টক্সিক প্যারেন্টিং: বড় হয়ে ক্ষতি চিনতে পারা ও সেরে ওঠা

Ishrat Shermin Rahman
Clinical reviewerIshrat Shermin RahmanClinical Psychologist · M.Sc. & M.Phil in Clinical Psychology (University of Dhaka) · BCPS memberLast updated September 2026 · How we review

টক্সিক প্যারেন্টিং বা বিষাক্ত অভিভাবকত্ব এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে বাংলাদেশে খোলাখুলি কথা বলা এখনও কঠিন। ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান কিংবা উত্তরার অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ আজ বুঝতে পারছেন, ছোটবেলায় বাড়িতে যে আচরণকে তাঁরা স্বাভাবিক ভেবে বড় হয়েছেন, তার কিছু অংশ আসলে তাঁদের মনের গভীরে ক্ষত রেখে গেছে। এই লেখাটি সেই প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য, যাঁরা নিজের অস্থিরতা, অপরাধবোধ বা সম্পর্কের জটিলতার শিকড় বুঝতে চান।

এখানে লক্ষ্য কাউকে দোষারোপ করা নয়। বরং শান্তভাবে চেনা, ছোটবেলার কোন কোন মা-বাবার আচরণ সত্যিই ক্ষতিকর ছিল, সেই ছোটবেলার ক্ষত আজকের জীবনে কীভাবে প্রভাব ফেলছে, এবং কীভাবে সুস্থ সীমারেখা টানা ও psychologist-এর সাথে কথা বলার মাধ্যমে ধীরে ধীরে সেরে ওঠা যায়। Chum Wellness-এ আমরা অনলাইনে সারা বাংলাদেশে এবং সরাসরি ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে এই ধরনের বিষয় নিয়ে কাজ করি।

টক্সিক প্যারেন্টিং আসলে কী

টক্সিক প্যারেন্টিং কোনো একদিনের রাগ বা একটি কঠোর শাসন নয়। কোনো মা-বাবাই নিখুঁত নন, আর মাঝেমধ্যে বকা দেওয়া বা ভুল করা টক্সিক প্যারেন্টিং নয়। বিষাক্ত অভিভাবকত্ব বলতে বোঝায় দীর্ঘদিন ধরে চলা এমন একটি ধরন, যেখানে সন্তানের মনের চাওয়া বারবার উপেক্ষা করা হয়, তার আত্মমর্যাদা ক্ষয়ে যায়, এবং নিরাপত্তার বোধ ভেঙে পড়ে।

মূল পার্থক্যটা এখানে: সুস্থ পরিবারে ভুল হলে সংশোধন হয়, ক্ষমা চাওয়া যায়, সন্তানের অনুভূতিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিষাক্ত ধরনে ভুলের দায় সবসময় সন্তানের ঘাড়ে পড়ে, আর সন্তান বড় হয় নিজেকে যথেষ্ট নয় ভেবে।

যেসব আচরণ প্রায়ই ক্ষতিকর হয়ে ওঠে

  • ধারাবাহিক অবমূল্যায়ন: সন্তানের প্রতিটি অর্জনকে ছোট করে দেখা, তুলনা করা, অন্যের সামনে হেয় করা।
  • ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল: ভালোবাসা বা সমর্থনকে শর্তসাপেক্ষ করা, যেমন কথা না শুনলে অভিমান বা দোষারোপের অস্ত্র ব্যবহার।
  • নিয়ন্ত্রণ আর সবকিছুতে নাক গলানো: বড় হয়ে যাওয়ার পরও প্রতিটি সিদ্ধান্তে জোর খাটানো, ব্যক্তিগত পরিসরকে অস্বীকার করা।
  • অনুভূতিকে অস্বীকার: সন্তান কষ্ট পেলে সেটিকে নাটক বলে উড়িয়ে দেওয়া, কান্নাকে দুর্বলতা বলা।
  • অপ্রত্যাশিত মেজাজ: ঘরে কখন কী হবে তার কোনো ঠিক নেই, ফলে সন্তান সবসময় সতর্ক ও ভীত থাকে।
  • দায়িত্ব উল্টে দেওয়া: ছোট বয়সেই সন্তানকে মা-বাবার আবেগ সামলানোর ভার নিতে বাধ্য করা।

