কৃতজ্ঞতা ও মানসিক সুস্থতা: ছোট অভ্যাসে বড় পরিবর্তন

Mst. Swampa
Clinically reviewed byMst. SwampaSenior Clinical Psychologist · MS & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast reviewed September 2026

কৃতজ্ঞতা ও মানসিক সুস্থতা এই দুটি বিষয় দেখতে আলাদা মনে হলেও এদের সম্পর্ক গভীর। ঢাকার ব্যস্ত জীবনে, ট্রাফিক-জ্যাম, কাজের চাপ আর নিরন্তর তুলনার মধ্যে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই আমাদের জীবনে কী কী ভালো আছে। বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকার মতো বড় শহরে, মানুষ যত ব্যস্ত হচ্ছে, ততই মন যেন খুশি খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে। এই লেখায় আমরা দেখব, কীভাবে কৃতজ্ঞতার ছোট ছোট অভ্যাস আপনার প্রতিদিনের মানসিক সুস্থতায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

কৃতজ্ঞতা মানে কেবল “ধন্যবাদ” বলা নয়। এটা একটা অভ্যাস: জীবনের ভালো দিকগুলো খেয়াল করা আর সেগুলোর কদর করা। ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রাম, যেখানেই আপনি থাকুন না কেন, এই অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য কোনো বিশেষ সরঞ্জাম বা খরচ লাগে না। শুধু দরকার একটু মনোযোগ আর নিয়মিত চর্চা। আর যাদের অনলাইন সহায়তা প্রয়োজন, চাম ওয়েলনেস বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে কাউন্সেলিং সহায়তা দিয়ে থাকে।

কৃতজ্ঞতা আসলে কী, আর কী নয়

কৃতজ্ঞতা মানে জীবনের ভালো দিকগুলো, ছোট হোক বা বড়, খেয়াল করা আর মন থেকে সেগুলোর জন্য ভালো লাগা। এটি সকালের এক কাপ চা, প্রিয়জনের একটি হাসি, কিংবা একটি কঠিন দিন পার করে ঘরে ফেরার স্বস্তি হতে পারে।

তবে একটি কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, কৃতজ্ঞতা কোনো জাদু নয়। এটি এমন কোনো মন্ত্র নয় যা মুহূর্তে সব দুঃখ মুছে দেবে। বরং ছোট ছোট ভালো জিনিস খেয়াল করার এই অভ্যাস মাথাকে ধীরে ধীরে খারাপ চিন্তার ঘূর্ণি থেকে বের করে আনে। আর এটাও মনে রাখা জরুরি, গুরুতর মানসিক সমস্যায় কৃতজ্ঞতার চর্চা কখনোই সাইকোলজিস্টের সাহায্যের জায়গা নিতে পারে না।

কৃতজ্ঞতা কী নয়

  • এটি নিজের কষ্ট অস্বীকার করা নয়। কৃতজ্ঞ থাকা মানে খারাপ অনুভূতিকে চেপে রাখা বা “সব ঠিক আছে” ভান করা নয়।
  • এটি জোর করে খুশি থাকা নয়। দুঃখ, রাগ বা হতাশা অনুভব করা স্বাভাবিক, এবং এদের জায়গা আছে।
  • এটি চিকিৎসার বিকল্প নয়। বিষণ্নতা বা তীব্র অ্যাংজাইটির মতো সমস্যায় একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টের সহায়তা প্রয়োজন।

মস্তিষ্ক ও কৃতজ্ঞতা: কেন ছোট অভ্যাসে বড় পরিবর্তন হয়

আমাদের মস্তিষ্কের একটি স্বাভাবিক প্রবণতা আছে, যাকে গবেষকেরা “নেগেটিভিটি বায়াস” বা নেতিবাচকতার দিকে ঝোঁক বলে থাকেন। অর্থাৎ, দশটি ভালো ঘটনার চেয়ে একটি খারাপ ঘটনা আমাদের মনে বেশি জায়গা করে নেয়। বিবর্তনের দিক থেকে এটি আমাদের বিপদ থেকে বাঁচতে সাহায্য করেছে, কিন্তু আধুনিক জীবনে এটি অনেক সময় অকারণ দুশ্চিন্তার জন্ম দেয়।

কৃতজ্ঞতার চর্চা এই ভারসাম্যটি ফেরাতে সাহায্য করে। যখন আপনি নিয়মিত জীবনের ভালো দিকগুলো খেয়াল করতে শুরু করেন, তখন মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে ইতিবাচক জিনিস লক্ষ্য করার অভ্যাস গড়ে তোলে। এটি একদিনে হয় না, কিন্তু নিয়মিত চর্চায় মন ভালো রাখার অভ্যাস শক্তিশালী হয়।

