নিজেকে বা চারপাশ অচেনা লাগে? ডিপার্সোনালাইজেশন ও ডিরিয়েলাইজেশন

Ishrat Shermin Rahman
Clinical reviewerIshrat Shermin RahmanClinical Psychologist · M.Sc. & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast updated October 2026 · How we review

হঠাৎ করে নিজেকে অচেনা লাগা, যেন আপনি নিজের শরীরের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজেকেই দেখছেন, কিংবা চারপাশের চেনা ঘর, চেনা মানুষ, চেনা রাস্তা সবকিছু স্বপ্নের মতো, ধোঁয়াশা আর অবাস্তব মনে হওয়া, এই অনুভূতি অনেক ভয় ধরায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে বসে অনেক মানুষ চুপচাপ এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে ভয় পান, ভাবেন হয়তো তিনি “পাগল” হয়ে যাচ্ছেন। এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় বুঝব এই অনুভূতির নাম কী, কেন হয় এবং কীভাবে সামলানো যায়।

প্রথমেই একটি স্বস্তির কথা বলি। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, নিজেকে বা চারপাশকে অবাস্তব, স্বপ্নের মতো লাগার এই অনুভূতি প্রায়ই প্রচণ্ড অ্যাংজাইটি বা চাপের সময় মনের নিজেকে বাঁচানোর একটা সাময়িক উপায়। এটি পাগল হয়ে যাওয়া নয়, আর নিয়ন্ত্রণও হারাচ্ছেন না আপনি। এর একটা নাম আছে, ব্যাখ্যা আছে, আর এটা থেকে বের হওয়ার উপায়ও আছে। চাম ওয়েলনেসে আমরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি এবং সারা বাংলাদেশজুড়ে অনলাইনে এই ধরনের সমস্যায় পাশে থাকি।

ডিপার্সোনালাইজেশন ও ডিরিয়েলাইজেশন আসলে কী

মন যখন অতিরিক্ত চাপ, ভয় বা অ্যাংজাইটি সামলাতে হিমশিম খায়, তখন কখনো কখনো নিজেকে বাস্তবতা থেকে সাময়িকভাবে “আলাদা” করে ফেলে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই দূরত্বের অনুভূতিকে বলা হয় ডিসোসিয়েশন বা বিচ্ছিন্নতা। এর দুটি খুব পরিচিত রূপ রয়েছে।

ডিপার্সোনালাইজেশন: নিজের থেকে বিচ্ছিন্ন লাগা

ডিপার্সোনালাইজেশন মানে নিজেকে নিজের থেকে আলাদা লাগা। এই সময় মানুষ প্রায়ই যেভাবে বর্ণনা করেন:

  • মনে হয় আমি যেন একটা রোবট বা যন্ত্র, ভেতরে কোনো অনুভূতি কাজ করছে না।
  • নিজের হাত, মুখ বা কণ্ঠস্বর অচেনা লাগে, যেন এগুলো আমার নয়।
  • নিজেকে যেন বাইরে থেকে, সিনেমার পর্দার মতো করে দেখছি।
  • আবেগ ভোঁতা হয়ে যায়, প্রিয় মানুষের প্রতিও কিছু অনুভব করতে পারি না।

এখানেই মূল কষ্টটা লুকিয়ে থাকে। নিজেকে অচেনা লাগার এই অনুভূতি এতটাই অদ্ভুত যে অনেকে ভয় পেয়ে যান, আর সেই ভয় আবার অনুভূতিটাকে আরও তীব্র করে তোলে।

ডিরিয়েলাইজেশন: চারপাশ অবাস্তব লাগা

ডিরিয়েলাইজেশন হলো চারপাশের জগতকে অবাস্তব বা অচেনা মনে হওয়া। ঢাকার চেনা অলিগলি, ধানমন্ডির লেক, নিজের ঘর, সবকিছু হঠাৎ অন্যরকম লাগে। সাধারণ বর্ণনাগুলো এমন:

  • চারপাশ যেন কাচের দেয়ালের ওপারে, একটা স্বপ্নের মতো লাগা ভাব।
  • রং ফ্যাকাশে বা অস্বাভাবিক উজ্জ্বল মনে হয়, শব্দ যেন দূর থেকে আসছে।
  • চেনা মানুষ বা জায়গা হঠাৎ অপরিচিত মনে হয়।
  • সময় ধীরে বা দ্রুত বইছে বলে মনে হয়, নিজের চারপাশে নিজেকে অবাস্তব লাগা।

ডিপার্সোনালাইজেশন আর ডিরিয়েলাইজেশন প্রায়ই একসঙ্গে ঘটে, তাই দুটোকে একসঙ্গে বলা হয়। ভালো খবর হলো, এই অভিজ্ঞতার সময়ও আপনি জানেন যে এটি বাস্তব নয়, এটা যে আপনি বুঝতে পারছেন, সেটাই প্রমাণ করে আপনি বাস্তব থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যাননি।

কেন এমন হয়: মন নিজেকে বাঁচাতে চায়

মানুষের মন বিপদ বা অসহনীয় চাপের মুখে নিজেকে বাঁচাতে চেষ্টা করে। যখন অ্যাংজাইটি, ভয় বা মানসিক যন্ত্রণা একটা নির্দিষ্ট সীমা পার করে, তখন মস্তিষ্ক যেন একটা “সুইচ” টিপে অনুভূতির তীব্রতা কমিয়ে দেয়। এই দূরত্ব তৈরি করাই ডিসোসিয়েশন। এটা আসলে টিকে থাকার একটা পুরোনো কৌশল, ক্ষতিকর কিছু না। সাধারণত যেসব কারণে হয়:

তীব্র অ্যাংজাইটি ও প্যানিক

প্যানিক অ্যাটাক বা তীব্র অ্যাংজাইটির সময় বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি অনেকেরই নিজেকে অচেনা লাগা শুরু হয়। অ্যাংজাইটি কীভাবে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, তা বিস্তারিত বুঝতে পড়তে পারেন প্যানিক অ্যাটাক ও বুক ধড়ফড় নিয়ে আমাদের লেখাটি। অ্যাংজাইটি আর ডিরিয়েলাইজেশন প্রায়ই একসাথে আসে।

দীর্ঘস্থায়ী চাপ ও ক্লান্তি

লম্বা সময় ধরে ঘুমের অভাব, পরীক্ষার চাপ, অফিসের বার্নআউট (দিনের পর দিন চাপে একেবারে ফুরিয়ে যাওয়া) বা পারিবারিক টানাপোড়েন মনকে ক্রমাগত সতর্ক অবস্থায় রাখে। অনেকদিনের এই চাপ থেকেও নিজেকে আলাদা লাগা শুরু হতে পারে।

ট্রমা বা কঠিন অভিজ্ঞতা

শৈশবের কঠিন অভিজ্ঞতা, দুর্ঘটনা, শোক বা কোনো ট্রমা (গভীর মানসিক আঘাত) থেকেও মন নিজেকে রক্ষা করতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এমন হলে একজন সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়া খুব দরকার।

অন্যান্য কারণ

  • অতিরিক্ত ক্যাফেইন, ঘুমের ওষুধ বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রভাব।
  • মাইগ্রেন বা কিছু স্নায়বিক সমস্যা।
  • বিষণ্নতা বা দীর্ঘমেয়াদি অ্যাংজাইটির সমস্যা।

একটা জরুরি কথা: যেহেতু কিছু শারীরিক ও স্নায়বিক কারণেও এমন অনুভূতি হতে পারে, তাই লক্ষণ যদি বারবার বা তীব্র হয়, তবে একজন যোগ্য চিকিৎসকের মাধ্যমে শারীরিক দিকগুলো পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। ওষুধ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য চিকিৎসকের সাথে নিতে হবে, নিজে থেকে কোনো ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।

