সঙ্গীকে বারবার পরীক্ষা করা ও সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতা

সঙ্গীর ফোন বারবার চেক করা, কোথায় ছিলে কার সাথে ছিলে বারবার জিজ্ঞেস করা, মেসেজের উত্তর দেরিতে এলে বুক ধড়ফড় করা করা: এই অস্থিরতার নাম সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতা। ঢাকা, ধানমন্ডি, গুলশান কিংবা উত্তরার অসংখ্য দম্পতি ও প্রেমিক-প্রেমিকা এই সমস্যা নিয়ে চুপচাপ কষ্ট পান, কিন্তু লজ্জা ও ভয়ের কারণে কারও সঙ্গে খুলে বলতে পারেন না। বাংলাদেশে সম্পর্কের এই টানাপোড়েন অনেকের জীবনেই আছে, এবং এটি নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা মোটেও দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থ হওয়ার প্রথম ধাপ।
এই লেখায় আমরা সহজভাবে দেখব, কেন একজন মানুষ সঙ্গীকে বারবার পরীক্ষা করেন, এই নিরাপত্তাহীনতা ও ঈর্ষার শিকড় আসলে কোথায়, এটি কীভাবে সম্পর্ককে ভেতর থেকে ক্ষয় করে, এবং আপনি কীভাবে psychologist-এর সাথে কথা বলা নিয়ে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে পারেন। আমরা অনলাইনে সারা বাংলাদেশে এবং সরাসরি ঢাকায় গোপনীয় কাউন্সেলিং সেবা দিয়ে থাকি।
বারবার পরীক্ষা করা মানে কী, এবং কেন এটা হয়
সঙ্গীকে বারবার পরীক্ষা করা বলতে বোঝায় সেই আচরণগুলো যেখানে আপনি ভালোবাসার মানুষের প্রতি বিশ্বাস রাখতে না পেরে বারবার প্রমাণ খোঁজেন। কেউ প্রকাশ্যে এটা করেন, কেউ লুকিয়ে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যায়:
- সঙ্গীর ফোন, মেসেজ, কল লিস্ট বা সোশ্যাল মিডিয়া গোপনে চেক করা
- বারবার জিজ্ঞেস করা “তুমি কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসো?”
- কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে কথা বলছে তার হিসাব চাওয়া
- লোকেশন শেয়ার অন রাখতে বলা বা সন্দেহবশত হঠাৎ কল করা
- ইচ্ছাকৃতভাবে ঝগড়া বাধিয়ে দেখা সঙ্গী “চলে যায় কিনা”
এসব আচরণ প্রায়ই সাময়িক স্বস্তি দেয়। ফোন চেক করে যখন সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায় না, তখন মন একটু শান্ত হয়। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা বা কয়েকদিনের মধ্যেই আবার সেই অস্থিরতা ফিরে আসে, এবং আবার পরীক্ষা করার তাগিদ জাগে। এভাবেই তৈরি হয় একটি চক্র, যা ভাঙা কঠিন।
এটা কি ভালোবাসার অভাব?
অনেকে ভাবেন, সঙ্গী নিশ্চয়ই কম ভালোবাসেন বলেই এত সন্দেহ, কিংবা তিনি নিশ্চয়ই কিছু লুকাচ্ছেন। কিন্তু আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঙ্গীকে বারবার পরীক্ষা করা বা সন্দেহ করা ভালোবাসার অভাব নয়, বরং নিজের ভেতরের নিরাপত্তাহীনতা ও পরিত্যক্ত হওয়ার ভয়ের প্রকাশ। যিনি বারবার পরীক্ষা করেন, তিনি আসলে সঙ্গীকে নয়, নিজের ভেতরের এক গভীর ভয়কে শান্ত করার চেষ্টা করছেন: “আমাকে কেউ ছেড়ে চলে যাবে,” “আমি যথেষ্ট ভালো নই,” “আমাকে হয়তো কেউ সত্যিকারে চায় না।”
এই কারণেই যত প্রমাণই দেওয়া হোক, ভেতরের ভয় সহজে যায় না। সমস্যা প্রমাণের অভাবে নয়, বরং ভেতরের নিরাপত্তাবোধের অভাবে।
সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতার শিকড় কোথায়
কেউ জন্ম থেকেই সন্দেহপ্রবণ নন। সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতা সাধারণত অতীতের কিছু অভিজ্ঞতা থেকে গড়ে ওঠে। এর পেছনে সাধারণত যেসব কারণ কাজ করে:
শৈশবের সংযুক্তি বা attachment