এই আচরণগুলো সবসময় চিৎকার বা মারধরের মতো স্পষ্ট নয়। অনেক সময় এগুলো ঘটে নীরব উপেক্ষা, ঠান্ডা দূরত্ব কিংবা অতিরিক্ত সুরক্ষার ছদ্মবেশে, যা চিনতে বছর লেগে যায়।

বড় হয়ে কেন হঠাৎ ক্ষত চিনতে পারা যায়

আমাদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, অনেক মানুষ ত্রিশের কোঠায় এসে, নিজে বাবা-মা হওয়ার পর, কিংবা কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে বারবার একই সমস্যায় পড়ে হঠাৎ বুঝতে শুরু করেন, তাঁর ছোটবেলা ততটা স্বাভাবিক ছিল না। শিশু অবস্থায় আমাদের মস্তিষ্ক বেঁচে থাকার জন্য পরিবারের নিয়মকে সত্য বলে মেনে নেয়, তাই তখন প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকে না।

বড় হয়ে যখন আমরা বাইরের সুস্থ সম্পর্ক দেখি, বই পড়ি, কিংবা থেরাপিতে বসি, তখন প্রথমবারের মতো তুলনা করার একটা মাপকাঠি তৈরি হয়। এটা বুঝতে পারা প্রায়ই কষ্টের, কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং রাগের এক জটিল মিশ্রণ। এটাই স্বাভাবিক, এবং এই দ্বন্দ্ব চেপে না রেখে বোঝার চেষ্টা করাই সুস্থ হওয়ার প্রথম ধাপ।

দোষারোপ বনাম দায় বোঝা

একটি বিষয় স্পষ্ট থাকা জরুরি: ক্ষত চেনার মানে মা-বাবাকে শত্রু বানানো নয়। বেশিরভাগ অভিভাবক নিজেরাও হয়তো কঠিন শৈশব, আর্থিক চাপ কিংবা নিজেদের অমীমাংসিত মানসিক ক্ষত বহন করে এসেছেন। তাঁরা যা জানতেন, তাই দিয়েছেন। এই বোঝাপড়া সহানুভূতি তৈরি করে।

তবে ব্যাখ্যা আর ন্যায্যতা এক জিনিস নয়। কারও কষ্টের কারণ বোঝার অর্থ এই নয় যে সেই আচরণ আপনার জন্য ক্ষতিকর ছিল না। সেরে ওঠার লক্ষ্য অতীত বদলানো নয়, বরং সেই ক্ষত চিনে নিজের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনকে সুস্থ রাখা।

ছোটবেলার ক্ষত আজকের জীবনে যেভাবে প্রভাব ফেলে

বিষাক্ত অভিভাবকত্বের প্রভাব শৈশবেই শেষ হয় না। প্রাপ্তবয়সে এসে তা নানা রূপে ফিরে আসে, অথচ আমরা প্রায়ই এর উৎস বুঝতে পারি না। কিছু সাধারণ ধরন:

  • ক্রমাগত অপরাধবোধ: নিজের জন্য কিছু চাইলে বা না বললেই ভেতরে একটা দোষী অনুভূতি জেগে ওঠা।
  • অতিরিক্ত মানুষকে খুশি রাখার প্রবণতা: সবার অনুমোদন পেতে নিজের প্রয়োজন বারবার বিসর্জন দেওয়া।
  • আত্মসমালোচনার কঠোর কণ্ঠ: ভেতরে এমন একটি বিচারক বসে থাকা, যা ছোটবেলার কড়া কথারই প্রতিধ্বনি।
  • সম্পর্কে ভয় বা নির্ভরতা: ঘনিষ্ঠতায় হয় দূরত্ব রাখা, নয়তো ছেড়ে যাওয়ার আতঙ্কে আঁকড়ে ধরা। এটিকে অনেক সময় অ্যাটাচমেন্ট বা বন্ধন-প্যাটার্নের সমস্যা বলা হয়।
  • দীর্ঘস্থায়ী অ্যাংজাইটি ও অস্থিরতা: শরীর সবসময় বিপদের জন্য প্রস্তুত থাকা, যা ঘুম, মনোযোগ ও সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।