ভয়ের চক্র: কেন অনুভূতিটা আটকে থাকে

ডিপার্সোনালাইজেশনের সবচেয়ে কষ্টদায়ক দিক হলো এর ভয়ের চক্র। প্রথমে চাপ বা অ্যাংজাইটি থেকে অনুভূতিটা শুরু হয়। এরপর মানুষ ভাবেন, “আমার কি বড় কোনো সমস্যা হয়েছে, আমি কি স্বাভাবিক থাকব না?” এই ভয় নিজেই একটা নতুন অ্যাংজাইটি তৈরি করে, আর সেই অ্যাংজাইটি অনুভূতিটাকে আরও লম্বা করে টেনে নেয়। এভাবে একটা লুপ তৈরি হয়।

এই চক্র ভাঙার প্রথম ধাপ হলো বোঝা যে অনুভূতিটা অস্বস্তিকর হলেও বিপজ্জনক নয়। এটাকে “শত্রু” না ভেবে, “আসছে, চলেও যাবে” ভাবতে শিখলে এটা তাড়াতাড়ি হালকা হয়। একা একা এভাবে ভাবা কঠিন, তাই থেরাপি এখানে অনেক কাজে দেয়।

নিজে নিজে যা করতে পারেন

বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি চলাকালীন কিছু সহজ কৌশল মনকে আবার বর্তমানে, বাস্তবে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এগুলোকে বলে গ্রাউন্ডিং টেকনিক।

৫-৪-৩-২-১ ইন্দ্রিয় ব্যায়াম

ধীরে ধীরে খেয়াল করুন এবং মনে মনে বলুন: আশপাশে পাঁচটি জিনিস যা আপনি দেখছেন, চারটি জিনিস যা ছুঁতে পারছেন, তিনটি শব্দ যা শুনছেন, দুটি গন্ধ এবং একটি স্বাদ। এতে মন ভয় থেকে সরে এই মুহূর্তে ফিরে আসে।

শরীরকে সজাগ করা

  • হাতে-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন, কিংবা বরফের টুকরো ধরে রাখুন।
  • পায়ের পাতা মেঝেতে শক্ত করে চেপে ধরুন, জুতার ভেতরে আঙুল নাড়ুন।
  • খানিকটা হেঁটে আসুন বা হালকা স্ট্রেচ করুন।
  • একটু শক্ত স্বাদের কিছু, যেমন এলাচ বা লবঙ্গ মুখে নিন।

শ্বাস ধীর করা

ধীর ও গভীর শ্বাস শরীরের সতর্ক অবস্থা কমায়। নাক দিয়ে চার গুনে শ্বাস নিন, খানিকক্ষণ ধরে রাখুন, তারপর ছয় গুনে ধীরে ছাড়ুন। কয়েক মিনিট করলেই স্নায়ু কিছুটা শান্ত হয়। অ্যাংজাইটি কমানোর আরও ব্যবহারিক কৌশল পাবেন দুশ্চিন্তা কমানোর উপায় নিয়ে আমাদের বিস্তারিত লেখায়।

প্রতিদিনের অভ্যাস

  • নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম, কারণ ঘুমের অভাব বিচ্ছিন্নতা বাড়ায়।
  • ক্যাফেইন ও নেশাজাতীয় দ্রব্য কমানো।
  • মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটানা অতিরিক্ত সময় কমানো, কারণ দীর্ঘ স্ক্রিন-টাইম অনেকের অবাস্তব লাগার অনুভূতি বাড়ায়।
  • প্রিয় মানুষের সঙ্গে কথা বলা, নিজেকে একা করে না ফেলা।

মনে রাখবেন, এই কৌশলগুলো সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু আসল কারণ, বিশেষ করে অ্যাংজাইটি বা ট্রমা, নিয়ে কাজ করতে সাইকোলজিস্টের সাহায্য লাগে।

