ডিভোর্স নাকি আরেকবার চেষ্টা: সন্তানের কথা ভেবে সিদ্ধান্তের আগে যা ভাববেন
- কেন এই সিদ্ধান্তটা এত কঠিন
- সন্তানের কথা ভাবা মানে ঠিক কী
- সিদ্ধান্তের আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন
- আরেকবার চেষ্টা করার মানে কী, আর কীভাবে
- যখন “থেকে যাওয়া” নিরাপদ নয়: নিরাপত্তা সবার আগে
- সিদ্ধান্ত যেদিকেই যাক, সন্তানকে কীভাবে আগলে রাখবেন
- কখন psychologist-এর সাথে কথা বলবেন
- ঢাকায় ও বাংলাদেশজুড়ে support কোথায় পাবেন
- সাধারণ কিছু প্রশ্ন

ডিভোর্স নাকি আরেকবার চেষ্টা, এই প্রশ্নটা যখন রাতের পর রাত ঘুম কেড়ে নেয়, তখন বুকের ভেতরে একটা ভার জমে থাকে যা কাউকে সহজে বলা যায় না। ঢাকায় আমাদের কাছে যাঁরা আসেন, তাঁদের অনেকেই দিনের পর দিন এই দ্বন্দ্ব বয়ে বেড়িয়েছেন: সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখব, নাকি এবার সরে আসব। আর এই দ্বন্দ্বের ঠিক মাঝখানে বসে থাকে একটাই মুখ, সন্তানের মুখ। বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকার মতো শহরে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সামাজিক চাপ, পরিবার, আর্থিক নির্ভরতা আর অজস্র অনিশ্চয়তা।
Where the whole family is affected, family therapy gives everyone a place to be heard.
এই লেখাটি কোনো আইনি পরামর্শ নয়, আর আমরা আপনাকে “থেকে যান” বা “ছেড়ে দিন” কোনোটাই বলব না। এটি একটি সিদ্ধান্ত-সহায়ক লেখা, যেন আপনি নিজের অনুভূতি, প্রয়োজন আর বাস্তবতাগুলো একটু গুছিয়ে দেখতে পারেন। ঢাকায় সরাসরি এবং বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে কাপল কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে এই ভাবনার জায়গাটা তৈরি করা যায়, যেখানে কেউ আপনাকে বিচার করবে না।
কেন এই সিদ্ধান্তটা এত কঠিন
দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙার কথা ভাবা মানে শুধু দুজন মানুষের আলাদা হওয়া নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিচয়, ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন আর সম্মানের প্রশ্ন। আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, অনেকেই কয়েকটি চাপের মাঝখানে আটকে যান:
- সামাজিক চাপ: “লোকে কী বলবে”, “মেয়ের ডিভোর্স হয়েছে”, “সংসার টেকাতে পারল না”, এই কথাগুলোর ভয় সিদ্ধান্তকে অসম্ভব ভারী করে তোলে।
- সন্তানের ভালো: অনেকে ভাবেন, যেভাবেই হোক সন্তানের জন্য সংসার টিকিয়ে রাখা দরকার, বাবা-মা দুজনকে এক ছাদের নিচে রাখাই ভালো।
- আর্থিক নির্ভরতা: বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে, আলাদা হয়ে গেলে নিজের ও সন্তানের খরচ কীভাবে চলবে, এই বাস্তব ভয় অনেক বড়।