মনোবিজ্ঞানে “অ্যাটাচমেন্ট” বা সংযুক্তির ধরন বলে একটি ধারণা আছে। শৈশবে বাবা-মা বা যিনি মূলত দেখাশোনা করতেন, তার সাথে সম্পর্ক যদি অনিশ্চিত হয়, অর্থাৎ কখনো খুব আদর, কখনো হঠাৎ দূরত্ব বা অবহেলা, তাহলে শিশু মনে গেঁথে যায়: “ভালোবাসা স্থায়ী নয়, যেকোনো সময় হারিয়ে যেতে পারে।” বড় হয়ে এই মানুষটি সঙ্গীর সাথেও একই অনিশ্চয়তা feel করেন, এবং হারানোর ভয়ে বারবার নিশ্চয়তা খোঁজেন।
অতীতের সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ
আগের কোনো সম্পর্কে যদি প্রতারণা, মিথ্যা বা হঠাৎ পরিত্যাগের অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে সেই ক্ষত নতুন সম্পর্কেও ছায়া ফেলে। বর্তমান সঙ্গী নির্দোষ হলেও মন বারবার সতর্ক থাকে, যেন আবার একই আঘাত না পায়। এই সতর্কতাই বারবার পরীক্ষা করার রূপ নেয়।
আত্মমর্যাদা ও নিজেকে নিয়ে সংশয়
নিজের প্রতি আস্থা কম থাকলে মানুষ ভাবেন, “আমার মধ্যে এমন কী আছে যে ও আমার সাথেই থাকবে?” এই নিচু আত্মমর্যাদা ঈর্ষা ও তুলনাকে বাড়িয়ে দেয়। সঙ্গী অন্য কারো সাথে হাসিমুখে কথা বললেই মনে হয়, “ও নিশ্চয়ই আমার চেয়ে ভালো।”
পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
আমাদের সমাজে অনেক পরিবারে ঈর্ষা বা নিয়ন্ত্রণকে ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়। “যত সন্দেহ, তত ভালোবাসা” এই ভুল ধারণা অনেকের মনে ছোটবেলা থেকেই ঢুকে যায়। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সবসময় অন্যের জীবনের সাথে তুলনা, সঙ্গীর অনলাইন কার্যকলাপ দেখা: এসবও সম্পর্কে বিশ্বাসের অভাব বাড়িয়ে তোলে।
এই আচরণ কীভাবে সম্পর্ক ক্ষয় করে
যে নিরাপত্তাহীনতা থেকে আমরা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাই, বিপরীতভাবে সেটিই ধীরে ধীরে সম্পর্ককে ভেঙে দেয়। এটি ঘটে বেশ কয়েকভাবে:
- দমবন্ধ অনুভূতি: সঙ্গী যখন সবসময় নজরে থাকেন, জবাবদিহি করতে বাধ্য হন, তখন তিনি ভালোবাসার বদলে বন্দিত্ব feel করেন।
- বিশ্বাসের ক্ষয়: মজার ব্যাপার হলো, যিনি বারবার সন্দেহ করেন, তার নিজের প্রতি সঙ্গীর বিশ্বাসও কমে যায়, কারণ ক্রমাগত অভিযোগ সম্পর্কের উষ্ণতা নষ্ট করে।
- দূরত্ব বৃদ্ধি: চাপ এড়াতে সঙ্গী কথা কমিয়ে দেন, কিছু জিনিস লুকাতে শুরু করেন, যা আবার সন্দেহকে যুক্তিসঙ্গত মনে করায়। একটি দুষ্টচক্র তৈরি হয়।
- নিজের মানসিক ক্লান্তি: যিনি বারবার পরীক্ষা করেন, তিনি নিজেও শান্তি পান না। সারাক্ষণ টেনশন, ঘুমের সমস্যা আর মনমরা ভাব তাকে ঘিরে ধরে।
সম্পর্কে দূরত্ব ও টানাপোড়েন কীভাবে কমানো যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও দূরত্ব কমানো নিয়ে লেখাটি পড়ে দেখতে পারেন। আর দাম্পত্য কলহের গভীর কারণ ও সমাধান বুঝতে চাইলে দাম্পত্য কলহের কারণ ও সমাধান লেখাটিও সহায়ক হবে।
ঈর্ষা ও স্বাভাবিক দুশ্চিন্তার মধ্যে পার্থক্য
একটু ঈর্ষা বা মাঝেমধ্যে দুশ্চিন্তা প্রায় সব সম্পর্কেই থাকে, এবং তা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু কখন এটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, তা বোঝা জরুরি। নিচের লক্ষণগুলো ভাবিয়ে তোলা উচিত:
- সন্দেহ ও পরীক্ষা করা দৈনন্দিন জীবনের বড় অংশ দখল করছে
- কাজ, পড়াশোনা বা ঘুমে মনোযোগ দিতে পারছেন না
- প্রমাণ না পেয়েও অস্থিরতা কমছে না
- সঙ্গীর স্বাভাবিক স্বাধীনতা মেনে নিতে পারছেন না
- এই আচরণ নিয়ে বারবার ঝগড়া হচ্ছে, কিন্তু থামাতে পারছেন না
- নিজের কাছেই মনে হচ্ছে “আমি বাড়াবাড়ি করছি,” তবু নিয়ন্ত্রণ নেই