কৃতজ্ঞতা যেভাবে মানসিক সুস্থতায় সাহায্য করে

  • দুশ্চিন্তা ও অতিরিক্ত ভাবনার চক্র থেকে মনোযোগ সরিয়ে আনে।
  • ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে, কারণ ঘুমানোর আগে ইতিবাচক ভাবনা মনকে শান্ত করে।
  • সম্পর্ক মজবুত করে, কারণ ধন্যবাদ জানালে মানুষ কাছাকাছি আসে।
  • নিজেকে সারাক্ষণ দোষ দেওয়া কমায়, নিজের প্রতি একটু নরম হতে শেখায়।
  • রোজকার চাপের মধ্যেও মনটা একটু ভালো রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিনের সহজ কৃতজ্ঞতার চর্চা

কৃতজ্ঞতার সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো, এটি শুরু করতে কোনো বড় আয়োজন লাগে না। ঢাকার একটি ব্যস্ত অফিস হোক বা চট্টগ্রামের নিরিবিলি ঘর, আপনি যেখানেই থাকুন, এই ছোট অভ্যাসগুলো আজ থেকেই শুরু করতে পারেন।

১. কৃতজ্ঞতার ডায়েরি

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে একটি খাতায় তিনটি জিনিস লিখুন যার জন্য আপনি আজ কৃতজ্ঞ। বড় কিছু হতে হবে না, “আজ বৃষ্টির পর আকাশটা সুন্দর ছিল” কিংবা “সহকর্মী আমাকে চা এনে দিয়েছিল” এমন সাধারণ বিষয়ও হতে পারে। মূল বিষয় হলো নিয়মিততা। সপ্তাহে অন্তত তিন-চার দিন এটি করলেও ধীরে ধীরে পার্থক্য টের পাবেন।

২. সকালের এক মিনিট

ঘুম থেকে উঠে ফোন হাতে নেওয়ার আগে এক মিনিট থামুন। মনে মনে ভাবুন, আজকের দিনে কোন একটি জিনিসের জন্য আপনি কৃতজ্ঞ থাকতে পারেন। এই ছোট বিরতি সারাদিনের মানসিক সুরটা বদলে দিতে পারে।

৩. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা

মনে মনে কৃতজ্ঞ থাকার পাশাপাশি মুখে বলাটাও অনেক কাজের। প্রিয়জন, বন্ধু বা সহকর্মীকে সরাসরি বলুন, তাঁর কোন কাজটির জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। একটি ছোট বার্তা, একটি ফোন কল, কিংবা মুখোমুখি একটি “তোমার জন্য ভালো লাগছে” বলা সম্পর্ককে গভীর করে।

৪. কঠিন সময়েও একটি ভালো দিক খোঁজা

এটা কঠিন, কিন্তু খুব কাজের। কোনো খারাপ দিনেও নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, “এর মধ্যেও কি এমন কিছু আছে যা আমি শিখলাম বা যার জন্য কৃতজ্ঞ থাকতে পারি?” এটি সমস্যা অস্বীকার করা নয়, বরং একই সঙ্গে বাস্তবতা মেনে নিয়ে ভারসাম্য খোঁজা।

৫. হাঁটার সময় খেয়াল করা

ধানমন্ডি লেক হোক বা বাড়ির আশপাশের গলি, হাঁটার সময় চারপাশের ছোট ছোট সুন্দর জিনিস খেয়াল করুন, একটি ফুল, একটি পাখির ডাক, কিংবা শিশুদের খেলা। এই মুহূর্তে মন রাখার অভ্যাস (mindfulness) কৃতজ্ঞতার সঙ্গে সুন্দরভাবে মিশে যায়।

এখনই চেষ্টা করুন: আজকের তিনটা ভালো জিনিস

আজ ভালো গেছে এমন ছোট তিনটা জিনিস লিখুন। ছোট হলেও চলবে।

বাস্তব জীবনে বাধা: কৃতজ্ঞতা যখন কঠিন মনে হয়

অনেকেই বলেন, “আমার জীবনে তো ভালো কিছুই ঘটছে না, আমি কীসের জন্য কৃতজ্ঞ হব?” এই অনুভূতিটা একদম সত্যি, আর এমন লাগাটা স্বাভাবিক। বিশেষত যখন আর্থিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা চেপে বসে, তখন কৃতজ্ঞতার কথা শুনলে বিরক্তও লাগতে পারে।