এই উপসর্গগুলো মানসিক চাপ ও অ্যাংজাইটির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কীভাবে দৈনন্দিন মানসিক চাপ কমানো যায় তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের মানসিক চাপ কমানোর উপায় লেখাটি পড়তে পারেন। আর মন যখন দীর্ঘদিন ভারী থাকে, তখন মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায় লেখাটিতে psychologist-এর সাথে কথা বলা কীভাবে কাজ করে তা তুলে ধরা হয়েছে।

নিজের ক্ষত চেনার শান্ত ধাপ

সেরে ওঠা শুরু হয় সততার সঙ্গে নিজেকে দেখা থেকে। তাড়াহুড়ো বা কঠোর বিচার ছাড়াই কয়েকটি প্রশ্ন নিজেকে করা যেতে পারে:

  • ছোটবেলায় কি আমি নিজের অনুভূতি খোলাখুলি প্রকাশ করতে ভয় পেতাম?
  • ভুল হলে কি সংশোধনের সুযোগ পেতাম, নাকি শুধুই দোষী বোধ করতাম?
  • আমার সীমা বা না বলা কি সম্মানিত হতো?
  • আজও কি বাড়ির কারও সঙ্গে কথা বলার পর নিজেকে ছোট বা ক্লান্ত মনে হয়?

এই প্রশ্নের উত্তর একবারে পরিষ্কারার নাও হতে পারে, আর সেটাই স্বাভাবিক। অনেকের জন্য একটি ডায়েরিতে অনুভূতি লিখে রাখা সাহায্য করে, কারণ কাগজে লেখা আবেগগুলোকে একটু দূর থেকে দেখার সুযোগ দেয়। মনে রাখবেন, ক্ষত চেনা কোনো প্রতিযোগিতা নয়, এতে সময় লাগে, আর নিজের প্রতি নরম থাকতে হয়।

সীমারেখা টানা: সেরে ওঠার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার

বাংলাদেশের পারিবারিক সংস্কৃতিতে সীমারেখা টানা অনেক সময় অসম্মান বা স্বার্থপরতা বলে ভুল বোঝা হয়। অথচ সুস্থ সীমারেখা মানে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া নয়, বরং সম্পর্ককে টেকসই রাখা। এটি এমন একটি রেখা, যা বলে দেয় কোন আচরণ আপনি মেনে নেবেন আর কোনটি নয়।

বাস্তব জীবনে সীমারেখা যেমন দেখায়

  • সময়ের সীমা: প্রতিটি ফোন বা প্রশ্নের তাৎক্ষণিক জবাব দিতে বাধ্য না থাকা।
  • বিষয়ের সীমা: কিছু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যেমন বিয়ে, ক্যারিয়ার বা অর্থ, নিয়ে আলোচনার পরিধি নির্ধারণ করা।
  • অনুভূতির সীমা: অপরাধবোধ চাপিয়ে দিলে শান্তভাবে কথোপকথন থামিয়ে দেওয়া।
  • শারীরিক দূরত্বের সীমা: প্রয়োজনে যোগাযোগের মাত্রা ও ধরন নিজে ঠিক করা।

সীমারেখা টানার সময় দোষী বোধ হওয়া খুবই স্বাভাবিক, বিশেষত প্রথম দিকে। এই অস্বস্তি এই নয় যে আপনি ভুল করছেন, বরং এই নতুন অভ্যাস মস্তিষ্কের কাছে অচেনা বলে। ছোট ছোট, স্পষ্ট ও ধারাবাহিক সীমা দিয়ে শুরু করুন। রাগ না, শান্ত কিন্তু দৃঢ় থাকাটাই এখানে সবচেয়ে কাজে দেয়।

সেরে ওঠার পথে যা সাহায্য করে

সেরে ওঠা রৈখিক নয়, ভালো দিনের পরে কঠিন দিন আসবেই। তবু কিছু চর্চা এই পথকে সহজ করে তোলে:

  • আবেগকে নাম দেওয়া: রাগ, শোক, ভয় বা স্বস্তি চিনে ফেলা মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে।
  • ভেতরের সমালোচককে চ্যালেঞ্জ করা: নিজেকে যেসব কঠোর কথা বলেন, সেগুলোকে বন্ধুর মতো নরম কণ্ঠ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা।
  • নিরাপদ সম্পর্ক গড়া: এমন মানুষ খুঁজে নেওয়া, যাঁরা আপনার অনুভূতিকে সম্মান করেন।
  • শোককে জায়গা দেওয়া: যে শৈশব আপনি পাননি, তার জন্য দুঃখ করা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থ হওয়ার অংশ।
  • ধৈর্য ধরা: বছরের পর বছর জমা ক্ষত এক রাতে সারে না, নিজের প্রতি সদয় থাকুন।

এই কাজগুলোর অনেকটাই একা করা কঠিন, কারণ ক্ষতের অনেক অংশ আমাদের চেতনার আড়ালে থাকে। এখানেই একজন trained psychologist বা কাউন্সেলর পথ দেখাতে পারেন, যিনি আপনাকে বিচার না করে নিরাপদ পরিসরে বুঝতে সাহায্য করেন।

এমন অবস্থায় অনেকেই নিজের ওপর সবচেয়ে বেশি কঠোর হন। নিজের প্রতি একটু সদয় হওয়ার জন্য এই এক মিনিটের এক্সারসাইজটা করে দেখুন।

এখনই চেষ্টা করুন: এক মিনিট নিজের প্রতি সদয় হোন

চাইলে বুকে একটা হাত রাখুন। প্রতিটা লাইন ধীরে, মনে মনে পড়ুন।

কখন psychologist-এর সাথে কথা বলবেন

নিজে নিজে কিছুটা এগোনো সম্ভব, তবে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে psychologist-এর সাথে কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষ করে যদি:

  • ছোটবেলার স্মৃতি বারবার ফিরে এসে দৈনন্দিন কাজ বা ঘুম ব্যাহত করে।
  • অ্যাংজাইটি, বিষণ্নতা বা অসহায় লাগার অনুভূতি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে।
  • সম্পর্কে একই ক্ষতিকর ধরন বারবার ফিরে আসে।
  • নিজের প্রতি রাগ, ঘৃণা বা নিজেকে শাস্তি দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।
  • পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ প্রতিবারই গভীর মানসিক ধাক্কা দেয়।

মনে রাখবেন, এই লেখা শিক্ষামূলক, কোনো রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। কোনো ওষুধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত একজন যোগ্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কাউন্সেলিং কাজ করে কথা, বোঝাপড়া ও নতুন দক্ষতা গড়ে তোলার মাধ্যমে, যা ছোটবেলার ক্ষত থেকে সেরে ওঠার একটা নিরাপদ আর কাজের পথ।

Chum Wellness-এ আমাদের certified psychologist ও কাউন্সেলররা এই ধরনের পারিবারিক ক্ষত ও সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে গোপনীয়তার সঙ্গে কাজ করেন। আমরা অনলাইনে সারা বাংলাদেশে, এবং সরাসরি ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সেবা দিই, তাই আপনি ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট যেখানেই থাকুন না কেন, সহায়তা হাতের নাগালেই।

শেষ কথা

টক্সিক প্যারেন্টিং চেনা মানে নিজের অতীতকে অসম্মান করা নয়, বরং নিজের বর্তমানকে ভালোবাসা। ক্ষত চিনে, সীমারেখা টেনে ও সঠিক সহায়তা নিয়ে আপনি সেই চক্র ভাঙতে পারেন, যেন এই ক্ষত পরের প্রজন্মে না পৌঁছায়। পথটা কঠিন, কিন্তু আপনি একা না।

আপনি যদি নিজের ছোটবেলার ক্ষত নিয়ে কথা বলতে চান এবং সুস্থ হওয়ার একটি নিরাপদ পথ খুঁজছেন, আমাদের কাউন্সেলিং সহায়তা পাশে আছে। আজই একটি ধাপ নিন এবং একটি সেশন বুক করুন, কারণ নিজের মনের যত্ন নেওয়ার সিদ্ধান্তটাই সবচেয়ে সাহসী।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

টক্সিক প্যারেন্টিং কি শুধু মারধর বা চিৎকারকে বোঝায়?