এখনই একটু চেষ্টা করুন

দুই মিনিট লাগবে। একটা ধাপ পড়ুন, তারপর চোখ তুলে করুন।

৫

চারপাশে তাকান। দেখতে পাচ্ছেন এমন পাঁচটা জিনিসের নাম মনে মনে বলুন।

ধীরে ধীরে, তাড়াহুড়ো না করে।

কখন সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেবেন

মাঝেমধ্যে ক্লান্তি বা চাপের সময় ক্ষণিকের জন্য এমন অনুভূতি হওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক এবং নিজে থেকেই কেটে যায়। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট বা কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলা উচিত।

  • নিজেকে অচেনা লাগা বা চারপাশ অবাস্তব লাগার অনুভূতি বারবার ফিরে আসছে বা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে।
  • এই অনুভূতির কারণে আপনার পড়াশোনা, চাকরি, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
  • সঙ্গে তীব্র অ্যাংজাইটি, প্যানিক অ্যাটাক বা বিষণ্নতা রয়েছে।
  • অতীতের কোনো ট্রমা বা কঠিন অভিজ্ঞতা বারবার মনে পড়ছে।
  • ভয়ের চক্রে আটকে গেছেন এবং একা বেরোতে পারছেন না।

সাহায্য নেওয়া দুর্বলতা না; নিজের খেয়াল রাখতে সাহস লাগে। চাম ওয়েলনেসে থেরাপিতে সাধারণত অ্যাংজাইটি সামলানো, ভয়ের চক্র ভাঙা, গ্রাউন্ডিং দক্ষতা তৈরি এবং প্রয়োজনে ট্রমা নিয়ে কাজ করা হয়। অনেকে কয়েকটা সেশনেই বেশ হালকা বোধ করেন, তবে সবার ক্ষেত্রে সময়টা এক না।

বিশ্বাস আর থেরাপি একসাথে

আমাদের দেশে অনেকেই কঠিন সময়ে প্রার্থনা, জিকির বা ধ্যানে স্বস্তি খোঁজেন, আর এটি সত্যিই মানসিক শান্তির একটি সহায় হতে পারে। ধর্মবিশ্বাস আর থেরাপি একটা আরেকটার প্রতিদ্বন্দ্বী না, বরং একসাথে চলে। বিশ্বাসের চর্চা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল সহায়তা নেওয়া দুটোই একসঙ্গে চলতে পারে।

ঢাকা ও সারা বাংলাদেশে সহায়তা

চাম ওয়েলনেসে সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরদের সঙ্গে আপনি গোপনীয়তা বজায় রেখে কথা বলতে পারেন। আমরা সারা বাংলাদেশে অনলাইনে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সেশন দিই, তাই আপনি ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, দেশের যেখানেই থাকুন না কেন, সহায়তা হাতের নাগালেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে নির্দিষ্ট সাইকোলজিস্টের সাথে সেশন ফি ৬৯৯ টাকা থেকে।

নিজেকে অচেনা লাগা বা চারপাশ স্বপ্নের মতো লাগার এই অভিজ্ঞতা একা বয়ে বেড়ানোর দরকার নেই। এটি আপনার দুর্বলতা নয়, আর এর সঙ্গে কাজ করার কার্যকর পথ আছে। আজই শুরু করুন এবং আমাদের অ্যাংজাইটি কাউন্সেলিং সম্পর্কে জেনে নিন, অথবা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন। আবার নিজেকে চেনা আর চারপাশে স্বস্তি ফিরে পাওয়া সম্ভব, আর এতে আপনি একা না।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

নিজেকে অচেনা লাগা মানে কি আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি?

