প্রিয়জনকে থেরাপি নিতে উৎসাহিত করা: জোর নয়, পাশে থেকে

Mst. Swampa
Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed October 2026 · How we review

আমাদের কাছের মানুষটি যখন ভেতরে ভেতরে কষ্ট পান, তখন আমরা সবার আগে চাই তিনি ভালো হয়ে উঠুন। কিন্তু প্রিয়জনকে থেরাপি নিতে উৎসাহিত করা বাংলাদেশের বাস্তবতায় সহজ কাজ নয়। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে অনেক পরিবারেই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলাখুলি কথা বলার অভ্যাস এখনো গড়ে ওঠেনি। ফলে একজন উদ্বিগ্ন বা বিষণ্ন মানুষকে যখন সরাসরি বলা হয় “তোমার সমস্যা আছে, ডাক্তার দেখাও”, তখন তিনি সাহায্য নেওয়ার বদলে রেগে যান, লজ্জা পান বা পুরোপুরি অস্বীকার করে বসেন।

এই লেখায় আমরা আলোচনা করব কীভাবে জোর না করে, বরং পাশে থেকে, ধৈর্য ধরে একজন প্রিয় মানুষকে কাউন্সেলিং বা থেরাপির দিকে আলতো করে এগিয়ে দেওয়া যায়। ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম কিংবা দেশের যেকোনো প্রান্তে, এই নীতিগুলো প্রায় একইভাবে কাজ করে। মূল কথা একটাই: চাপ না দিয়ে পাশে থাকুন। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, মানুষ সাহায্য নিতে রাজি হন তখনই, যখন তার মনে হয় কেউ তাকে জাজ করছে না, বুঝতে চাইছে।

কেন “ডাক্তার দেখাও” বললে অনেকে রেগে যান

প্রিয়জনকে থেরাপির কথা বলার আগে বোঝা দরকার, কেন সরাসরি প্রস্তাব প্রায়ই উল্টো ফল দেয়। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, “তোমার সমস্যা আছে, ডাক্তার দেখাও” এই কথাটি অনেকের কানে অভিযোগের মতো শোনায়। মানুষটি ভাবেন, তাকে “পাগল” বা “দুর্বল” বলা হচ্ছে। এভাবে তেড়ে ওঠা বা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া (defensive হয়ে যাওয়া) খুবই স্বাভাবিক।

এর পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করে:

  • সামাজিক লজ্জা: আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যকে এখনো অনেকে দুর্বলতা হিসেবে দেখেন। থেরাপির প্রস্তাব শুনে মানুষটি ভাবেন, তার “কমতি” ধরা পড়ে গেছে।
  • অস্বীকারের প্রবণতা: যিনি কষ্টে আছেন, তিনি অনেক সময় নিজেই মানতে চান না যে তার সাহায্য দরকার। সরাসরি বললে এই অস্বীকার আরও শক্ত হয়ে যায়।
  • নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়: কাউকে জোর করা হচ্ছে মনে হলে সে স্বাভাবিকভাবেই পিছিয়ে যায়।
  • ভুল ধারণা: অনেকে মনে করেন কাউন্সেলিং মানে শুধু “গুরুতর মানসিক রোগীদের” জন্য, অথচ বাস্তবে এটি দৈনন্দিন চাপ, সম্পর্কের টানাপোড়েন বা দুশ্চিন্তাতেও সাহায্য করে।

তাই প্রথম ধাপ হলো নিজের ভাষা বদলানো। “তোমার সমস্যা” থেকে সরে গিয়ে “আমি তোমার জন্য চিন্তিত” এই সুরে কথা বললে দরজাটা বন্ধ হওয়ার বদলে খানিকটা খোলে।

জোর নয়, চিন্তার কথা বলুন: কীভাবে কথা শুরু করবেন

প্রিয়জনকে থেরাপি নিতে উৎসাহিত করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অভিযোগ না করে বলা যে তাকে নিয়ে আপনার চিন্তা হচ্ছে। শুনতে ছোট তফাত, কিন্তু কাজ করে অনেক বেশি। “তুমি সারাদিন ঘরে বসে থাকো, তোমার সমস্যা আছে” আর “আমি খেয়াল করছি ইদানীং তুমি একটু চুপচাপ, তুমি কি ঠিক আছো?” এই দুই বাক্যের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত।

“আমি” দিয়ে কথা শুরু করুন

“তুমি” দিয়ে শুরু করা বাক্য প্রায়ই দোষারোপের মতো শোনায়। বদলে নিজের অনুভূতি দিয়ে শুরু করুন:

  • “তোমাকে নিয়ে আমার একটু চিন্তা হচ্ছে, কারণ আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
  • “ইদানীং তোমাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে, আমি শুধু জানতে চাই তুমি কেমন আছো।”
  • “তোমার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলতে চাই, যদি তোমার সময় হয়।”