না। টক্সিক প্যারেন্টিং বা বিষাক্ত অভিভাবকত্ব শুধু শারীরিক শাস্তি নয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা অবমূল্যায়ন, ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল, সীমাহীন নিয়ন্ত্রণ, অনুভূতিকে অস্বীকার করা কিংবা নীরব উপেক্ষাও এর অন্তর্ভুক্ত। এগুলো প্রায়ই চোখে পড়ে না বলেই চিনতে বছর লেগে যায়।

ছোটবেলার ক্ষত চিনলে কি মা-বাবাকে দোষ দিতে হবে?

না। লক্ষ্য দোষারোপ নয়, বরং ক্ষত চিনে নিজেকে সুস্থ রাখা। বেশিরভাগ মা-বাবা নিজেরাও কঠিন অতীত বহন করেছেন। কোনো আচরণের কারণ বোঝা আর সেটিকে ন্যায্য বলা এক নয়। আপনি সহানুভূতি রাখতে পারেন, আবার একই সঙ্গে নিজের জন্য সুস্থ সীমারেখাও টানতে পারেন।

পরিবারে সীমারেখা টানা কি অসম্মান নয়?

সুস্থ সীমারেখা সম্পর্ক ভাঙে না, বরং টেকসই করে। এটি বলে দেয় কোন আচরণ আপনি মেনে নেবেন। শান্ত দৃঢ়তা দিয়ে ছোট ও স্পষ্ট সীমা দিয়ে শুরু করুন। প্রথম দিকে দোষী বোধ হওয়া স্বাভাবিক, তবে এটি ভুলের লক্ষণ নয়, বরং নতুন অভ্যাসের অস্বস্তি মাত্র।

Chum Wellness-এ কি ঢাকার বাইরে থেকেও সহায়তা পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। Chum Wellness অনলাইনে সারা বাংলাদেশে এবং সরাসরি ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুরে সেবা দেয়। তাই আপনি ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা কিংবা চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট যেখানেই থাকুন, certified psychologist ও কাউন্সেলরের গোপনীয় সহায়তা নিতে পারেন। আপনি চাইলে একটি সেশন বুক করতে পারেন।

How this article was made
Written by
Shaheen Nafisa Siddique, Senior Clinical Psychologist
Clinical reviewer
Ishrat Shermin Rahman, Clinical Psychologist
Last updated
September 27, 2026

Every Chum article is written for people in Bangladesh by a Chum psychologist or our editorial team, and clinically reviewed by a certified psychologist or psychiatrist who specialises in its topic. How we review · Report an error

লেখাটা কি কাজে লাগল?

Where to go from here

Three next steps, from lightest to most support.

Step 1
Check how you’re doingA free, private self-check. It takes about 3 minutes.Take the self-check
Step 2
Learn how therapy worksWhat happens in a session, costs, and how to choose a psychologist.How it works
Step 3Shaheen Nafisa Siddique
Talk to ShaheenThe psychologist who wrote this article. Online, in Bangla or English. View profileBook with Shaheen

Keep Reading

ছোটবেলার ট্রমা: বড় হয়ে যেভাবে প্রভাব ফেলে ও সেরে ওঠার পথটক্সিক বন্ধুত্ব ও পুরুষের একাকিত্ব: মন খুলে বলার জায়গামাতৃত্বের ক্লান্তি ও “খারাপ মা” বলে বিচার: মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য

Psychologists who help with children, teens & parenting

Book a confidential session with a certified psychologist at Chum Wellness.

Esmot Jahan
Esmot JahanChild Psychologist · 3+ yearsHelps with child & adolescent, parenting supportFrom ৳1,500ProfileBook
Farzana Sultana Nila
Farzana Sultana NilaClinical Psychologist · 15+ yearsHelps with child & adolescent, couples & marriageFrom ৳3,000ProfileBook
Ishrat Shermin Rahman
Ishrat Shermin RahmanClinical Psychologist · 20+ yearsHelps with ADHD in children, parenting skills training for ADHDFrom ৳4,000ProfileBook
See all psychologists →