মনে রাখবেন, কৃতজ্ঞতা মানে কষ্টকে অস্বীকার করা না। বরং এটি কষ্টের পাশাপাশি জীবনের ছোট আলোগুলোও দেখতে শেখা। যদি আপনার মনে হয় কোনো কিছুর জন্যই কৃতজ্ঞ হতে পারছেন না, বা সবকিছু নিরর্থক লাগছে, তাহলে এটি হয়তো নিছক অভ্যাসের অভাব নয়, বরং গভীরতর কিছুর ইঙ্গিত হতে পারে। এমন হলে সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়াই ভালো।

কৃতজ্ঞতার চর্চাকে সহজ করার কিছু টিপস

  • নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করবেন না। কোনো দিন বাদ পড়লে নিজেকে দোষ দেবেন না, পরদিন আবার শুরু করুন।
  • ছোট থেকে শুরু করুন। দিনে একটি জিনিস দিয়েও শুরু করা যায়।
  • নিজের ভাষায় লিখুন বা ভাবুন। সুন্দর বাক্য গঠনের চাপ নেই, আন্তরিকতাই মূল।
  • তুলনা এড়িয়ে চলুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের জীবনের সঙ্গে তুলনা কৃতজ্ঞতার সবচেয়ে বড় শত্রু।

কৃতজ্ঞতা ও ইতিবাচক মন: সময় নিয়ে গড়ে ওঠে

একদিনের কৃতজ্ঞতা যেমন সারাজীবন কাজে দেবে না, তেমনি নিয়মিত চর্চা ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলে। এটি অনেকটা শরীরচর্চার মতো, একদিন ব্যায়াম করলে যেমন সুস্থ শরীর হয় না, তেমনি কৃতজ্ঞতার অভ্যাসও সময় নিয়ে ফল দেয়।

আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, যাঁরা কৃতজ্ঞতাকে জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ করে নেন, তাঁরা প্রতিদিনের চাপ সামলাতে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন। এটা কোনো গ্যারান্টি না, বরং একটা সহায়ক অভ্যাস, যা অন্য ভালো অভ্যাসের সাথে মিলে কাজ করে। মানসিক শান্তি খোঁজার আরও উপায় নিয়ে জানতে পড়ুন মানসিক শান্তি কীভাবে পাবেন এই লেখাটি।

অন্যান্য অভ্যাসের সঙ্গে কৃতজ্ঞতা মেলানো

কৃতজ্ঞতা একা কাজ করে না, পুরো জীবনযাপনের অংশ হলে সবচেয়ে ভালো ফল দেয়। পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত হাঁটাচলা, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো এবং কাজের চাপ কমানোর কৌশলের সঙ্গে কৃতজ্ঞতা মিলে গেলে মানসিক সুস্থতা আরও মজবুত হয়। মানসিক চাপ কমানোর ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন মানসিক চাপ কমানোর উপায়।

ঢাকা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃতজ্ঞতা

আমাদের সমাজে কৃতজ্ঞতা সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পরিবার, প্রতিবেশী ও সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশের সামাজিক বন্ধনের একটি সুন্দর অংশ। তবে ঢাকার দ্রুতগতির নাগরিক জীবনে এই মূল্যবোধ অনেক সময় চাপা পড়ে যায়। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, যানজট আর অবিরাম প্রতিযোগিতা আমাদের মন থেকে ছোট আনন্দগুলো কেড়ে নেয়।

ভালো খবর হলো, আপনি যেখানেই থাকুন, গুলশানের অফিস, উত্তরার বাসা কিংবা চট্টগ্রামের কোনো ক্যাম্পাস, কৃতজ্ঞতার চর্চা শুরু করা যায় বিনা খরচে, এই মুহূর্ত থেকেই। আর যদি মনে হয় একা পারছেন না, চাম ওয়েলনেস অনলাইনে বাংলাদেশের সব জায়গা থেকে এবং সরাসরি ঢাকায় সহায়তা দিয়ে থাকে।

কখন সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেবেন

কৃতজ্ঞতার চর্চা মানসিক সুস্থতার একটি চমৎকার সহায়ক অভ্যাস, কিন্তু এটি চিকিৎসা নয়। কিছু লক্ষণ দেখা দিলে একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্ট বা কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলা জরুরি:

  • দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ, শূন্যতা বা নিরাশা অনুভব করা।
  • আগে যে কাজগুলো ভালো লাগত, সেগুলোতে আর আগ্রহ না পাওয়া।
  • ঘুম বা খাওয়ার অভ্যাসে বড় পরিবর্তন।
  • প্রতিদিনের কাজকর্ম বা সম্পর্ক সামলাতে গুরুতর সমস্যা।
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ভয় বা মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা।