এই ধরনের কথায় মানুষটি বুঝতে পারেন, তাকে আক্রমণ করা হচ্ছে না, বরং তার পাশে কেউ আছে।

সঠিক সময় ও জায়গা বেছে নিন

থেরাপির কথাটা তাড়াহুড়ো করে তোলার জিনিস না। ভরা মজলিসে, রাগের মুহূর্তে বা অন্যদের সামনে এই কথা তুললে হিতে বিপরীত হয়। বরং একান্তে, শান্ত পরিবেশে, যখন দুজনেরই মন খানিকটা স্থির, তখন আলাপটা তুলুন। ঢাকার ব্যস্ত জীবনে এমন সময় বের করা কঠিন, তবু চেষ্টা করুন এমন একটা মুহূর্ত খুঁজতে যখন কেউ তাড়া দিচ্ছে না।

এখনই চেষ্টা করুন: কষ্টে থাকা কাউকে কী বলবেন

কোনো কথায় ট্যাপ করুন, দেখুন কেন তা সাহায্য করে বা কষ্ট দেয়।

আগে শুনুন, পরে বলুন

আমরা প্রায়ই ভাবি, প্রিয়জনকে সাহায্য করা মানে তাকে সমাধান বলে দেওয়া। কিন্তু আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় বারবার দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষ প্রথমে চান শুধু কেউ তার কথা মন দিয়ে শুনুক। উপদেশ পরে; আগে তার মনে হওয়া দরকার যে আপনার কাছে সব বলা যায়।

ভালোভাবে শোনার কিছু বাস্তব উপায়:

  • বাধা দেবেন না: তিনি যখন কথা বলছেন, মাঝপথে থামিয়ে নিজের মত চাপিয়ে দেবেন না।
  • অনুভূতি স্বীকার করুন: “এটা সত্যিই কঠিন সময়” বা “তোমার এমন লাগাটা স্বাভাবিক” এই ধরনের কথা মানুষকে হালকা করে।
  • তুলনা করবেন না: “আরে, আমারও তো এমন হয়” বা “অন্যদের তো আরও কষ্ট” বললে তার কষ্ট ছোট করে দেখানো হয়।
  • প্রশ্ন করুন, রায় দেবেন না: “তুমি কী নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত?” এমন খোলা প্রশ্ন করুন।

কেউ মন দিয়ে শুনছে, এটা টের পেলে মানুষ নিজেই আস্তে আস্তে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করে। সাহায্য নিতে রাজি করানোর আসল শুরুটা এখান থেকেই।

থেরাপি সম্পর্কে ভুল ধারণা ভাঙা

অনেকে থেরাপি নিতে চান না কারণ থেরাপি আসলে কী, সে সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট বা ভুল। প্রিয়জনকে কাউন্সেলিং নিতে রাজি করানোর একটা বড় অংশ হলো এই ভুল ধারণাগুলো নরমভাবে দূর করা।

  • “থেরাপি শুধু পাগলদের জন্য”: বাস্তবে অনেক সুস্থ, সফল মানুষও জীবনের চাপ সামলাতে কাউন্সেলিং নেন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের যত্ন নেওয়ার একটা সাহসী সিদ্ধান্ত।
  • “শুধু ওষুধ দেবে”: কাউন্সেলিং মানে সবসময় ওষুধ নয়। একজন সাইকোলজিস্ট মূলত কথা বলার মাধ্যমে, নানা কৌশলের মাধ্যমে সাহায্য করেন। ওষুধ প্রয়োজন হলে তা কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই নেওয়া হয়।
  • “লোকে জানলে কী বলবে”: কাউন্সেলিংয়ে যা বলবেন, পুরোটাই গোপন থাকে। যা কথা হয়, তা দুজনের মধ্যেই থাকে।
  • “একবার গেলে বারবার যেতে হবে”: থেরাপির সময়কাল প্রত্যেকের প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা। এটা কোনো আজীবনের বাঁধন নয়।

এই ভুল ধারণাগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আপনি পড়তে পারেন থেরাপিস্টের কাছে যাওয়া কি লজ্জার লেখাটি, যা প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করার জন্যও উপযোগী।

সঠিক সময়ে নরম প্রস্তাব দেওয়া

শোনা ও বোঝার পর, যখন মানুষটি খানিকটা খুলেছেন, তখন আসে প্রস্তাব দেওয়ার সময়। কিন্তু এই প্রস্তাবটাও হতে হবে নরম, চাপমুক্ত এবং সম্মানজনক। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, প্রস্তাবকে “নির্দেশ” না বানিয়ে “একটা সম্ভাবনা” হিসেবে রাখলে মানুষ বেশি সাড়া দেন।