- বারবার কষ্টের চক্র: ঝগড়া, দূরত্ব, ক্ষমা, আবার ঝগড়া, এই চক্রে ঘুরতে ঘুরতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে যায় এবং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তিটাই হারিয়ে ফেলে।
এই চাপগুলো একসঙ্গে চাপলে মনে হয়, যে সিদ্ধান্তই নিই না কেন, কেউ না কেউ কষ্ট পাবে। তাই সিদ্ধান্তটা আটকে থাকে, আর ভেতরে ভেতরে দমবন্ধ ভাবটা বাড়তে থাকে।
সন্তানের কথা ভাবা মানে ঠিক কী
“সন্তানের জন্য থেকে যাব” এই কথাটা আমরা প্রায়ই শুনি। এই ভালোবাসাটুকু সত্যিকারের, এবং এটাকে সম্মান জানানো দরকার। তবে সন্তানের ভালো ঠিক কীসে, সেই প্রশ্নটা একটু গভীরভাবে দেখা জরুরি।
সন্তান শুধু বাবা-মাকে এক বাড়িতে দেখলেই নিরাপদ বোধ করে না। সে feel করে বাড়ির আবহাওয়া, দুজনের মধ্যেকার টান, চোখের ভাষা, নীরবতা। ছোট শিশুও বুঝে ফেলে কখন বাড়িতে থমথমে ভাব। তাই প্রশ্নটা শুধু “একসঙ্গে থাকব কি না” নয়, বরং “সন্তান কেমন পরিবেশে বড় হচ্ছে” সেটাও।
এখানে কোনো সহজ উত্তর নেই। কিছু পরিবারে বাবা-মা সচেতনভাবে সম্পর্ক মেরামত করেন এবং সন্তান একটি স্থিতিশীল, উষ্ণ পরিবেশ পায়। আবার কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘ কলহ, অসম্মান বা ঠান্ডা যুদ্ধের মধ্যে থাকা সন্তানের জন্য আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। মূল কথা হলো: সন্তানের ভালো মানে শুধু কাঠামো নয়, সম্পর্কের গুণগত মানও।
সন্তানকে ঢাল বানাবেন না
একটি বিষয়ে আমরা সবসময় সতর্ক করি: সন্তানকে যেন নিজেদের সিদ্ধান্তের ভার বহন করতে না হয়। “তোমার জন্যই তো আছি”, এই কথাটা ভালোবাসা থেকে বলা হলেও শিশুর মনে অপরাধবোধ তৈরি করতে পারে। সিদ্ধান্ত বড়দের, দায় সন্তানের নয়।
সবকিছু যখন অস্পষ্ট লাগে, নিজের কাছে কোনটা জরুরি সেটা আর ছোট একটা পদক্ষেপ ঠিক করলে পথ পরিষ্কার হয়। নিজেরটা বেছে নিন।
এখনই চেষ্টা করুন: যা জরুরি, সেদিকে এক পা
জীবন আটকে বা ফাঁকা লাগলে, নিজের মূল্যবোধের সাথে মিল রেখে ছোট কাজ থেকেই অর্থ তৈরি হয়। একটা মূল্যবোধ বেছে নিন।
সিদ্ধান্তের আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন
তাড়াহুড়ো করে বা রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত পরে অনুশোচনা তৈরি করে। আবার বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখাও কষ্ট দীর্ঘ করে। এই দুইয়ের মাঝখানে একটু থেমে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করা যায়:
- আমাদের মধ্যে কি এখনও পারস্পরিক শ্রদ্ধা আছে, নাকি শুধু অভ্যাস আর দায়িত্ব টিকিয়ে রেখেছে?
- সমস্যাগুলো কি নির্দিষ্ট ও সমাধানযোগ্য (যোগাযোগের অভাব, প্রত্যাশার ফারাক), নাকি মৌলিক (বিশ্বাসভঙ্গ যা মেরামত হচ্ছে না, ক্রমাগত অসম্মান)?
- আমরা কি দুজনেই সম্পর্কটা ঠিক করতে চাই, নাকি চেষ্টাটা শুধু একজনের দিক থেকে?
- এই সম্পর্কে থাকতে গিয়ে আমি কি নিজের আসল রূপটা হারিয়ে ফেলছি?
