়, যাতে ডিপ্রেশন আবার ফিরে না আসে। কতদিন খাবেন, সেটা চিকিৎসক ঠিক করবেন।

প্রথম কয়েক সপ্তাহ কেমন যায়, তা নিয়ে আমাদের ইংরেজি গাইডটাও পড়তে পারেন: Starting antidepressants: what to expect।

প্রথম ঔষধে কাজ না হলে কি হবে

অনেকে প্রথম ঔষধে ভালো সাড়া পান, কিন্তু সবাই পান না। এটা খুবই স্বাভাবিক, আর এর মানে এই না যে আপনার ডিপ্রেশন “ভালো হওয়ার না”। যথেষ্ট সময় আর ঠিক ডোজে খাওয়ার পরও উন্নতি না হলে সাইকিয়াট্রিস্ট সাধারণত কয়েকটা জিনিস ভেবে দেখেন: ডোজ ঠিক করা, অন্য দলের ঔষধে বদলানো, অথবা থেরাপি আরও জোরদার করা। ঘুম, থাইরয়েড, মাদক বা অ্যালকোহল, আর জীবনের চলমান চাপও আবার দেখা হয়, কারণ এগুলো ঔষধের কাজ আটকে দিতে পারে।

এই সময় সবচেয়ে জরুরি হলো নিজে নিজে ঔষধ বদলানো বা দোকান থেকে “আরেকটা ভালো ঔষধ” কিনে খাওয়া থেকে বিরত থাকা। কি বদলাবে, সেটা ফলোআপে চিকিৎসকের সাথে বসে ঠিক করুন।

মন খারাপ থাকলে ছোট কাজও অনেক বড় মনে হয়। আজকের জন্য একটা ছোট, সহজ কাজ বেছে নিতে এটা সাহায্য করবে।

এখনই চেষ্টা করুন: ছোট্ট একটা কাজ

সবকিছু ভারী লাগলে, যতটা ছোট ভাবছেন তার চেয়েও ছোট কিছু দিয়ে শুরু করুন। একটা বেছে নিন।

সাইকিয়াট্রিস্টকে যে প্রশ্নগুলো করতে পারেন

অনেকে চেম্বারে গিয়ে সংকোচে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারেন না, পরে বাসায় এসে দুশ্চিন্তা করেন। এই প্রশ্নগুলো লিখে নিয়ে যান:

  • এই ঔষধটা আমাকে কেন দিচ্ছেন, আর কতদিনে কাজ বুঝব?
  • কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, আর কোনটা হলে সাথে সাথে জানাব?
  • দিনের কোন সময় খাব, খাবারের আগে না পরে?
  • একটা ডোজ মিস করলে কি করব?
  • আমার অন্য ঔষধের সাথে কোনো সমস্যা হবে কিনা?
  • পরের ফলোআপ কবে, আর এর মধ্যে সমস্যা হলে কিভাবে যোগাযোগ করব?

কয়েকটা জরুরি সতর্কতা

  • হঠাৎ বন্ধ করবেন না। ভালো লাগছে বলে বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে নিজে থেকে হঠাৎ ঔষধ বন্ধ করলে মাথা ঘোরা, অস্থিরতা, ঘুমের সমস্যা হতে পারে, আর ডিপ্রেশন ফিরে আসার ঝুঁকি বাড়ে। বন্ধ করতে চাইলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলে ধাপে ধাপে কমাতে হয়।
  • ফার্মেসি থেকে নিজে কিনে খাবেন না। বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ কেনা সহজ, কিন্তু অন্যের প্রেসক্রিপশন বা দোকানির পরামর্শে ঔষধ খাওয়া বিপজ্জনক।
  • ঘুমের ওষুধ আর antidepressant এক না। অনেকে বছরের পর বছর শুধু ঘুমের ওষুধ খেয়ে যান। এতে ঘুম হয়তো আসে, কিন্তু ডিপ্রেশনের চিকিৎসা হয় না, আর কিছু ঘুমের ওষুধে অভ্যাস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • মন খারাপ বা অস্থিরতা হঠাৎ বেড়ে গেলে, বিশেষ করে কম বয়সীদের ক্ষেত্রে শুরুর দিকে, সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান।
  • অন্য ওষুধ বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসককে আগেই বলুন।