প্রস্তাব দেওয়ার নরম ভাষা

  • “একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বললে হয়তো একটু হালকা লাগত, তুমি কি এটা নিয়ে ভেবে দেখবে?”
  • “আমি শুনেছি কথা বলার মাধ্যমেও অনেক কিছু সহজ হয়ে যায়, চাইলে আমরা একসাথে খোঁজ নিতে পারি।”
  • “তোমাকে একা যেতে হবে না, আমি তোমার সাথে থাকব যদি তুমি চাও।”

খেয়াল করুন, প্রতিটি বাক্যে সিদ্ধান্তের ভার তার হাতেই রাখা হয়েছে। “তুমি কি ভেবে দেখবে”, “চাইলে” এই শব্দগুলো তাকে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেয়। সিদ্ধান্তটা নিজের মনে হলে মানুষ সেটা ধরে রাখে বেশি।

একবারে হ্যাঁ না পেলে হতাশ হবেন না

অনেক সময় প্রথম প্রস্তাবেই কেউ রাজি হন না। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কথাটা তার মাথায় ঢুকে গেছে, এখন একটু সময় দিন। কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ পর আবার আলতো করে প্রসঙ্গটা তুলতে পারেন। এখানে সবচেয়ে বেশি লাগবে ধৈর্য। জোরাজুরি করলে বরং মানুষটি আরও দূরে সরে যেতে পারেন।

বাস্তব সহায়তা: প্রথম ধাপটা সহজ করে দিন

কখনো কখনো মানুষ থেরাপি নিতে রাজি থাকলেও প্রথম ধাপটাই তাদের কাছে পাহাড়সমান মনে হয়। কোথায় যাব, কীভাবে যোগাযোগ করব, কাকে বিশ্বাস করব, এই প্রশ্নগুলোই আটকে দেয়। এখানে আপনি বাস্তব সাহায্য করতে পারেন:

  • খোঁজ নিতে সাহায্য করুন: একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্ট খুঁজে দিতে সাহায্য করুন। বাংলাদেশে অনলাইনে সারা দেশ থেকে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সেশন নেওয়ার সুযোগ আছে।
  • প্রথম যোগাযোগে পাশে থাকুন: চাইলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার সময় তার পাশে বসুন, যাতে সে একা বোধ না করে।
  • যাতায়াতে সহায়তা: ঢাকার যানজটে সেশনে যাওয়া কঠিন হতে পারে। অনলাইন সেশনের কথা মনে করিয়ে দিন, যা ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রাম, যেখানেই তিনি থাকুন, ঘরে বসেই নেওয়া সম্ভব।

সঠিক থেরাপিস্ট কীভাবে বেছে নেবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন সঠিক থেরাপিস্ট কীভাবে বাছবেন লেখাটি। এটি প্রিয়জনকে সিদ্ধান্ত নিতে ব্যবহারিকভাবে সাহায্য করবে।

নিজের যত্নও নিন

একজন কষ্টে থাকা মানুষের পাশে দিনের পর দিন থাকা মানসিকভাবে ক্লান্তিকর হতে পারে। আপনি যদি নিজেই ভেঙে পড়েন, তাহলে অন্যকে সহায়তা করা কঠিন হয়ে যায়। তাই নিজের বিশ্রাম, নিজের অনুভূতির যত্ন নেওয়াও জরুরি। প্রয়োজনে আপনিও একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলতে পারেন, কীভাবে প্রিয়জনকে সাহায্য করবেন সেই বিষয়ে পরামর্শ নিতে।

মনে রাখবেন, আপনি প্রিয়জনের থেরাপিস্ট নন। আপনার কাজ তাকে সঠিক সাহায্যের দিকে পথ দেখানো, তার চিকিৎসা নিজে করা নয়। এই সীমাটা মাথায় রাখলে আপনি আর সে, দুজনেই ভালো থাকবেন।

কখন সাইকোলজিস্ট দেখানো দরকার

কিছু লক্ষণ দেখলে দেরি না করে সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়া উচিত। প্রিয়জনের মধ্যে যদি নিচের বিষয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে দেখেন, তাহলে একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলে নেওয়াই ভালো:

  • অনেক দিন ধরে মন খারাপ, কিছুতে আগ্রহ না পাওয়া বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।
  • ঘুম বা খাওয়ার অভ্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন।
  • কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কে স্পষ্ট অবনতি।
  • নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, সবার থেকে দূরে সরে যাওয়া।
  • মেজাজের হঠাৎ ওঠানামা বা অস্বাভাবিক রাগ।

এই লক্ষণগুলো দেখা মানেই কোনো নির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় নয়, তবে একজন বিশেষজ্ঞের একবার দেখে নেওয়া দরকার। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার সিদ্ধান্ত সবসময় একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞই নেবেন, এবং কোনো ওষুধ কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই নেওয়া উচিত।