এই লক্ষণগুলো দুর্বলতার চিহ্ন না, বরং এগুলো বলে যে আপনার একটু বাড়তি সাহায্য দরকার। ঠিক যেমন শারীরিক অসুস্থতায় আমরা ডাক্তারের কাছে যাই, মনের সমস্যাতেও সাইকোলজিস্ট দেখানো ঠিক ততটাই স্বাভাবিক। মনে রাখবেন, কোনো ওষুধের প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শে নিতে হবে।

শেষ কথা

কৃতজ্ঞতা ও মানসিক সুস্থতা একসাথে চলে। এটা কোনো জাদু না; ছোট একটা নিয়মিত অভ্যাস, যা সময়ের সাথে মনকে ভালোর দিকে ঘুরিয়ে দেয়। আজ রাতেই একটি খাতা খুলে তিনটি ভালো জিনিস লিখে শুরু করতে পারেন। এই ছোট শুরুটাই একদিন বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

তবে যদি মনে হয় শুধু অভ্যাস দিয়ে কাজ হচ্ছে না, বা মনের ভার ক্রমশ বাড়ছে, তাহলে দ্বিধা না করে সাইকোলজিস্টের সাহায্য নিন। চাম ওয়েলনেসের লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলরেরা ঢাকায় সরাসরি এবং বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে গোপনীয়তার সঙ্গে পাশে আছেন। আপনার মানসিক সুস্থতার যত্ন নিতে আজই কাউন্সেলিং সহায়তা নিতে পারেন কিংবা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

কৃতজ্ঞতার চর্চা কি সত্যিই মানসিক সুস্থতায় সাহায্য করে?

হ্যাঁ, নিয়মিত কৃতজ্ঞতার চর্চা মস্তিষ্ককে নেতিবাচক চিন্তার চক্র থেকে বের হতে সাহায্য করে এবং ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলে। তবে এটি একদিনে ফল দেয় না, নিয়মিত অভ্যাসেই ধীরে ধীরে পার্থক্য দেখা যায়। মনে রাখবেন, গুরুতর মানসিক সমস্যায় এটা চিকিৎসার জায়গা নিতে পারে না।

কৃতজ্ঞতার ডায়েরি কীভাবে শুরু করব?

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে একটি খাতায় তিনটি জিনিস লিখুন যার জন্য আপনি সেদিন কৃতজ্ঞ। বড় কিছু হতে হবে না, ছোট ছোট সাধারণ বিষয়ও চলবে। মূল কথা নিয়মিততা, সপ্তাহে অন্তত তিন-চার দিন করলেও উপকার পাবেন।

কৃতজ্ঞতা কি কষ্ট বা দুঃখ অস্বীকার করা?

না। কৃতজ্ঞতা মানে খারাপ অনুভূতিকে চেপে রাখা বা ‘সব ঠিক আছে’ ভান করা নয়। কষ্টটা মেনে নিয়েও জীবনের ছোট ভালো দিকগুলো খেয়াল করতে শেখা, মানে দুটোর মধ্যে ব্যালেন্স রাখা।

কখন কৃতজ্ঞতার অভ্যাসের পাশাপাশি সাইকোলজিস্ট দেখানো উচিত?

দীর্ঘদিন মন খারাপ, নিরাশা, প্রিয় কাজে আগ্রহ হারানো, ঘুম বা খাওয়ার অভ্যাসে বড় পরিবর্তন কিংবা দৈনন্দিন জীবন সামলাতে সমস্যা হলে একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত সাইকোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। প্রয়োজনে চাম ওয়েলনেস ঢাকায় ও অনলাইনে সহায়তা দেয়।

ঢাকার বাইরে থেকে কি চাম ওয়েলনেসের সহায়তা পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। চাম ওয়েলনেস বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে গোপনীয় কাউন্সেলিং সহায়তা দিয়ে থাকে, এবং ঢাকায় সরাসরি সেশনের সুযোগও রয়েছে।

How this article was made
Written by
Afnan Tahmim Adrita, Assistant Clinical Psychologist
Clinically reviewed by
Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
Last updated
September 27, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Afnan Tahmim Adrita
Talk to AfnanThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Afnan

Keep Reading

Building Emotional ResilienceSelf-Care That Actually WorksWomen’s Mental Health in Bangladesh

Talk to our psychologists

Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.

Shahana Parveen
Shahana ParveenClinical Psychologist · 10+ yearsHelps with depression, anxietyFrom ৳2,500ProfileBook
Md. Ashadujjaman Mondol
Md. Ashadujjaman MondolClinical Psychologist · 10+ yearsHelps with depression, anxietyFrom ৳2,500ProfileBook
Dr. Tarun Kanti Gayen
Dr. Tarun Kanti GayenClinical Psychologist · 20+ yearsHelps with BPD & personality disorders, depressionFrom ৳4,500ProfileBook
See all psychologists →