ঔষধ নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

  • “এগুলোতে নেশা হয়।” antidepressant নেশার ওষুধ না। তবে হঠাৎ বন্ধ করলে শরীরে কিছু অস্বস্তি হতে পারে, তাই কমাতে হয় চিকিৎসকের পরামর্শে।
  • “একবার শুরু করলে সারাজীবন খেতে হবে।” বেশিরভাগ মানুষ নির্দিষ্ট সময় পর চিকিৎসকের পরামর্শে ঔষধ বন্ধ করেন। কারো কারো বারবার ডিপ্রেশন হলে দীর্ঘদিন লাগতে পারে, সেটাও চিকিৎসক বুঝিয়ে বলবেন।
  • “ঔষধ মানুষকে বদলে দেয়।” ঠিক ঔষধ আপনাকে অন্য মানুষ বানায় না, বরং ডিপ্রেশনের ভার কমিয়ে আপনাকে আবার নিজের মতো হতে সাহায্য করে।
  • “ঔষধ খেলে থেরাপি লাগে না।” ঔষধ লক্ষণ কমায়, আর থেরাপি শেখায় কিভাবে চিন্তা আর অভ্যাস বদলে ডিপ্রেশন ফিরে আসা ঠেকানো যায়। দুটো একসাথে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

কখন সাহায্য নেবেন

দুই সপ্তাহের বেশি মন খারাপ, আগ্রহ হারানো, ঘুম বা খাওয়ার পরিবর্তন থাকলে একজন সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে কথা বলুন। ঔষধ লাগবে কিনা, সেটা অ্যাসেসমেন্টের পরই বোঝা যাবে। যদি কখনো নিজের ক্ষতি করার বা মরে যাওয়ার চিন্তা আসে, সাথে সাথে ৯৯৯-এ কল করুন অথবা কাছের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

চাম ওয়েলনেসে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টের পাশাপাশি BMDC-নিবন্ধিত সাইকিয়াট্রিস্টও আছেন, তাই থেরাপি আর ঔষধের চিকিৎসা একসাথে সমন্বয় করা যায়। আমাদের ডিপ্রেশনের চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং সম্পর্কে জানুন, সাইকিয়াট্রিস্ট বাছাই নিয়ে পড়ুন ঢাকার সেরা সাইকিয়াট্রিস্ট গাইড, অথবা সরাসরি সেশন বুক করুন। ডিপ্রেশনের লক্ষণ আর কারণ নিয়ে বিস্তারিত পাবেন আমাদের মূল লেখা ডিপ্রেশন (বিষণ্নতা) কি-তে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ডিপ্রেশনের ঔষধ কি সবার লাগে?

না। হালকা ডিপ্রেশনে অনেকের শুধু থেরাপিতেই কাজ হয়। মাঝারি বা তীব্র ডিপ্রেশনে, বা থেরাপিতে যথেষ্ট উন্নতি না হলে সাইকিয়াট্রিস্ট ঔষধের কথা ভাবেন।

ডিপ্রেশনের ওষুধ কতদিন খেতে হয়?

সাধারণত ভালো বোধ করার পরও অন্তত ৬ মাস চালিয়ে যেতে বলা হয়। সঠিক সময়টা আপনার অবস্থা দেখে চিকিৎসক ঠিক করবেন।

ডিপ্রেশনের ঔষধ খেলে কি নেশা হয়?

antidepressant নেশার ওষুধ না। তবে হঠাৎ বন্ধ করলে অস্বস্তি হতে পারে, তাই বন্ধ করতে হয় চিকিৎসকের পরামর্শে ধাপে ধাপে।

ঔষধ কাজ করতে কত দিন লাগে?

সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহে কিছুটা পরিবর্তন শুরু হয়, পুরো ফল পেতে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে। এর মধ্যে নিজে থেকে বন্ধ করবেন না।

সাইকোলজিস্ট কি ঔষধ দিতে পারেন?

না। সাইকোলজিস্ট থেরাপি দেন। ঔষধ দিতে পারেন শুধু সাইকিয়াট্রিস্ট বা যোগ্য চিকিৎসক।

প্রেগন্যান্সি বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় কি ঔষধ খাওয়া যায়?

অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ বিকল্প আছে, তবে সিদ্ধান্তটা অবশ্যই সাইকিয়াট্রিস্ট নেবেন। গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর কথা চিকিৎসককে আগেই জানান।

ডিপ্রেশনের ঔষধে কি ওজন বাড়ে বা যৌন সমস্যা হয়?

কিছু ঔষধে কারো কারো ওজন বাড়া, যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া বা এ ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, তবে সবার হয় না, আর ঔষধভেদে আলাদা। লজ্জায় চুপ করে থেকে ঔষধ বন্ধ করে দেবেন না। চিকিৎসককে খোলাখুলি বলুন; অনেক সময় ডোজ বা ঔষধ বদলে সমস্যাটা কমানো যায়।

মানসিক টেনশন দূর করার জন্য কোন ওষুধ ভালো?

নিজে থেকে খাওয়ার মতো “ভালো” কোনো ওষুধ নেই। লম্বা সময়ের টেনশন বা অ্যাংজাইটির প্রথম চিকিৎসা সাধারণত থেরাপি আর ঘুম, ব্যায়ামের মতো কিছু অভ্যাস বদলানো। দরকার হলে সাইকিয়াট্রিস্ট SSRI জাতীয় ঔষধ দিতে পারেন, যেটা অভ্যাস তৈরি করে না। ফার্মেসি থেকে ঘুমের বা টেনশনের ট্যাবলেট কিনে খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

হোমিও বা হারবাল ঔষধে কি ডিপ্রেশন সারে?

ডিপ্রেশনে হোমিওপ্যাথি কাজ করে এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। কিছু হারবাল জিনিস (যেমন St John’s wort) আবার অন্য ঔষধের সাথে মিশে বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া করতে পারে। কিছু খেলে সাইকিয়াট্রিস্টকে জানান, আর এগুলোর ভরসায় আসল চিকিৎসা বন্ধ করবেন না।

ডিপ্রেশনের ঔষধ খেলে কি সারাদিন ঘুম ঘুম লাগে?

কিছু ঔষধে প্রথম কয়েক সপ্তাহ ঘুম ঘুম ভাব বা ক্লান্তি লাগতে পারে, আবার কিছুতে উল্টো ঘুম কমে যায়। অনেক সময় খাওয়ার সময় বদলালে (রাতে বা সকালে) সমস্যাটা কমে। গাড়ি বা বাইক চালানোর আগে নিজের অবস্থা বুঝে নিন, আর সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে বলুন।

How this article was made
Written by
Chum Wellness editorial team
Clinically reviewed by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
Last updated
October 7, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3
Talk to a psychologist50+ licensed psychologists, online across Bangladesh or in person, in Bangla or English.Book a session

Keep Reading

Psychotic Depression: Symptoms, Risks and Treatmentপোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন: প্রসবের পর মন খারাপ কখন চিন্তার কারণAtypical Depression: Signs, Causes and Treatment

Psychologists who help with depression

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

Mst. Swampa
Mst. SwampaSenior Clinical Psychologist · 16+ yearsHelps with depression, ADHDFrom ৳3,000ProfileBook
Farah Tabassum Shamma
Farah Tabassum ShammaAssistant Clinical Psychologist · 7+ yearsHelps with depression, anxietyFrom ৳2,500ProfileBook
Nazme Ara
Nazme AraClinical Psychologist · 18+ yearsHelps with depression, BPD & personality disordersFrom ৳3,000ProfileBook
See all psychologists →