শেষ কথা: জোর না, পাশে থাকাটাই আসল

প্রিয়জনকে থেরাপি নিতে উৎসাহিত করা এক দিনের কাজ না, সময় লাগে। জোর করে কিছু হয় না; কাজ করে ধৈর্য, মন দিয়ে শোনা, সম্মান, আর ঠিক সময়ে নরম করে বলা। আপনি যদি সত্যিই তার পাশে থাকেন, বিচার না করে বোঝার চেষ্টা করেন, তাহলে একদিন সে নিজেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।

আপনার প্রিয়জনের জন্য যদি এখনই সহায়তা প্রয়োজন হয়, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি অথবা সারা বাংলাদেশে অনলাইনে একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। প্রথম ধাপটা আজই নিন, একটি সেশন বুক করুন আর প্রিয় মানুষটার পাশে থাকুন।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

প্রিয়জন থেরাপির কথা শুনলেই রেগে যান, কী করব?

সরাসরি “তোমার সমস্যা আছে” না বলে বলুন যে তাকে নিয়ে আপনার চিন্তা হচ্ছে, যেমন “তোমাকে নিয়ে আমার চিন্তা হয়”। শান্ত পরিবেশে, একান্তে, ধৈর্য ধরে কথা বলুন। জোরাজুরি না করে সময় দিন, একবারে রাজি না হলে কিছুদিন পর আবার নরমভাবে প্রসঙ্গটি তুলুন।

কাউকে কাউন্সেলিং নিতে রাজি করানোর সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

সবার আগে তার কথা মন দিয়ে শুনুন, তার অনুভূতি স্বীকার করুন এবং বিচার করবেন না। এরপর সিদ্ধান্তের ভার তার হাতে রেখে নরমভাবে প্রস্তাব দিন, যেমন “তুমি কি একজন সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলার কথা ভেবে দেখবে?” প্রথম ধাপটা বাস্তবভাবে সহজ করে দিন।

ঢাকার বাইরে থাকলে কি থেরাপি নেওয়া সম্ভব?

হ্যাঁ। চাম ওয়েলনেসে সারা বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে সেশন নেওয়া যায় এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সরাসরি সেশনের সুযোগ আছে। তাই ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা বা চট্টগ্রাম, যেখানেই থাকুন, একজন সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সাথে ঘরে বসেই যোগাযোগ করা সম্ভব।

প্রিয়জনকে জোর করে থেরাপিতে নিয়ে গেলে কি কাজ হয়?

সাধারণত না। জোর করলে মানুষ প্রতিরক্ষামূলক হয়ে ওঠেন এবং সাহায্য নেওয়ার বদলে আরও দূরে সরে যান। থেরাপি তখনই বেশি কাজ করে যখন মানুষটি নিজে থেকে অংশ নিতে রাজি হন। তাই চাপ না দিয়ে, পাশে থেকে ধৈর্য ধরে উৎসাহ দেওয়াটাই সবচেয়ে বেশি কাজ করে।

প্রিয়জনকে সাহায্য করতে গিয়ে আমি নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়লে কী করব?

নিজের যত্ন নেওয়া জরুরি। আপনি প্রিয়জনের থেরাপিস্ট নন, আপনার কাজ তাকে সঠিক সাহায্যের দিকে পথ দেখানো। নিজের বিশ্রাম ও অনুভূতির যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে আপনিও একজন সাইকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করতে পারেন, কীভাবে সহায়তা করবেন তা জানতে।

How this article was made
Written by
Sharmin Akter Shetu, Senior Assistant Psychologist
Clinically reviewed by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist
Last reviewed
October 2026
Last updated
September 27, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and clinically reviewed by a certified psychologist or psychiatrist who specialises in its topic. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Sharmin Akter Shetu
Talk to SharminThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Sharmin

Keep Reading

প্রিয়জনের ডিপ্রেশন হলে কী করবেন: পরিবারের জন্য গাইডপ্রিয়জন মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে কী বলবেন, কী করবেনঅনলাইন কাউন্সেলিং: কতটা কার্যকর ও নিরাপদ, যা যাচাই করবেন

Talk to our psychologists

Book a confidential session with a certified psychologist at Chum Wellness.

Dr. S. M. Yasir Arafat
Dr. S. M. Yasir ArafatPsychiatrist & SuicidologisHelps with depression, anxietyFrom ৳2,000ProfileBook
Salma Parveen
Salma ParveenSenior Clinical Psychologist · 21+ yearsHelps with couples & marriage, family conflict & family therapyFrom ৳5,500ProfileBook
Md. Mostafizur Rahman
Md. Mostafizur RahmanClinical PsychologisHelps with depression, anxietyFrom ৳2,500ProfileBook
See all psychologists →