- আমরা কি এখনও নতুন করে চেষ্টা করার মতো একটি নিরাপদ, সৎ পরিসর তৈরি করতে পারি?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর একদিনে আসে না। কিন্তু এগুলো ভাবলে “রাগ” আর “প্রকৃত অসামঞ্জস্য”-এর পার্থক্যটা স্পষ্ট হতে শুরু করে। অনেক সময় দেখা যায়, মূল সমস্যা সম্পর্ক নয়, বরং জমে থাকা দাম্পত্য কলহ আর না-বলা অভিমান, যা সঠিক সহায়তায় খোলা যায়।
সিদ্ধান্তটা আরও গুছিয়ে ভাবতে চাইলে ইংরেজিতে পড়ুন Should I get a divorce? A clear-headed decision guide।
আরেকবার চেষ্টা করার মানে কী, আর কীভাবে
“আরেকবার চেষ্টা” মানে আগের মতোই চলতে থাকা নয়। যদি একই ভুল, একই ঝগড়া, একই দূরত্ব বারবার ফিরে আসে, তাহলে শুধু সময় দিলে কিছু বদলায় না। প্রকৃত চেষ্টা মানে সচেতনভাবে কিছু জিনিস বদলানো:
- যোগাযোগের ধরন বদলানো: অভিযোগের ভাষা থেকে অনুভূতির ভাষায় আসা। “তুমি সবসময় এমন করো” থেকে “আমি এতে কষ্ট পাই”।
- পুরনো ক্ষত মেরামত: জমে থাকা রাগ ও অভিমান একজন psychologist-এর supportয় নিরাপদভাবে খোলা, দোষারোপ ছাড়া।
- নতুন সীমারেখা: পরিবার, সময়, দায়িত্ব ভাগাভাগি নিয়ে স্পষ্ট বোঝাপড়া তৈরি করা।
- সময়সীমা ঠিক করা: “চেষ্টা” যেন অনির্দিষ্টকালের ঝুলে থাকা না হয়, বরং ভেবেচিন্তে ঠিক করা একটা সময় হয়, যার শেষে আবার বসে হিসাব করা যায়।
এই কাজগুলো একা করা কঠিন, কারণ যাঁদের মধ্যে সমস্যা, তাঁরাই যখন কথা বলতে বসেন, তখন প্রায়ই পুরনো ধাঁচেই ঝগড়া ফিরে আসে। এখানেই একজন নিরপেক্ষ, প্রশিক্ষিত কাউন্সেলর একটি নিরাপদ মধ্যস্থতার জায়গা তৈরি করেন। সম্পর্কের টানাপোড়েন ও দূরত্ব কীভাবে ধাপে ধাপে কমানো যায়, সে বিষয়ে আরও পড়তে পারেন আমাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও দূরত্ব কমানো নিয়ে লেখাটি, আর দাম্পত্য কলহের মূল কারণ ও সমাধান বুঝতে দেখুন দাম্পত্য কলহের কারণ ও সমাধান।
যখন “থেকে যাওয়া” নিরাপদ নয়: নিরাপত্তা সবার আগে
এই আলোচনার একটি সীমারেখা স্পষ্ট করে বলা জরুরি। যদি সম্পর্কে শারীরিক নির্যাতন, ধারাবাহিক মানসিক নির্যাতন, ভয় দেখানো বা নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ থাকে, তাহলে সেটি আর সাধারণ “দাম্পত্য মতভেদ” নয়। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে আগে আসে আপনার এবং সন্তানের নিরাপত্তা।
নির্যাতনমূলক সম্পর্কে “সন্তানের জন্য থেকে যাওয়া” প্রায়ই সন্তানকে আরও ক্ষতির মধ্যে রাখে, কারণ শিশু সেই ভয় ও অস্থিরতা প্রতিদিন শোষণ করে। এখানে “আরেকবার চেষ্টা” তখনই অর্থবহ, যখন নির্যাতন থামে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। আপনি যদি এমন পরিস্থিতিতে থাকেন, একজন licensed psychologist-এর সাথে কথা বলুন এবং প্রয়োজনে নির্ভরযোগ্য পরিবার, আইনি সহায়তা বা নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা রাখুন। নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস নেই।
সিদ্ধান্ত যেদিকেই যাক, সন্তানকে কীভাবে আগলে রাখবেন
আপনি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখুন বা আলাদা হন, সন্তানের মানসিক নিরাপত্তা রক্ষা করা যায় কিছু নীতির মাধ্যমে:
- সন্তানের সামনে একে অপরকে ছোট করবেন না। বাবা বা মা সম্পর্কে বিষ ঢালা শিশুর ভেতরে বিভক্তি তৈরি করে।
- বয়স অনুযায়ী সৎ থাকুন, তবে সব বিস্তারিত ঝগড়ার ভার তার ওপর চাপাবেন না।
- রুটিন ও নিরাপত্তার অনুভূতি ধরে রাখুন। পড়াশোনা, খেলা, ঘুম, এই স্বাভাবিকতাগুলো শিশুকে স্থির রাখে।
- সন্তানকে বারবার আশ্বস্ত করুন যে বড়দের সমস্যার জন্য সে দায়ী নয়, এবং দুজনের ভালোবাসা তার জন্য অটুট।
মনে রাখবেন, শিশুরা নিখুঁত সংসার চায় না, তারা চায় নিরাপদ feel করতে। সেই নিরাপত্তা যেকোনো কাঠামোতেই সচেতন প্রচেষ্টায় দেওয়া সম্ভব।
কখন psychologist-এর সাথে কথা বলবেন
নিচের যেকোনো একটি মিলে গেলে বুঝবেন, এটা আর একা টেনে নেওয়ার মতো অবস্থা নয়, psychologist-এর সাথে কথা বলার সময় এসেছে:
- মাসের পর মাস একই ঝগড়া ঘুরেফিরে আসছে এবং কোনো সমাধান হচ্ছে না।
- সিদ্ধান্তহীনতা আপনার ঘুম, ক্ষুধা, কাজ বা মনোযোগে প্রভাব ফেলছে।
- আপনি ক্রমাগত হতাশা, অসাড়তা বা চাপা কান্না feel করছেন।
- সন্তানের আচরণে পরিবর্তন দেখছেন, যেমন ভয়, রাগ, পড়ায় অমনোযোগ বা গুটিয়ে যাওয়া।
- নিজেরা কথা বলতে বসলেই তা ঝগড়ায় রূপ নিচ্ছে, একটি নিরপেক্ষ জায়গা দরকার।
psychologist-এর সাথে কথা বলা মানে “সম্পর্ক ব্যর্থ” এমন নয়। বরং এটি হলো একটি সাহসী পদক্ষেপ, যেখানে দুজন মানুষ (বা প্রয়োজনে একজনও) একজন trained psychologist-এর সাথে কথা বলায় নিজেদের অনুভূতি স্পষ্ট করেন এবং একটি ভেবেচিন্তে নেওয়া সিদ্ধান্তে পৌঁছান, রাগ বা ভয় থেকে নয়।
উল্লেখ্য, মন খারাপ বা দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্নতার সঙ্গে ওষুধ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে নিতে হবে। কাউন্সেলিং সেই যত্নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তবে বিকল্প নয়।
ঢাকায় ও বাংলাদেশজুড়ে support কোথায় পাবেন
Chum Wellness-এ আমরা licensed psychologist ও counsellor-দের মাধ্যমে গোপনীয় দাম্পত্য ও ব্যক্তিগত কাউন্সেলিং দিই। ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরাসহ শহরজুড়ে যাঁরা সরাসরি বসতে চান, তাঁদের জন্য যেমন সুযোগ আছে, তেমনি চট্টগ্রাম, সিলেট বা দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে সেশন নেওয়া যায়। শিক্ষার্থীদের জন্য সেশন ফি ১,০০০ টাকা।
এই সময়টায় আপনি একা নন। “ডিভোর্স নাকি আরেকবার চেষ্টা” এই প্রশ্নের কোনো সাধারণ উত্তর আমরা দেব না, কারণ উত্তরটা আপনার জীবন, আপনার মূল্যবোধ আর আপনার বাস্তবতার সঙ্গে জড়িত। আমরা শুধু আপনাকে সেই ভাবনার নিরাপদ জায়গাটা দিই, যেখানে স্পষ্ট হয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়।
আপনি যদি এই দ্বিধার মধ্যে থাকেন, আজই একটি ধাপ নিন। ঢাকায় সরাসরি বা অনলাইনে কাপল কাউন্সেলিং ঢাকা সেবার মাধ্যমে কথা বলুন, অথবা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন। আপনার এবং আপনার সন্তানের ভালো থাকা একটি সুচিন্তিত সিদ্ধান্তের যোগ্য, আর সেই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পাশে থাকার জন্যই আমরা আছি।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
সন্তানের জন্য কি খারাপ সম্পর্কেও টিকে থাকা উচিত?