এখানে মনে রাখা দরকার, নিয়ন্ত্রণহীন সন্দেহ কখনো কখনো অ্যাংজাইটির সমস্যা বা অন্য মানসিক অবস্থার সাথেও যুক্ত থাকতে পারে। এটি নিজে থেকে অনুমান বা বিচার না করে একজন যোগ্য doctor বা psychologist-এর সাথে কথা বলা সবচেয়ে নিরাপদ পথ। মনে রাখবেন, এই লেখা শিক্ষামূলক, কোনো রোগনির্ণয় নয়।
নিজে থেকে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া যায়
psychologist-এর সাথে কথা বলাের পাশাপাশি নিজের ভেতরের কাজও গুরুত্বপূর্ণ। কিছু বাস্তব পদক্ষেপ আপনাকে এই চক্র ভাঙতে সাহায্য করতে পারে:
তাগিদটি লক্ষ্য করুন, সাথে সাথে সাড়া দেবেন না
যখন ফোন চেক করার বা জেরা করার প্রবল ইচ্ছা জাগে, তখন থামুন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন: “এই মুহূর্তে আমি আসলে কী feel করছি? ভয়, নাকি সত্যিই কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ?” এই ছোট বিরতি অনেক সময় আবেগকে সিদ্ধান্তে পরিণত হতে বাধা দেয়।
ভয়ের নাম দিন
নিরাপত্তাহীনতার মূলে থাকে পরিত্যক্ত হওয়ার ভয়। সেই ভয়টিকে স্বীকার করুন, নিজেকে বলুন: “আমি ওকে হারানোর ভয় পাচ্ছি, তাই এমন করছি।” ভয়কে চিনতে পারলে তা কিছুটা শক্তি হারায়।
সঙ্গীর সাথে খোলাখুলি কথা বলুন
গোপনে পরীক্ষা করার বদলে সঙ্গীকে নিজের অনুভূতির কথা বলুন। অভিযোগের ভাষায় নয়, বরং নিজের অনুভূতির ভাষায়: “তুমি দেরিতে উত্তর দিলে আমার ভেতরে ভয় কাজ করে” বলা আর “তুমি নিশ্চয়ই কারো সাথে ছিলে” বলার মধ্যে বিরাট পার্থক্য।
নিজের জীবন ও আত্মমর্যাদায় বিনিয়োগ করুন
সঙ্গীই যখন আপনার একমাত্র নিরাপত্তার উৎস হয়ে ওঠেন, তখন হারানোর ভয় আরও প্রবল হয়। নিজের বন্ধুত্ব, শখ, কাজ ও ব্যক্তিগত লক্ষ্যে সময় দিন। নিজের প্রতি আস্থা বাড়লে সম্পর্কেও চাপ কমে।
সোশ্যাল মিডিয়ার সীমা নির্ধারণ করুন
সঙ্গী অনলাইনে কী করছে সব চেক করতে থাকলে টেনশন আরও বাড়ে। সচেতনভাবে এই অভ্যাসে লাগাম টানুন।
এসব চিন্তা যদি সারাদিন মাথায় ঘোরে, দুশ্চিন্তার জন্য দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় রাখলে সেটার চাপ অনেকটা কমে।
এখনই চেষ্টা করুন: দুশ্চিন্তাটা একটু পরে রাখুন
দুশ্চিন্তা এখনই মনোযোগ চায়। চাইলে এর জন্য পরে একটা নির্দিষ্ট সময় দিতে পারেন।
কখন psychologist-এর সাথে কথা বলবেন
নিজের চেষ্টায় উন্নতি না হলে, বা সমস্যা যদি দৈনন্দিন জীবন ও সম্পর্ককে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করে, তাহলে psychologist-এর সাথে কথা বলাই বিচক্ষণতা। বিশেষ করে নিচের অবস্থাগুলোতে দেরি করবেন না:
- সন্দেহ ও পরীক্ষা করা থামাতে চাইলেও কিছুতেই থামাতে পারছেন না
- এই আচরণের কারণে সম্পর্কে বারবার বড় ঝগড়া বা ভাঙনের কথা উঠছে
- অ্যাংজাইটি, অনিদ্রা বা মন খারাপ আপনার কাজ ও স্বাস্থ্য নষ্ট করছে
- অতীতের কোনো আঘাত বা বিশ্বাসভঙ্গ আপনাকে এখনো তাড়া করছে
- দুজনেই সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখতে চান, কিন্তু নিজেরা সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না
একজন licensed psychologist বা কাউন্সেলর আপনাকে ভয়ের শিকড় বুঝতে, নিজের চিন্তার ধরন পাল্টাতে এবং সঙ্গীর সাথে সুস্থ যোগাযোগ গড়তে সাহায্য করেন। কাপল কাউন্সেলিংয়ে দুজন একসঙ্গে বসে বিশ্বাস পুনর্গঠনের কাজ করতে পারেন, আবার প্রয়োজনে ব্যক্তিগত সেশনে নিজের ভেতরের নিরাপত্তাহীনতা নিয়েও কাজ করা যায়। কোনো সমস্যাই এত বড় নয় যে তা নিয়ে কথা বলা যায় না।