না। নিজেকে বা চারপাশকে অবাস্তব ও স্বপ্নের মতো লাগা প্রায়ই প্রচণ্ড অ্যাংজাইটি বা চাপের সময় মনের নিজেকে বাঁচানোর একটা সাময়িক উপায়, পাগল হয়ে যাওয়া নয়। এই সময়ও আপনি জানেন যে অনুভূতিটা বাস্তব নয়, মানে আপনি বাস্তব থেকে হারিয়ে যাননি। তবে লক্ষণ বারবার বা তীব্র হলে একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলা ভালো।

ডিপার্সোনালাইজেশন আর ডিরিয়েলাইজেশনের পার্থক্য কী?

ডিপার্সোনালাইজেশন হলো নিজের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন লাগা, যেমন নিজেকে বাইরে থেকে দেখা বা নিজের শরীর অচেনা লাগা। আর ডিরিয়েলাইজেশন হলো চারপাশের জগতকে অবাস্তব, ধোঁয়াশা বা স্বপ্নের মতো লাগা। দুটো প্রায়ই একসঙ্গে ঘটে এবং সাধারণত অ্যাংজাইটি, চাপ বা ক্লান্তির সঙ্গে যুক্ত।

অনুভূতিটা শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে কী করতে পারি?

গ্রাউন্ডিং কৌশল সাহায্য করে। ৫-৪-৩-২-১ ইন্দ্রিয় ব্যায়াম করুন, ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন, পায়ের পাতা মেঝেতে চেপে ধরুন এবং ধীরে গভীর শ্বাস নিন। এগুলো মনকে বর্তমানে ফিরিয়ে আনে। তবে বারবার হলে আসল কারণ নিয়ে কাজ করতে কাউন্সেলিং দরকার।

এর জন্য কি ওষুধ লাগবে?

ওষুধের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত একজন ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন; নিজে নিজে কোনো ওষুধ শুরু বা বন্ধ করবেন না। অনেক ক্ষেত্রে অ্যাংজাইটি সামলানো ও থেরাপির মাধ্যমেই লক্ষণীয় উন্নতি হয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক শারীরিক দিকগুলো পরীক্ষা করে পরামর্শ দেবেন।

চাম ওয়েলনেসে কীভাবে সাহায্য পাব?

চাম ওয়েলনেসে সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরদের সঙ্গে গোপনীয়তা বজায় রেখে কথা বলতে পারেন। আমরা সারা বাংলাদেশে অনলাইনে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সেশন দিই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে নির্দিষ্ট সাইকোলজিস্টের সাথে সেশন ফি ৬৯৯ টাকা থেকে। অ্যাংজাইটি কাউন্সেলিং পেজ থেকে বিস্তারিত জেনে সেশন বুক করতে পারেন।

How this article was made
Written by
Farzana Sultana Nila, Clinical Psychologist
Clinical reviewer
Ishrat Shermin Rahman, Clinical Psychologist
Last updated
October 29, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and clinically reviewed by a certified psychologist or psychiatrist who specialises in its topic. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Farzana Sultana Nila
Talk to FarzanaThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Farzana

Keep Reading

মাতৃত্বের ক্লান্তি ও “খারাপ মা” বলে বিচার: মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্যকৃতজ্ঞতা ও মানসিক সুস্থতা: ছোট অভ্যাসে বড় পরিবর্তনধর্মীয় অনুশীলন ও মানসিক স্বাস্থ্য: নামাজ, দোয়া ও পেশাদার সহায়তা একসাথে

Psychologists who help with anxiety & stress

Book a confidential session with a certified psychologist at Chum Wellness.

Mst. Swampa
Mst. SwampaSenior Clinical Psychologist · 16+ yearsHelps with anxiety, stress & burnoutFrom ৳3,000ProfileBook
Dr. Afsana Benta Anowar
Dr. Afsana Benta AnowarPsychiatrist · 7+ yearsHelps with anxiety, depressionFrom ৳2,500ProfileBook
Fahiya Rahman
Fahiya RahmanAssistant Clinical Psychologist · 10+ yearsHelps with anxiety, stressFrom ৳2,500ProfileBook
See all psychologists →