এর কোনো এক কথায় উত্তর নেই, এবং কেউই আপনাকে থেকে যেতে বা ছেড়ে দিতে বলতে পারে না। সন্তানের ভালো শুধু বাবা-মাকে এক ছাদের নিচে দেখায় নয়, বরং সে কেমন পরিবেশে বড় হচ্ছে তার ওপরও নির্ভর করে। দীর্ঘ কলহ বা অসম্মানের পরিবেশ শিশুর ওপর চাপ ফেলতে পারে, আবার সচেতন প্রচেষ্টায় সম্পর্ক মেরামতও সম্ভব। যদি নির্যাতন থাকে, তাহলে নিরাপত্তা সবার আগে। একজন প্রশিক্ষিত কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বললে নিজের পরিস্থিতি স্পষ্ট করে ভাবতে সুবিধা হয়।
আরেকবার চেষ্টা করা কি সত্যিই কাজ করে?
চেষ্টা কাজ করে যখন দুজনেই সম্পর্কটা ঠিক করতে চান এবং শুধু সময় না দিয়ে সচেতনভাবে যোগাযোগের ধরন, পুরনো ক্ষত ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করা হয়। একা টানলে বা আগের ধাঁচেই চললে সাধারণত পরিবর্তন আসে না। একজন নিরপেক্ষ কাউন্সেলর নিরাপদ মধ্যস্থতার জায়গা তৈরি করেন, যেখানে ঝগড়া ছাড়াই মূল সমস্যাগুলো খোলা যায়।
ঢাকায় কাপল কাউন্সেলিং কোথায় পাব?
Chum Wellness ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরাসহ শহরজুড়ে সরাসরি এবং বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে গোপনীয় কাপল কাউন্সেলিং দেয়। licensed psychologist ও counsellor-দের সঙ্গে কথা বলতে আমাদের কাপল কাউন্সেলিং ঢাকা পেজে যান বা সরাসরি একটি সেশন বুক করুন। শিক্ষার্থীদের জন্য সেশন ফি ১,০০০ টাকা।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সন্তানকে কীভাবে আগলে রাখব?
সিদ্ধান্ত যেদিকেই যাক, সন্তানের সামনে একে অপরকে ছোট করবেন না, তার রুটিন ও নিরাপত্তার অনুভূতি ধরে রাখুন এবং বারবার আশ্বস্ত করুন যে বড়দের সমস্যার জন্য সে দায়ী নয়। সন্তানকে সিদ্ধান্তের ভার বা মধ্যস্থতাকারী বানাবেন না। শিশুরা নিখুঁত সংসার নয়, নিরাপদ অনুভূতি চায়, যা যেকোনো কাঠামোতেই সচেতন প্রচেষ্টায় দেওয়া সম্ভব।
How this article was made
- Written by
- Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist
- Clinically reviewed by
- Mst. Swampa, Senior Clinical Psychologist, BCPS member
- Last updated
- October 6, 2026
Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and reviewed by a senior clinical psychologist. How we review · Report an error
Where to go from here
Three next steps, from lightest to most support.

Psychologists who help with children, teens & parenting
Book a confidential session with a licensed psychologist at Chum Wellness.