উল্লেখ্য, যদি কখনো মানসিক অবস্থার সাথে ওষুধের প্রয়োজন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তবে সেই সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কাউন্সেলিং আপনাকে আবেগ ও সম্পর্কের দক্ষতা গড়তে সাহায্য করে, তবে ওষুধ শুরু বা বন্ধের বিষয়ে কখনো নিজে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
ঢাকায় ও সারা বাংলাদেশে আপনার পাশে
Chum Wellness-এ আমরা licensed psychologist ও counsellor-দের মাধ্যমে সম্পূর্ণ গোপনীয় সেবা দিই। আপনি ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা বা শহরের যেকোনো প্রান্তে থাকুন, কিংবা চট্টগ্রাম, খুলনা বা সিলেটে, আমরা অনলাইনে সারা বাংলাদেশজুড়ে এবং সরাসরি ঢাকায় সেশন করি। শিক্ষার্থীদের জন্য সেশন ফি ১,০০০ টাকা।
সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতা, সন্দেহ ও ঈর্ষা নিয়ে আর একা লড়তে হবে না। বিশ্বাস ও শান্তি ফিরিয়ে আনার পথে প্রথম পদক্ষেপ নিতে আজই আমাদের কাপল কাউন্সেলিং ঢাকা সেবা সম্পর্কে জানুন, অথবা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন এবং একজন psychologist বা doctor-এর সাথে কথা বলুন।
আরও পড়ুন: সন্দেহ বাতিক রোগ কি? লক্ষণ, কারণ ও মুক্তির উপায়
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
সঙ্গীকে বারবার পরীক্ষা করা কি ভালোবাসার লক্ষণ?
না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ভালোবাসার অভাব নয় আবার প্রমাণও নয়, বরং নিজের ভেতরের নিরাপত্তাহীনতা ও পরিত্যক্ত হওয়ার ভয়ের প্রকাশ। যত সন্দেহ তত ভালোবাসা, এই ধারণা ভুল। বরং ক্রমাগত সন্দেহ ও পরীক্ষা করা সম্পর্কের বিশ্বাস ও উষ্ণতা ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেয়।
সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতার কারণ কী?
সাধারণত শৈশবের অনিশ্চিত সংযুক্তি বা attachment, অতীতের সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ বা প্রতারণা, নিচু আত্মমর্যাদা এবং পারিবারিক-সামাজিক প্রেক্ষাপট এর পেছনে কাজ করে। মূলে থাকে পরিত্যক্ত হওয়ার ভয়, যার কারণে প্রমাণ পেলেও অস্থিরতা সহজে কমে না।
একটু ঈর্ষা থাকা কি স্বাভাবিক?
মাঝেমধ্যে সামান্য ঈর্ষা বা দুশ্চিন্তা প্রায় সব সম্পর্কেই থাকে এবং তা অস্বাভাবিক নয়। তবে যখন সন্দেহ ও পরীক্ষা করা দৈনন্দিন জীবন, ঘুম ও কাজে মনোযোগ নষ্ট করে, প্রমাণ পেয়েও অস্থিরতা না কমে এবং বারবার ঝগড়া হয়, তখন এটি সমস্যা এবং psychologist-এর সাথে কথা বলা প্রয়োজন।
এই সমস্যায় কি ঢাকায় কাউন্সেলিং পাওয়া যায়?
হ্যাঁ। Chum Wellness-এ licensed psychologist ও counsellor-দের মাধ্যমে গোপনীয় সেবা দেওয়া হয়। আমরা সরাসরি ঢাকায় এবং অনলাইনে সারা বাংলাদেশজুড়ে সেশন করি। কাপল কাউন্সেলিং ঢাকা পেজ থেকে বিস্তারিত জেনে সেশন বুক করতে পারেন।
How this article was made
- Written by
- Farzana Sultana Nila, Clinical Psychologist
- Clinically reviewed by
- Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
- Last updated
- October 7, 2026
Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error
Where to go from here
Three next steps, from lightest to most support.

Psychologists who help with relationships & marriage
Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.






